যুবদল
দলীয় বাধ্যবাধকতায় সবাইকে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রাখা যায়নি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির আকার ছোট করার দলীয় বাধ্যবাধকতার কারণে যোগ্যতাসম্পন্ন সবাইকে সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। যুবদল বলেছে, ‘এটা একটা রূঢ় বাস্তবতা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন এবং ইতিবাচক ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন।’
আজ রবিবার বিকালে যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সংগঠনটি।
প্রসঙ্গত, আংশিক কমিটি ঘোষণার প্রায় দুই বছরের মাথায় গত ৪ জুন জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেয় বিএনপি।
বিজ্ঞপ্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফলে যুবদলের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক যুবসংগঠন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংগঠনটি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান গণআন্দোলনে দেশব্যাপি যুবদলের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিটের নেতাকর্মীরা সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে গণআন্দোলন সফল করেছেন। আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত করতে গিয়ে যুবদলের ৭৮ নেতাকর্মী ‘শহীদ’ হয়েছেন। শত শত নেতাকর্মী পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। হাজার হাজার নেতাকর্মী রক্তাক্ত হয়েছেন।
বর্তমানে কেন্দ্রের নির্দেশনায় দেশব্যাপি সাংগঠনিক কার্যক্রম, ইউনিট পুনর্গঠন, সদস্য সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানানো হয় যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে।
আরও বলা হয়েছে, যুবদল সব সময় সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী এবং কোনো রকমের বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দেয় না। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ নেই। এসব ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সব রকম রাগ ও অনুরাগের ঊর্ধ্বে উঠে দলীয় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটা সংগঠনের একটা রুটিন ওয়ার্ক। এ ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এসব বাস্তবতা উপেক্ষা করে যুবদলকে ‘মৃতপ্রায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করা কোনো তথ্যনির্ভর মূল্যায়ন নয়; বরং এটি একটি একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা।




