এক হাজার গাড়ির বহর নিয়ে হবে জামায়াতের লংমার্চ, সমাবেশ কুষ্টিয়ায়

সংগৃহীত ছবি
ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার গাড়ির বিশাল বহর নিয়ে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। আগামী ৩১ অক্টোবর এ লংমার্চের উদ্বোধন হবে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে। সকাল ৭টায় উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় শুরু হবে লংমার্চ। দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে পথসভা শেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশে যোগ দেবে বহরটি।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লংমার্চের প্রস্তুতি সভা হয়। দলের সেক্রেটারি জেনারেল এবং লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ার এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় লংমার্চের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন গোলাম পরওয়ার। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন তিনি।
উদ্বোধনী সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীলদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ ছাড়া ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেবেন।
লংমার্চের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সকাল ৮টায় রাজধানী থেকে মাওয়া সড়ক হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফকিরহাট হয়ে খুলনায় পৌঁছাবে গাড়িবহর। এরপর যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় যাবে লংমার্চটি। এ কর্মসূচিতে গণমাধ্যমকর্মী, চিকিৎসক, শিল্পী ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
লংমার্চ চলাকালে কয়েকটি স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় এবং রবলা ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়ে পথসভা হবে। দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বরে এবং দুপুর ২টায় ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে কর্মসূচি রয়েছে।
এ ছাড়া বিকাল সাড়ে ৩টায় যশোরের মুড়লীর মোড়ে এবং বিকাল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চের কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রস্তুতি সভায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির এবং সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



