Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
জলবায়ুকর্মী অপু বিদেশের মঞ্চে
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

শ্রীলঙ্কার প্রস্তাবিত সন্ত্রাসবিরোধী আইন নিয়ে উদ্বেগ, কেমন হওয়া উচিত

উদিথ লোকুবান্দারা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১৫:১৮
শেয়ার করুন:
শ্রীলঙ্কার প্রস্তাবিত সন্ত্রাসবিরোধী আইন নিয়ে উদ্বেগ, কেমন হওয়া উচিত

শ্রীলঙ্কার সাবেক সংসদ সদস্য উদিথ লোকুবান্দারা

শ্রীলঙ্কায় প্রস্তাবিত ‘সন্ত্রাসবাদ থেকে রাষ্ট্রকে সুরক্ষা আইন’ (পিএসটিএ) আমাদের জাতীয় আলোচনায় আবারও এক মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে। নাগরিকদের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে কীভাবে আমরা দেশকে সন্ত্রাসবাদ থেকে রক্ষা করব?

প্রায় তিন দশক ধরে সশস্ত্র সংঘাতের ভয়াবহতা সহ্য করা একটি দেশের কাছে এ প্রশ্ন নিছক তাত্ত্বিক বিতর্ক নয়। সন্ত্রাসবাদের বিধ্বংসী পরিণতি শ্রীলঙ্কা প্রত্যক্ষ করেছে। জাতীয় সংকটের মুহূর্তে রাষ্ট্রের ওপর কী ধরনের দায়িত্ব বর্তায়, তা-ও আমাদের অজানা নয়। দীর্ঘ সংঘাতের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পথ কতটা কঠিন, সেই অভিজ্ঞতাও আমাদের রয়েছে।

তাই ১৯৭৯ সালের সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ আইন (পিটিএ) বাতিল করে তার পরিবর্তে প্রস্তাবিত নতুন পিএসটিএ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। কয়েক দশক ধরে সমালোচিত একটি আইন প্রতিস্থাপনের মধ্য দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসনকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে গিয়ে নতুন আইনেও যদি পুরনো উদ্বেগগুলোর অনেকটাই থেকে যায়, তবে তা হবে দুর্ভাগ্যজনক।

শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি প্রস্তাবিত পিএসটিএর বর্তমান রূপের বিরোধিতা করেছে। এর অর্থ এই নয় যে, দলটি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করছে। বরং আমাদের অবস্থান হলো, রাষ্ট্রকে যখন অসাধারণ ক্ষমতা দেওয়া হবে, তখন সেই ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতেও সমান শক্তিশালী সুরক্ষাব্যবস্থা থাকতে হবে।

কার্যকর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োজনীয়তা

কোনো দায়িত্বশীল সরকারই জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্ব উপেক্ষা করতে পারে না। সন্ত্রাসবাদের যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শ্রীলঙ্কাকে যেতে হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আত্মঘাতী বোমা হামলা, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ, অবকাঠামো ধ্বংস এবং বিপুল অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষয়ক্ষতি।

প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে ২০০৯ সালের মে মাসে এলটিটিইর সামরিক পরাজয়ের মধ্য দিয়ে সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদ থেকে দেশকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্বও শেষ হয়ে গেছে।

আধুনিক নিরাপত্তাঝুঁকি এখন আর প্রচলিত সশস্ত্র সংগঠনের কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ নেই। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক, অনলাইনে উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধকরণ এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার নিরাপত্তাব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এসব মোকাবিলায় প্রয়োজন কার্যকর গোয়েন্দা সক্ষমতা, পেশাদার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং উপযুক্ত আইনি কাঠামো।

সুতরাং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। আসল প্রশ্ন হলো, প্রস্তাবিত পিএসটিএ কি রাষ্ট্রের বৈধ ক্ষমতা এবং প্রত্যেক নাগরিকের প্রাপ্য সাংবিধানিক সুরক্ষার মধ্যে যথাযথ ভারসাম্য নিশ্চিত করতে পারছে?

