গুরুর ক্যামেরায় বন্দি হয় মানুষের মুখাবয়ব

দেশের সীমানা পেরিয়ে যার গান পৌঁছেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও, সেই নগরবাউল জেমসের আজ জন্মদিন। ভক্তদের কাছে তিনি শুধু জেমস নন, অনেকের কাছেই তিনি ‘গুরু’। গিটার হাতে মঞ্চে যার স্বতন্ত্র উপস্থিতি, কণ্ঠে যার গান কয়েক প্রজন্মের শ্রোতাকে মুগ্ধ করেছে, সেই জেমসের সৃজনশীলতার জগৎ শুধু সংগীতেই সীমাবদ্ধ নয়, গানের বাইরেও তার রয়েছে আরেকটি নেশা, ফটোগ্রাফি। বিশেষ করে পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফিতে তার আগ্রহ ও দক্ষতার কথা সংগীত ও আলোকচিত্রপ্রেমীদের অনেকেরই জানা। মঞ্চের আলো থেকে দূরে ক্যামেরা হাতে জেমসকে দেখা যায় এক ভিন্ন সৃজনশীল ভূমিকায়। আজ ২ অক্টোবর জেমসের জন্মদিন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের রক সংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখ। সংগীতের পাশাপাশি ফটোগ্রাফির প্রতি তার ভালোবাসাও দীর্ঘদিনের। ফটোগ্রাফিতে জেমসের আগ্রহ বিশেষভাবে লক্ষ করা যায় মানুষের মুখ ও ব্যক্তিত্বকে ঘিরে তার কাজের মধ্যে। পোর্ট্রেটের মাধ্যমে একজন মানুষের অভিব্যক্তি, চরিত্র ও মুহূর্তকে ধরে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। ফলে ক্যামেরার পেছনের জেমসকে চেনা যায় একজন নীরব পর্যবেক্ষক হিসেবেও। চার দশকের বেশি সময় ধরে সংগীতের সঙ্গে পথচলা জেমস আজও নিজের মতো করেই থাকতে পছন্দ করেন। জন্মদিন নিয়েও তার ভাবনা আলাদা। সাম্প্রতিক সময়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করেন না, বরং দিনটি পরিবার ও আপনজনদের সঙ্গে কাটাতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
জেমসের জন্মদিনের আগের দিন, ১ অক্টোবর রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত এক আড্ডায় উঠে আসে সংগীতের বাইরে তার এই অন্য সত্তার কথাও। সেখানে ক্যামেরার সঙ্গে জেমসের সম্পর্ক, ফটোগ্রাফির প্রতি তার আগ্রহ এবং পোর্ট্রেটের প্রতি বিশেষ টানের কথা উল্লেখ করেন। গানের জগতে ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত জেমসের হাতে যখন গিটার থাকে, তখন তৈরি হয় সুরের গল্প। আর ক্যামেরা হাতে নিলে সেই গল্প বদলে যায় আলো, ছায়া, মুখ আর মুহূর্তের ভাষায়।











