হবিগঞ্জে সারজিস-নাসীরের গাড়িবহরে হামলা, উদ্ধার করল পুলিশ

সংগৃহীত ছবি
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ ঘটনায় এনসিপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আজ সন্ধ্যায় ঘটে এই হামলার ঘটনা।
এনসিপির মিডিয়া উইং জানিয়েছে, পদযাত্রায় ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম। প্রথম দফায় তাদের ওপর হামলা করে ছাত্রদল। পরে গাড়িতে থাকা অন্য নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে টাউন হলের সামনে বক্তব্য দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বারা বাংলাদেশ পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তিনি সমাজের সবচেয়ে খারাপ লোকদের পার্লামেন্টে নিয়ে গিয়েছেন।’
এর আগে আজমিরীগঞ্জে পদযাত্রায় সারজিস আলম বললেন, ‘বিএনপি সরকারের পাঁচ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় ২১৩ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষেই ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যারা ক্ষমতা, চাঁদাবাজি ও টাকার দ্বন্দ্বে নিজেদের এত মানুষ হত্যা করতে পারে, তাদের কাছে এ দেশের মানুষ নিরাপদ নয়।’
এমন বক্তব্যের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। সার্কিট হাউজের দিকে ফেরার পথে কলাপাতা রেস্টুরেন্টের সামনে হামলার শিকার হন তারা। স্থানটি সদর মডেল থানা থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে। হামলার ঘটনার পর এনসিপি নেতারা পাশেই থাকা সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় আশ্রয় নেন। সেই জায়গা ঘেরাও করে রাখে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের নেতৃত্বে কয়েকশ পুলিশ।
এ সময় ছাত্রদলকর্মীরা ‘ভুয়া’, ‘ভুয়া’ স্লোগান দিচ্ছিল। পাল্টা জবাবে এনসিপির নেতাকর্মীরা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়। তাৎক্ষণিক পুলিশকে রাবার বুলেট ছুড়তে দেখা যায়। পরে পুলিশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউজের ভেতরে নিয়ে যায়।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন আজমিরীগঞ্জ ও হবিগঞ্জ প্রতিনিধি