জাতীয় নিরাপত্তা আইন এমন শক্তিশালী হতে হবে, যাতে তা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করতে পারে। একই সঙ্গে তার ক্ষমতার সীমাও এমনভাবে নির্ধারিত হতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের অপব্যবহার ঠেকানো যায়। এই দুটি উদ্দেশ্য পরস্পরবিরোধী নয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

প্রস্তাবিত পিএসটিএ নিয়ে উদ্বেগ কেন

প্রস্তাবিত আইনটি নিয়ে আইনজীবী সমাজ, নাগরিক সংগঠন ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁদের উদ্বেগের অন্যতম প্রধান বিষয় সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা।সন্ত্রাসবাদের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আইনি সংজ্ঞা অবশ্যই স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট হতে হবে। প্রকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বৈধ রাজনৈতিক মতপ্রকাশ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম এবং আইনসম্মত ভিন্নমতের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য থাকতে হবে।সরকারের সমালোচনা করার স্বাধীনতা গণতন্ত্রের একটি মৌলিক অধিকার। জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অতিরিক্ত বিস্তৃত ব্যাখ্যার কারণে সেই অধিকার কোনোভাবেই ঝুঁকির মুখে পড়া উচিত নয়।গ্রেপ্তার ও আটক রাখার ক্ষমতা, নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এবং বিচার বিভাগের তদারকির পরিধি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রকৃত সন্ত্রাসী হুমকি তদন্ত ও প্রতিরোধ করার সক্ষমতা রাষ্ট্রের অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণের সঙ্গে যুক্ত ক্ষমতার ক্ষেত্রে কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা অপরিহার্য।বিচারিক তদারকি আইন প্রয়োগের পথে কোনো অসুবিধা নয়। বরং এটি একটি সাংবিধানিক সুরক্ষাকবচ। এর উদ্দেশ্য হলো, রাষ্ট্রের বিশেষ ক্ষমতা যেন আইনসম্মত ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপায়ে প্রয়োগ করা হয়, তা নিশ্চিত করা।শ্রীলঙ্কার আইনজীবী সমিতি এবং আইনসংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষ প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে আটকসংক্রান্ত সুরক্ষাব্যবস্থা এবং খসড়া তৈরির বিভিন্ন পর্যায়ে আনা পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব প্রশ্ন গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।মৌলিক অধিকারের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে এমন আইন অর্থবহ আলোচনা, স্বচ্ছতা এবং সংসদীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ছাড়া এগিয়ে নেওয়া উচিত নয়। লক্ষ্য হতে হবে এমন একটি আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা, যা দেশকে সুরক্ষা দেবে এবং একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখবে।প্রস্তাবিত পিএসটিএর বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির অবস্থান নিয়ে দলের অতীত ভূমিকাসংক্রান্ত কিছু প্রশ্নও উঠেছে। কারণ, শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারসহ বিভিন্ন সরকারের আমলে পিটিএ কার্যকর ছিল। গৃহযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এলটিটিইর বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার অভিযানের সময়ও আইনটি রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর অংশ ছিল।এই ঐতিহাসিক বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না। তা অস্বীকার করাও উচিত নয়। তবে অতীতে কোন পরিস্থিতিতে একটি আইন প্রয়োগ করা হয়েছিল, আর বর্তমানে সেই আইনের বিধানগুলো কতটা উপযুক্ত, এ দুটি প্রশ্নকে আলাদাভাবে দেখতে হবে।১৯৭৯ সালে পিটিএ প্রবর্তিত হয়েছিল এমন এক সময়ে, যখন শ্রীলঙ্কা ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাসংকটের মুখোমুখি হচ্ছিল। পরবর্তী কয়েক দশকে আইনটির প্রয়োগ গুরুতর সমালোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি আটক, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থার অভাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এসব সমালোচনা স্বীকার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অতীতে যেসব সরকার এই আইনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে, তাদের ভূমিকাও পর্যালোচনা করা উচিত।শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে সরকারের দায়িত্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা যেমন বুঝি, তেমনি রাষ্ট্রের অসাধারণ ক্ষমতা প্রয়োগের সঙ্গে জড়িত দায়িত্বও উপলব্ধি করি।শান্তিপ্রক্রিয়ার অনিশ্চিত সময়ে আমি আমার বাবা, প্রয়াত ডব্লিউ জে এম লোকুবান্দারার সমন্বয়কারী সচিব হিসেবে কাজ করেছি। তিনি বিচার ও জাতীয় সংহতিবিষয়ক মন্ত্রী এবং সংসদে সরকারি পক্ষের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে রাজনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টার ভারসাম্য রক্ষা করা কতটা জটিল, তা কাছ থেকে দেখেছি। পরবর্তী সময়ে তিনি সংসদের স্পিকার থাকাকালে দেশ সশস্ত্র সংঘাতের শেষ ও সবচেয়ে তীব্র পর্যায় অতিক্রম করে।যুদ্ধের পর সংসদ সদস্য এবং প্রতিরক্ষা ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সংসদ সদস্য হিসেবে পুনর্গঠন, পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক নাগরিক জীবন ফিরিয়ে আনার নানা চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়েছে আমার। পরে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের প্রধান কর্মী কর্মকর্তা এবং তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে সংসদবিষয়ক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থেকে নির্বাহী ক্ষমতা, সংসদ ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থার পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়ে আরও গভীর ধারণা পেয়েছি।এসব অভিজ্ঞতা একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে আরও দৃঢ় করেছে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োগের সঙ্গে জবাবদিহি সব সময় যুক্ত থাকতে হবে। ক্ষমতায় কোন রাজনৈতিক দল রয়েছে, তার ওপর এই নীতি নির্ভর করতে পারে না।কেবল অতীতের কোনো সরকার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে বলে সেই ক্ষমতাকে যাচাই-বাছাই ছাড়া সমর্থন করা রাজনৈতিকভাবে অসংগত হবে। একইভাবে যুদ্ধের সময় দেশ যে প্রকৃত নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়েছিল, তা অস্বীকার করাও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব হলো উভয় অভিজ্ঞতা থেকেই শিক্ষা নেওয়া।সুতরাং পিটিএর পরিবর্তে নতুন আইন আনতে হলে বছরের পর বছর ধরে চিহ্নিত দুর্বলতাগুলো দূর করতে হবে। শুধু আইনের নাম বদলে সেই একই দুর্বলতা নতুন আইনে বহাল রাখা চলবে না।যুদ্ধের পর শ্রীলঙ্কাকে পুনর্গঠনের অভিজ্ঞতা বর্তমান বিতর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। ২০০৯ সালে সামরিক অভিযান শেষ হলেও প্রায় তিন দশকের সংঘাতের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক পরিণতির অবসান ঘটেনি।বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত পরিবারকে পুনর্বাসনের সহায়তা দিতে হয়েছে। অবকাঠামো ও সরকারি সেবা পুনরুদ্ধার করতে হয়েছে। জীবিকা পুনর্গঠন এবং স্বাভাবিক নাগরিক জীবনে ফিরে আসতে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করতে হয়েছে। উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ভৌত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাও ছিল সমান গুরুত্বপূর্ণ।সংঘাত-পরবর্তী একটি সমাজের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা শুধু সশস্ত্র সহিংসতার অনুপস্থিতির ওপর নির্ভর করে না। নাগরিকদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্কও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ভান্নি অঞ্চলের ক্ষেত্রে বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কারণ, সেখানকার জনগোষ্ঠী সংঘাতের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতিগুলোর কয়েকটির মুখোমুখি হয়েছে।বর্তমানে ভান্নি অঞ্চলে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির জেলা নেতা হিসেবে আমি মনে করি, জাতীয় নিরাপত্তা আইন নিয়ে আলোচনায় এসব মানুষের অভিজ্ঞতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে। সংঘাতের মধ্য দিয়ে জীবন কাটানো জনগোষ্ঠী নিরাপত্তার গুরুত্ব বোঝে। একই সঙ্গে তারা দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, বাস্তুচ্যুতি এবং নাগরিক জীবনের ওপর বিধিনিষেধের পরিণতিও জানে।তাই একটি টেকসই জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোতে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধের পাশাপাশি জনগণের আস্থা সুরক্ষার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। কোনো আইন যদি মানুষের কাছে খেয়ালখুশিমতো প্রয়োগযোগ্য কিংবা অতিরিক্ত বিস্তৃত বলে প্রতীয়মান হয়, তবে তা স্থায়ী শান্তির জন্য অপরিহার্য আস্থাকেই দুর্বল করে দিতে পারে।জাতীয় নিরাপত্তার চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে নাগরিকেরা আইন প্রয়োগের ভয়ে আতঙ্কিত না হয়ে বরং আইনের সুরক্ষায় নিজেদের নিরাপদ মনে করবেন।সংসদের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হলো, আইন যেন সংবিধান ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে, তা নিশ্চিত করা। সন্ত্রাসবিরোধী আইন এ ক্ষেত্রে বিশেষ সংবেদনশীল। কারণ, এ ধরনের আইন ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে এমন ক্ষমতা প্রয়োগের অনুমতি দেয়।