Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

আট বছরের নিঃসঙ্গতা

agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০০:১২
আট বছরের নিঃসঙ্গতা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়


স্বাস্থ্যমন্ত্রী,

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তালগাছ’ কবিতাটি নিশ্চয়ই পড়েছেন। কবি লিখেছেন, ‘তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে/ সব গাছ ছাড়িয়ে/ উঁকি মারে আকাশে।’ আমি মেহেরপুর নার্সিং কলেজ। কবিতার তালগাছের মতো আমি এক পায়ে দাঁড়িয়ে নেই। অনেক পিলারে ভর দিয়ে আমি দাঁড়িয়ে আছি। আমাকে দাঁড় করাতে ঠিকাদাির প্রতিষ্ঠানের সময় লেগেছে আট বছর! অথচ এমন কোনো উঁচু বা জটিল অবকাঠামো আমি ছিলাম না। অতিসাধারণ নকশার একটা সরকারি ভবনের মতো আমি। থাক সে কথা। কোনোরকমে দাঁড়িয়ে তো গেছি! এটা কম কীসে? আমার সমগোত্রীয় অনেকে তো এখনো ইট-বালু আর সিমেন্টের ভেতর অপেক্ষা করছে। অনেকের ভাগ্য আবার ওদের চেয়েও মন্দ। জন্মসনদ মানে নির্মাণের অনুমতিপত্র পেলেও নির্মাণসামগ্রী হিসেবে পৃথিবীর আলো দেখেনি। তালগাছের মতো আকাশ দেখা তো দূর কি বাত!

এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আমি বোর হয়ে গেছি। এভাবে একা থাকা যায় নাকি! আমাকে উদ্ধার করুন

এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আমি বোর হয়ে গেছি। এভাবে একা থাকা যায় নাকি! আমাকে উদ্ধার করুন। আমি চাই শত শত শিক্ষার্থী আসুক। তারা পড়বে। তাদের প্রাণোচ্ছলতা দেখলেই আমার বোরিংনেস কেটে যাবে। আমাকে নির্মাণের খবরে কম খরচে নার্সিং পড়ার আশায় বুক বেঁধেছিলেন এলাকাবাসী। দীর্ঘ সময় আমার কার্যক্রম চালু না হওয়ায় দূরদূরান্তে নার্সিং পড়তে যেতে হচ্ছে কয়েক হাজার ছেলেমেয়েকে।

তাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। দৈনিক আগামীর সময় আমাদের কষ্ট নিয়ে প্রতিবেদন ছেপেছে। সেটি পড়তে গিয়ে দেখলাম, কৃষক আব্দুর রহমান তার দুই মেয়েকে নার্সিং পড়তে পাঠিয়েছেন কুষ্টিয়া ও রাজশাহীতে। মেয়েরা দূরে থাকায় তার পরিবারের সবাই থাকেন দুশ্চিন্তায়। মোটা অঙ্কের টাকাও খরচ করতে হচ্ছে মাসে মাসে। বাকি পরিবারগুলোর পরিস্থিতিও নিশ্চয়ই একই। আমার বোরিংনেস না হয় বাদ দিন, এ মানুষগুলোর কষ্ট নিয়েই ভাবুন। আমার আর আপনার কাজ তাদের সেবা দেওয়া। সেটি কি আমরা দিতে পারছি? আমি তালগাছের মতো দাঁড়িয়ে আছি আর আপনি ‘তালে’র মতো বসে আছেন। কোটি কোটি টাকা আর সময় ব্যয়ে আমাকে তৈরি করে কী লাভ হলো যদি বসিয়েই রাখেন! এখন জটিল পরিস্থিতিতে আছি, লাভ-লসের হিসাব পরে করব, আগে আমাকে উদ্ধার করুন। আর ঠিকাদাির প্রতিষ্ঠানকে ধরে জিজ্ঞেস করুন, কেন আমাকে তৈরি করতে এত সময় নিল। কী এমন জরুরি কাজ ছিল তার? মানুষের রুটিরুজি আর চিকিৎসাসেবার চেয়ে জরুরি আর কী আছে!

ইতি

মেহেরপুর নার্সিং কলেজ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীচিঠিআগামীর চোখমেহেরপুর নার্সিং কলেজ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise