Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
৬ লাখ তালবীজ বপন করেছেন চিত্তরঞ্জন
সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পষ্ট, বিশ্বব্যবস্থা বদলাচ্ছে

কুরনিয়াওয়ান আরিফ মাসপুল
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১৯:২৯
খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পষ্ট, বিশ্বব্যবস্থা বদলাচ্ছে

ছবি: রয়টার্স

৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের বয়স ২৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। উদ্‌যাপন ছিল জাঁকজমকপূর্ণ—ওয়াশিংটনের ১০টি স্থান থেকে ৮ লাখ ৫০ হাজার আতশবাজি ফোটানো হয়, প্রতি ঘণ্টায় সামরিক উড়োজাহাজের প্রদর্শনী চলে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, এটি হবে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আতশবাজির প্রদর্শনী’। এর আগের রাতে মাউন্ট রাশমোরে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে অসাধারণ প্রজাতন্ত্র’ বলে বর্ণনা করেন।

কিন্তু বার্ষিকীগুলোর একটি বৈশিষ্ট্য হলো, সেগুলো বাহ্যিক জৌলুশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতাকেও সামনে নিয়ে আসে। আর এই উদ্‌যাপনের আড়ালে দেখা যাচ্ছে, ভিত্তিটাই নড়ে গেছে।

ট্রাম্প যখন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলছিলেন, ঠিক তখনই ইরানে শুরু হয় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলায় তিনি নিহত হন। সময়ের এই মিল কাকতালীয় নয়। যুক্তরাষ্ট্র যেদিন স্বাধীনতা উদ্‌যাপন করছিল, সেদিনই প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছিল নিহত নেতার কফিন।

তেহরানে এক কোটিরও বেশি শোকসন্তপ্ত মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা করা হয়েছিল। ১০০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি সেখানে অংশ নেন। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা আগে বিশ্ব জানতে পারে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ২৬ জুন একটি গোপন নির্দেশনা জারি করে বিশ্বের সব মার্কিন দূতাবাসকে স্বাগতিক সরকারগুলোকে সতর্ক করতে বলেন, ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে ‘অবন্ধুসুলভ পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখা হবে এবং এর প্রভাব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পড়বে। আফ্রিকার কয়েকটি দেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা নাকি সতর্ক করেছিলেন, অংশ নিলে উন্নয়ন সহায়তা কমে যেতে পারে। রুবিও ব্যক্তিগতভাবে অন্তত পাঁচটি আরব দেশের ওপরও চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।

ফলাফল কী? অন্তত ১৩টি দেশ—পূর্ব ইউরোপের তিনটি, আফ্রিকার পাঁচটি, পারস্য উপসাগরীয় দুই আরব রাষ্ট্র এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি প্রধান শক্তি—তাদের প্রতিনিধিদল প্রত্যাহার করে নেয় অথবা ছোট করে। কয়েকটি দেশ আবার মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, তারা উপস্থিত হতে পারছে না।

এটি কূটনীতি ছিল না। এটি ছিল এমন এক সাম্রাজ্যের আচরণ, যে শোক প্রকাশের অধিকারকেও নিজের নিয়ন্ত্রণাধীন মনে করে। এর অর্থ কী, তা ভেবে দেখুন। যে রাষ্ট্র স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণকে নিজের জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরে, সেই রাষ্ট্রই এখন তার বিশাল কূটনৈতিক যন্ত্র ব্যবহার করে নির্ধারণ করতে চাইছে কে শোক পালন করতে পারবে, আর কে পারবে না।

যুক্তরাষ্ট্র যেন নিজেকে এমন এক ধর্মীয় ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে, যে শত্রুপক্ষের মৃতদের বৈধ স্মরণ থেকেও নির্বাসিত করতে পারে। এমনকি যে রাষ্ট্র তাদের শেষকৃত্যে অংশ নিতে সাহস করবে, তাকেও শাস্তির হুমকি দিচ্ছে।

বিশ্বব্যবস্থা যদি এই দাবিকে মেনে নেয়, তবে তা আর সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা থাকবে না; বরং এমন এক সাম্রাজ্যিক ব্যবস্থায় পরিণত হবে, যেখানে কেবল সেই শোকই বৈধ, যার অনুমতি আধিপত্যশীল শক্তি দেবে।

এরপর ছিল ট্রাম্পের আরেকটি বার্তা। মাউন্ট রাশমোরে দাঁড়িয়ে তিনি ‘কমিউনিস্ট হুমকির পুনরুত্থান’ এবং এমন ‘নবাগতদের’ বিরুদ্ধে সতর্ক করেন, যারা ‘জীবনধারার সম্পূর্ণ বিপরীত’ ধারণা গ্রহণ করে।

তিনি বললেন, ‘আমেরিকা কখনোই কমিউনিস্ট দেশ হবে না।’ কমিউনিজমকে তিনি ‘ক্যানসারের’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘এটিকে কেটে ফেলতে হবে।’

নিজ দেশের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে একজন প্রেসিডেন্ট তার দেশকে কী, তা দিয়ে নয়; বরং কী নয়, তা দিয়ে সংজ্ঞায়িত করছেন। একটি জাতির পরিচয় যেন কেবল অস্বীকৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এমন এক সভ্যতা, যা নিজের ইতিবাচক ভবিষ্যৎ কল্পনা আর তুলে ধরতে পারে না; কেবল অদৃশ্য শত্রুদের বিরুদ্ধে চিৎকার করে।

এটি শক্তির ভাষা নয়। এটি এমন একটি রাষ্ট্রের ভাষা, যার আদর্শিক শক্তি ক্ষয় হয়ে গেছে এবং যা এখন কেবল অতীতের জোরে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।

আমেরিকান ব্যতিক্রমবাদ, ‘পাহাড়চূড়ার নগরী’, ‘অপরিহার্য জাতি’, কিংবা ‘ন্যায়বিচারের অগ্রযাত্রা’—এসব ধারণা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলা সহিংসতা, দ্বিচারিতা এবং এমন এক বিশ্ববাসীর সামনে ভেঙে পড়েছে, যারা আর ওয়াশিংটনের বয়ান বিশ্বাস করছে না।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের ৩৬টি দেশের ৪২ হাজার ১৫১ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে করা এক জরিপে দেখা গেছে, বৈশ্বিক পর্যায়ে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের ওপর আস্থা রয়েছে মাত্র ২৩ শতাংশ মানুষের। মাত্র ৩৫ শতাংশ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

কানাডায় যুক্তরাষ্ট্রকে নির্ভরযোগ্য অংশীদার মনে করার হার ২০২২ সালের ৮৩ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালে নেমে এসেছে ৩৫ শতাংশে। ফ্রান্সে ৬২ শতাংশ থেকে ২৭ শতাংশে, জার্মানিতে ৮৩ শতাংশ থেকে ৩৯ শতাংশে, যুক্তরাজ্যে ৮২ শতাংশ থেকে ৪৯ শতাংশে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রশান্ত মহাসাগরীয় মিত্র অস্ট্রেলিয়ায় ৭৯ শতাংশ থেকে ৩৭ শতাংশে নেমে এসেছে।

লোয়ি ইনস্টিটিউটের ২০২৬ সালের জরিপ আরও কঠোর চিত্র তুলে ধরে। বিশ্বে দায়িত্বশীল আচরণ করবে—এমন বিশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নেমে এসেছে ৩১ শতাংশে, যা জরিপের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। মাত্র দুই বছরে এই হার কমেছে ২৫ শতাংশ পয়েন্ট। ট্রাম্পের প্রতি আস্থা নেমে এসেছে ২১ শতাংশে, যা কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন।

প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ ৫১ শতাংশ মানুষ বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দুই পরাশক্তির প্রতি আস্থার ব্যবধান ২০২২ সালের ৫৩ শতাংশ পয়েন্ট থেকে কমে এখন মাত্র ৩ শতাংশ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। চীন মানুষের মন জয় করছে বলে নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করেছে বলেই এই পরিবর্তন ঘটছে।

দেশের অভ্যন্তরেও চিত্রটি আশাব্যঞ্জক নয়। এপি-এনওআরসি জরিপে দেখা গেছে, ৭২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, দেশ ভুল পথে এগোচ্ছে। মাত্র ৪৫ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশ মনে করেন; ২০১৬ সালে এই হার ছিল ৫৫ শতাংশ।

পিআরআরআইয়ের ২০২৬ সালের জরিপে দেখা যায়, মাত্র ৫১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক আমেরিকান হতে অত্যন্ত বা খুব গর্ববোধ করেন। ২০১৩ সালে এই হার ছিল ৮২ শতাংশ।

৩৮ শতাংশ মনে করেন, আরও ২৫০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র হয়তো আর থাকবে না। প্রায় অর্ধেক ৪৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক জানেনই না, ২৫০তম বার্ষিকীটি কী উপলক্ষে পালিত হচ্ছে। জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে এই হার ৬১ শতাংশ।

সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করা বিলিয়নিয়ার বিনিয়োগকারী রে ডালিও ২০২৬ সালের মার্চে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার ‘সুয়েজ মুহূর্তে’ পৌঁছেছে। ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকট ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতন ঘটায়নি; বরং আগে থেকেই ঘটে যাওয়া শক্তি হ্রাসকে প্রকাশ্যে এনেছিল। এক দশক পর হ্যারল্ড ম্যাকমিলানের ‘উইন্ডস অব চেঞ্জ’ ভাষণ সেই বাস্তবতাকেই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়—ব্রিটিশ সাম্রাজ্য আর বিস্তার নয়, নিয়ন্ত্রিত পশ্চাদপসরণে ছিল।

এই তুলনাটি তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৫ সালে প্রায় ৯৫৪ বিলিয়ন ডলার প্রতিরক্ষা ব্যয় করে যুক্তরাষ্ট্র এখনো সামরিক শক্তিতে বিশ্বের শীর্ষে। কিন্তু তারা শুরু করা যুদ্ধ জিততে পারছে না, নিজেদের চাওয়া ফল নিশ্চিত করতে পারছে না, কিংবা একসময় যে আনুগত্য স্বাভাবিক বলে ধরে নিত, সেটিও আদায় করতে পারছে না।

২০২৬ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। তিনটি প্রধান আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থাই যুক্তরাষ্ট্রের ঋণমান কমিয়েছে। মার্কিন আর্থিক আধিপত্যের ভিত্তি বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের অবস্থান। এটি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর ডি-ডলারাইজেশন উদ্যোগের কারণে ক্রমাগত চ্যালেঞ্জের মুখে। বর্তমানে তাদের ৮৫ শতাংশের বেশি লেনদেন স্থানীয় মুদ্রায় সম্পন্ন হচ্ছে। ১৯৭৩ সাল থেকে মার্কিন বৈশ্বিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি পেট্রোডলার ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ছে।

এটি সাময়িক সংকট নয়। এটি এমন এক সাম্রাজ্যের কাঠামোগত অবক্ষয়, যা নিজের অন্তর্নিহিত বৈপরীত্যের সীমা অতিক্রম করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা এমন এক বৈপরীত্যের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, যার কখনো সমাধান হয়নি—সর্বজনীন অধিকারের ঘোষণা দিয়েছিলেন এমন মানুষরা, যারা নিজেরাই অন্য মানুষকে দাস বানিয়ে রেখেছিলেন; স্বাধীনতা ছিল এমন এক সুবিধা, যার মূল্য নির্ভর করত অন্যের স্বাধীনতাহীনতার ওপর; আর বসতি স্থাপনভিত্তিক ঔপনিবেশিক প্রকল্প টিকে ছিল আদিবাসীদের সার্বভৌমত্ব মুছে দেওয়ার মাধ্যমে।

প্রতিষ্ঠাতারা যখন স্বাধীনতার ঘোষণা লিখছিলেন, একই সঙ্গে দাসপ্রথা বজায় রেখেছিলেন এবং আদিবাসীদের ভূমি দখলের পরিকল্পনা করছিলেন—তখন তারা উদারনীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি; বরং সেই নীতির গভীরতম যুক্তিকেই বাস্তবায়ন করেছিলেন। কারণ ‘সমতা’ সব সময় নির্ভর করেছে, কে ‘মানুষ’ হিসেবে গণ্য হবে, সেই পূর্বনির্ধারিত সীমার ওপর। আর সেই সীমারেখাই ছিল সহিংস বাছাইয়ের একটি প্রক্রিয়া।

সেই বাছাই আজও চলছে। তা দেখা যায় এমন বিচারব্যবস্থায়, যেখানে কৃষ্ণাঙ্গ ও বাদামি বর্ণের মানুষ উন্নত বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি হারে কারাবন্দি হন। তা দেখা যায় ড্রোন হামলায়, যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠানকে ‘বাগ স্প্ল্যাট’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়। তা দেখা যায় সেই কূটনৈতিক চাপেও, যেখানে সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোকে বলা হয়, তারা নিজেদের মৃতদের জন্যও শোক পালন করতে পারবে না। আর তা প্রতিফলিত হয় এমন এক প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে, যিনি নিজের দেশকে সংজ্ঞায়িত করতে পারেন কেবল কল্পিত শত্রু সৃষ্টি করে।

২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল না কোনো জন্মদিন। এটি ছিল যেন এক প্রেতসমাবেশ—মৃতপ্রায় এক জাতীয় মিথকে বাঁচিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা। ওয়াশিংটনের আকাশে আতশবাজি, একই সময়ে নিহত এক নেতার দাফন অনুষ্ঠান এবং গাজায় বোমাবর্ষণ—সব মিলিয়ে বিশ্ব এমন এক সভ্যতার প্রতিচ্ছবি দেখেছে, যা তার নৈতিক দিকনির্দেশনা হারিয়েছে এবং নিজের দ্রুত অবক্ষয়কেই উদ্‌যাপন করছে।

এই বিশ্বব্যবস্থার সামনে আর কতগুলো জন্মদিন বাকি? প্রশ্নটি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্য ভেঙে পড়বে কি না, তা নয়—সব সাম্রাজ্যই একদিন পতনের মুখে পড়ে। প্রশ্ন হলো, সেই পতন কি শান্তিপূর্ণ হবে, নাকি মরিয়া সহিংসতার মধ্যে পুরো বিশ্বকেই সঙ্গে টেনে নামাবে?

২০২৬ সালের ৪ জুলাইয়ের ঘটনাগুলো অন্তত দ্বিতীয় সম্ভাবনার দিকেই ইঙ্গিত করে। যে সাম্রাজ্য শোক প্রকাশও নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, নিজের পরিচয়কে কেবল অস্বীকৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখে এবং বিশ্ব যখন অবিশ্বাস নিয়ে তাকিয়ে থাকে, তখনও নিজের মিথ উদ্‌যাপন করে—এমন সাম্রাজ্যের সামনে হয়তো আর দশক নয়, বরং মাত্র কয়েকটি বছর বাকি। হয়তো তারও কম।

আমেরিকা-পরবর্তী বিশ্ব আসছে না—সেটি ইতোমধ্যেই এসে গেছে। আর আতশবাজির আলোও ইতোমধ্যেই নিভে যেতে শুরু করেছে।

মিডল ইস্ট মনিটর থেকে অনূদিত

খামেনির জানাজাযুক্তরাষ্ট্র
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৭ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    পর্তুগাল
    ০
    স্পেন
    ০
    ০৭ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    যুক্তরাষ্ট্র
    ০
    বেলজিয়াম
    ০
    ০৭ জুলাই ২০২৬
    রাত ১০:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    মিসর
    ০
    ০৮ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    কলম্বিয়া
    ০
    advertisement
    advertisement
    নতুন পে স্কেলে নতুন নিয়মে ইনক্রিমেন্ট

    নতুন পে স্কেলে নতুন নিয়মে ইনক্রিমেন্ট

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১০

    ‘এক লাখ টাকার জন্য চোখের সামনে আমার বাবাডারে মারছে’

    ‘এক লাখ টাকার জন্য চোখের সামনে আমার বাবাডারে মারছে’

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০০:১৫

    হলান্ড বিস্ফোরণে হলুদ কান্না

    হলান্ড বিস্ফোরণে হলুদ কান্না

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:০৪

    ৬ লাখ তালবীজ বপন করেছেন চিত্তরঞ্জন

    ৬ লাখ তালবীজ বপন করেছেন চিত্তরঞ্জন

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭

    ব্রাজিল বারবার আটকায় সোনালি প্রজন্মে

    ব্রাজিল বারবার আটকায় সোনালি প্রজন্মে

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০০:১৪

    রপ্তানিতে নগদ সহায়তা আরও ছয় মাস একই থাকছে

    রপ্তানিতে নগদ সহায়তা আরও ছয় মাস একই থাকছে

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৮ রোহিঙ্গার মৃত্যু

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৮ রোহিঙ্গার মৃত্যু

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩

    ক্যারিয়ারে কতগুলো পেনাল্টি মিস করেছেন গিমারেস?

    ক্যারিয়ারে কতগুলো পেনাল্টি মিস করেছেন গিমারেস?

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩

    আনচেলত্তির চাকরি থাকছে তো?

    আনচেলত্তির চাকরি থাকছে তো?

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৪২

    গাধা কোথাকার, আমার সাথে এসব করিস না

    গাধা কোথাকার, আমার সাথে এসব করিস না

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫

    বুক চাপড়ে কাঁদছে ইরান

    বুক চাপড়ে কাঁদছে ইরান

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫

    সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৪

    বন্ধ কারখানা খুলতে বেসরকারি খাতকে  ১০ হাজার একর জমি

    বন্ধ কারখানা খুলতে বেসরকারি খাতকে ১০ হাজার একর জমি

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১০

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৬ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৬ জুলাই)

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯

    ঢাকায় ঝড়ের আভাস, কেমন থাকবে তাপমাত্রা?

    ঢাকায় ঝড়ের আভাস, কেমন থাকবে তাপমাত্রা?

    ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫

    advertiseadvertise