তাই অপরাধের সংজ্ঞা, গ্রেপ্তারের ভিত্তি, আটক রাখার পদ্ধতি, আইনজীবীর সহায়তা পাওয়ার সুযোগ এবং বিচারিক তদারকি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করতে হবে। বর্তমান সরকার আইনটি কীভাবে প্রয়োগ করতে চায়, সে বিষয়ে দেওয়া আশ্বাসের ওপরই নাগরিকের সুরক্ষা পুরোপুরি নির্ভর করতে পারে না।সরকার বদলায়। রাজনৈতিক অগ্রাধিকার বদলায়। একই আইন ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন প্রশাসন প্রয়োগ করতে পারে। তাই একটি আইনের শক্তি বিচার করতে হবে তার বিধানগুলোর মধ্যে কতটা কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে, তার ভিত্তিতে। আইন প্রণয়নকারীদের ঘোষিত সদিচ্ছাই সেই বিচারের একমাত্র মানদণ্ড হতে পারে না।দায়িত্বশীল আইন প্রণয়নপ্রক্রিয়ায় আরও একটি বিষয় বিবেচনা করা উচিত। রাষ্ট্রকে নতুন করে অসাধারণ ক্ষমতা দেওয়ার আগে বিদ্যমান ফৌজদারি আইন, তদন্তপদ্ধতি এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। নতুন ক্ষমতা সত্যিই প্রয়োজন হলে তার যৌক্তিকতা স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট হুমকির মাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং কার্যকর স্বাধীন তদারকির আওতায় থাকতে হবে।এ ধরনের উদ্যোগ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কাও কমাবে।প্রস্তাবিত পিএসটিএর প্রভাব শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এসব অংশীদার গণতান্ত্রিক শাসন, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।সন্ত্রাসবিরোধী আইনসংশ্লিষ্ট বিধানসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদগুলোর অধীনে আমাদের অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস কাঠামো এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে আন্তর্জাতিক সনদ মেনে চলার বিষয়টি শ্রীলঙ্কার বৃহত্তর অর্থনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।তবে আমাদের আইন সংস্কারকে শুধু বাইরের প্রত্যাশা পূরণের উদ্যোগ হিসেবে দেখা উচিত নয়। যেকোনো সরকারের প্রথম দায়িত্ব নিজের দেশের নাগরিকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আইনবিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উত্থাপিত যৌক্তিক উদ্বেগ গঠনমূলকভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির পররাষ্ট্রবিষয়ক সমন্বয়ক হিসেবে আমি মনে করি, আমাদের দেশকে দেখাতে হবে যে কার্যকর জাতীয় নিরাপত্তা আইন ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি একসঙ্গে বজায় রাখা সম্ভব। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং যুদ্ধোত্তর পুনরুদ্ধারে আমাদের অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিরাপত্তা, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।প্রস্তাবিত পিএসটিএ ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক গঠনমূলক আইন প্রণয়নসংক্রান্ত আলোচনার একটি সুযোগ এনে দিয়েছে। সমালোচনাকে রাজনৈতিক বাধা হিসেবে দেখার পরিবর্তে সরকারের স্বীকার করা উচিত, আইনজীবী সমাজ ও নাগরিক সংগঠনগুলোর উত্থাপিত উদ্বেগ প্রস্তাবিত আইনি কাঠামোকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় বিতর্কিত বিধানগুলো যথাযথভাবে পরীক্ষা করার পর্যাপ্ত সুযোগ থাকতে হবে। বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা, আটক রাখার ক্ষমতা, নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা এবং বিচারিক তদারকির বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি।এই আলোচনায় সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান এবং অতীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগে প্রভাবিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংসদকেও স্বাধীনভাবে এবং পূর্ণাঙ্গভাবে আইন প্রণয়নের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে।যেকোনো মূল্যে একটি আইন পাস করানো লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। লক্ষ্য হতে হবে এমন একটি আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা, যা কার্যকর, সাংবিধানিকভাবে যথাযথ এবং জনগণের ব্যাপক আস্থা অর্জনে সক্ষম।প্রস্তাবিত পিএসটিএর বর্তমান রূপের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির অবস্থানকে এই প্রেক্ষাপটেই বুঝতে হবে। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আইনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেও মৌলিক অধিকারের পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হতে পারে এমন বিধানের বিরোধিতা করা সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে, দায়িত্বশীল গণতান্ত্রিক বিতর্কের জন্য এই পার্থক্য অনুধাবন করা অপরিহার্য।শ্রীলঙ্কার ইতিহাস রাষ্ট্রের বিশেষ নিরাপত্তা ক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা এবং তার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। দেশটি সন্ত্রাসবাদের বিধ্বংসী পরিণতি প্রত্যক্ষ করেছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনার জটিলতা দেখেছে। যুদ্ধকালীন শাসনব্যবস্থার কঠিন চাহিদার মুখোমুখি হয়েছে। আবার যুদ্ধের পর দেশ পুনর্গঠনের বহুমুখী দায়িত্বও পালন করেছে।আজ আমরা যে আইন প্রণয়ন করছি, সেই সিদ্ধান্তে অতীতের এসব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকা উচিত। সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব। কিন্তু নিরাপত্তা আইন কতটা কার্যকর, তা শুধু কর্তৃপক্ষকে কত বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেই মাপকাঠিতে বিচার করা যায় না।আইনের বিধান কতটা স্পষ্ট, ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতে কতটা কার্যকর সুরক্ষা রয়েছে এবং আইনটি নাগরিকদের মধ্যে কতটা আস্থা তৈরি করতে পারছে, সেই বিবেচনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই পিএসটিএ নিয়ে বিতর্ককে দলীয় মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে নিয়ে যেতে হবে। আলোচনার কেন্দ্রে রাখতে হবে আইনটির প্রকৃত মান ও কার্যকারিতা।সরকারের সামনে এখন উত্থাপিত উদ্বেগগুলো দূর করার সুযোগ রয়েছে। পিটিএ প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ যে শ্রীলঙ্কার আইনি ও সাংবিধানিক কাঠামোয় প্রকৃত অগ্রগতি আনতে পারে, তা প্রমাণ করারও সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে।জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে শ্রীলঙ্কা বাধ্য নয়। একটি আধুনিক সন্ত্রাসবিরোধী আইনি কাঠামোকে প্রকৃত হুমকি থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে।আইনজীবী, সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষগুলোর উত্থাপিত উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত পিএসটিএ পুনর্বিবেচনা করা উচিত। পিটিএর পরিবর্তে যে আইনই আনা হোক, সেটিকে অবশ্যই আগের আইনের তুলনায় অর্থবহ উন্নতি নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে বিচারিক তদারকি, ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার খেয়ালখুশিমতো প্রয়োগের বিরুদ্ধে সুরক্ষার ক্ষেত্রে তা স্পষ্ট হতে হবে।প্রস্তাবিত আইনটির বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির অবস্থান এই বিশ্বাসেরই প্রতিফলন যে, রাষ্ট্রকে অসাধারণ ক্ষমতা দেওয়ার আগে এসব উদ্বেগের সমাধান করা জরুরি।আমাদের ইতিহাস সন্ত্রাসবাদের পরিণতি দেখিয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের পর জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার, পুনর্মিলন প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কঠিন চ্যালেঞ্জও সামনে এনেছে। আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই দুটি অভিজ্ঞতাই পথনির্দেশক হওয়া উচিত।জাতীয় নিরাপত্তা কেবল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষিত রাখার বিষয় নয়। এর চূড়ান্ত উদ্দেশ্য মানুষকে রক্ষা করা। তাদের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখা। আর সেই গণতান্ত্রিক নীতিগুলো অক্ষুণ্ণ রাখা, যেগুলোর ওপর রাষ্ট্রের বৈধতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত।শ্রীলঙ্কা ভবিষ্যতে যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনই প্রণয়ন করুক না কেন, এই নীতিই হতে হবে তার মূল পথনির্দেশ।

লেখক: শ্রীলঙ্কার সাবেক সংসদ সদস্য ও শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির পররাষ্ট্রবিষয়ক সমন্বয়ক

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    চীনা যুদ্ধবিমান আসছে আগামী বছরই

    চীনা যুদ্ধবিমান আসছে আগামী বছরই

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    মধ্যরাতে হোম ইকোনমিকস কলেজের অধ্যক্ষকে উদ্ধার, ছাত্রীকে চুল ধরে টেনে নামানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    মধ্যরাতে হোম ইকোনমিকস কলেজের অধ্যক্ষকে উদ্ধার, ছাত্রীকে চুল ধরে টেনে নামানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি















    পিটিএ এবং রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার প্রশ্ন




















    যুদ্ধোত্তর শ্রীলঙ্কা থেকে শিক্ষা














    জাতীয় নিরাপত্তায় সাংবিধানিক সুরক্ষাকবচ অপরিহার্য












    শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক দায়িত্ব










    সরকার ও সংসদের দায়িত্ব












    অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সময়