Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রতিবন্ধীদের সেবায় কাজল
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

কাগজের স্কুল!

agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৪৩
কাগজের স্কুল!

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বরাবর

সিনিয়র সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

সালাম নেবেন। আমি একজন অভিভাবক। আমার সন্তান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। ভাবছিলাম, তাকে একটি ভালো বিদ্যালয়ে ভর্তি করাব। রংপুরের কাউনিয়ার শহীদবাগ বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। শুনেছিলাম, ১৩০ জন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়টিতে পড়ছে, কাগজপত্রেও তাই আছে। কাগজপত্রে জমজমাট ভাব দেখে সশরীরে হাজির হলাম দেখতে। দেখলাম— রাস্তার পাশে একটি জীর্ণ টিনের ঘরে ঝুলছে বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ, কিংবা প্রশিক্ষণসামগ্রীর ব্যবস্থা চোখে পড়ল না। তখন আমার মনে প্রশ্ন এলো— বিদ্যালয়ে পড়তে কি শিশুকে আসতে হবে, নাকি শুধু নাম-ঠিকানা দিলেই চলবে?

কারণ, ১৩০ জন শিক্ষার্থী যদি নথিপত্রে পড়াশোনা করতে পারে, তাহলে আমার সন্তানকে সশরীরে স্কুলে পাঠিয়ে ঝুঁকি নেওয়ার কী দরকার? কাগজে ভর্তি করে দিলেই তো হলো। সে বাড়িতে থাকবে, আর কাগজে স্কুল করবে। শিক্ষার আধুনিক ব্যবস্থার এটিও একটি মডেল হতে পারে।

পত্রিকায় পড়লাম স্থানীয় কয়েকজন বললেন, প্রশাসনিক পরিদর্শনের আগে আশপাশের এলাকা থেকে সাধারণ শিশু এনে শ্রেণিকক্ষে বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল একবার! অভিযোগটি সত্য হলে এটিকে আমি নিছক অনিয়ম বলতে চাই না; এটিকে ‘পরিদর্শনবান্ধব’ স্কুলের মডেল বলতে চাই। বাকি স্কুলগুলোও যদি এই মডেল অনুসরণ করে, তাহলে তো ল্যাঠা চুকে যাবে।

সন্তানকে এমন বিদ্যালয়ে দিতে চাই না, যেখানে বাস্তবের উপস্থিতির চেয়ে কাগজের উপস্থিতি জরুরি

তা ছাড়া বিভিন্ন পদে নিয়োগের নামে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। যদি এসব অভিযোগ সত্য না হয়, তাহলে ভালো। আর যদি সত্য হয়, তাহলে এই স্কুল থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিদ্যালয়ের নাম না বদলে বিশেষ চাকরির বাজার নামকরণ করুন। অযথা শিশুদের নাম জড়িয়ে লুকোচুরির কী দরকার; মানুষ এগুলো ভালো করেই বোঝে। চাকরির বাজারও খারাপ, তাই িবশেষ সমালোচনা হবে বলে মনে হয় না।

আরেকটা মজার ব্যাপার আপনাকে জানাই। স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হলেন আব্দুল হাই। আর প্রধান শিক্ষক হিসেবে আছেন তার স্ত্রী শেফালি খাতুন! পারিবারিক ব্যাপারস্যাপার আরকি। সার্বিক অভিযোগের তীরও এই দম্পতির দিকেই।

যাই হোক, মূল কথায় আসি। আমার সন্তানকে এমন বিদ্যালয়ে দিতে চাই না, যেখানে বাস্তবের উপস্থিতির চেয়ে কাগজের উপস্থিতি জরুরি। আমার সন্তানকে জীবনে টিকে থাকার শিক্ষা দিতে চাই। কাগজের উপস্থিতি নয়। আমার মতো শত অভিভাবকও তা-ই চান। ব্যবস্থা নেবেন, এই আশায় থাকলাম।

 

ইতি

একজন অভিভাবক

 

কাগজসিনিয়র সচিববুদ্ধিপ্রতিবন্ধীঅটিস্টিকআগামীর চোখ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিএনপি নেতাদের সালিশ, পরদিন নারীর আত্মহত্যা

    প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিএনপি নেতাদের সালিশ, পরদিন নারীর আত্মহত্যা

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    কথাকারের মোড়কে আদতে এক ক্ষ্যাপা কবি

    কথাকারের মোড়কে আদতে এক ক্ষ্যাপা কবি

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে

    ভিডিও করেন পাকিস্তানি, ছড়িয়ে দেওয়া ভারতীয় যুবকও সৌদি কারাগারে

    ভিডিও করেন পাকিস্তানি, ছড়িয়ে দেওয়া ভারতীয় যুবকও সৌদি কারাগারে

    অটোরিকশা নিয়ে পালাচ্ছে চোর, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর পিটুনিতে নিহত ২

    অটোরিকশা নিয়ে পালাচ্ছে চোর, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর পিটুনিতে নিহত ২

    প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে আলোচনায় মাতারবাড়ী বিজনেস হাব

    প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে আলোচনায় মাতারবাড়ী বিজনেস হাব

    জন্মদিনে সুখবর দিলেন পরীমনি

    জন্মদিনে সুখবর দিলেন পরীমনি

    ২৪ বছরেও বেতন নেই, শিক্ষক হামিদ বিক্রি করেন কাঁঠালপাতা

    ২৪ বছরেও বেতন নেই, শিক্ষক হামিদ বিক্রি করেন কাঁঠালপাতা