Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
বঞ্চনা থেকে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

সংসদ সদস্যের অনৈতিক কাণ্ড ও রাজনৈতিক নৈতিকতা

শাহ্‌দীন মালিক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪০
সংসদ সদস্যের অনৈতিক কাণ্ড ও রাজনৈতিক নৈতিকতা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গাজী নজরুল ইসলাম মূলত জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য হলেও দলীয় শৃঙ্খলা ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের কথা নির্বাচন কমিশন ও স্পিকারকে জানানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে— দল থেকে বহিষ্কৃত হলে তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদ থাকবে কি না।

আমাদের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যপদ বাতিলের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে দুটি কারণের কথা স্পষ্ট বলা হয়েছে— প্রথমত, কোনো সংসদ সদস্য যদি তার নিজ দল থেকে স্ব-ইচ্ছায় পদত্যাগ করেন; এবং দ্বিতীয়ত, তিনি যদি সংসদে তার দলের বা নির্দেশের বিরুদ্ধে ভোট দেন। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদে দল কর্তৃক বহিষ্কারের ফলে এমপি পদ যাবে কি না—সে বিষয়ে কোনো বিধান রাখা হয়নি। অর্থাৎ, কোনো রাজনৈতিক দল তাদের সদস্যকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায় না।

রাজনৈতিক ও আইনি ইতিহাসে এর একটি বড় দৃষ্টান্ত হলো ২০১৪-১৫ সালের লতিফ সিদ্দিকীর ঘটনা। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিউ ইয়র্কে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ এবং আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও তার সংসদ সদস্যপদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়নি। দল থেকে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে তার পদ বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হলেও তিনি দীর্ঘদিন এমপি হিসেবে বহাল ছিলেন এবং আইনি লড়াই চালিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেই সংসদে উপস্থিত হয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার পর তার সদস্যপদ শূন্য হয়। এতেই স্পষ্ট বোঝা যায়, কেবল দল থেকে বহিষ্কার করলেই কোনো এমপির পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যায় না।

সংবিধান অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য সংসদে দেওয়া কোনো বক্তব্যের জন্য বাইরের কোনো আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন না। যদি সাংসদদের বক্তব্যের জন্য প্রতিদিন আদালতে টেনে তোলা হতো, তবে সংসদ অচল হয়ে পড়ত

এই বিধানটি সংবিধানে না রাখার পেছনে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কারণ রয়েছে। যদি দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্যপদ চলে যেত, তবে সংসদ সদস্যদের ওপর দলীয় প্রধানের নিয়ন্ত্রণ তৈরি হতো। একজন সংসদ সদস্য লাখ লাখ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে সংসদে আসেন। যদি বহিষ্কারের ভয়ে এমপি পদ হারানোর সুযোগ থাকত, তবে যেকোনো সংসদ সদস্যকে সার্বক্ষণিক দলীয় প্রধানের মন জুগিয়ে রাজনীতি করতে হতো। দলীয় প্রধান অসন্তুষ্ট হয়ে বহিষ্কার করলেই প্রতিনিধি পদ শূন্য হয়ে গেলে জনগণের আমানতের ওপর আঘাত আসত। সম্ভবত এই ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার খাতিরেই সংবিধানে দলীয় বহিষ্কারের কারণে সদস্যপদ বাতিলের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

তবে নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না— তা নিয়ে সমাজে আলোচনা রয়েছে। একজন সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ার মাধ্যমে সংবিধান ও নৈতিকতার দায়ভার গ্রহণ করেন। কিন্তু আইনের চোখে বিয়ের বাইরে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে কোনো শারীরিক সম্পর্ক সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ নয়। কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি জোরজলুম (ধর্ষণ) কিংবা অসৎ উদ্দেশ্যে প্রলোভনের অভিযোগ থাকে, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ। কিন্তু এই অপরাধের ক্ষেত্রে প্রাথমিক আইনি শর্ত হলো— ভিকটিম বা সংশ্লিষ্ট নারীকেই পুলিশের কাছে গিয়ে সশরীরে অভিযোগ দায়ের করতে হবে। কোনো তৃতীয় ব্যক্তি বা স্বজন যদি দূর থেকে অভিযোগ করেন, তবে আইনি প্রক্রিয়ায় তা গ্রহণযোগ্য হয় না। এটি একেবারেই মৌলিক আইনি নীতি। যদি আক্রান্ত ব্যক্তি নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ না করেন, তবে কেবল ভিডিও প্রকাশ বা গুঞ্জনের ভিত্তিতে সরাসরি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা দুরূহ।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে আমরা নৈতিকতার জবাবদিহির বিষয়টি দেখতে পাই। যেমন— যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের শাসনকালে তার অধীন একজন নারী কর্মীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনা ফাঁসের পর তাকে তীব্র নৈতিক জবাবদিহি ও ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। আবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও একজন নারীকে অর্থ প্রদানের ঘটনায় আইনি লড়াই দেখা গেছে। তবে ট্রাম্পের বিষয়টি ফৌজদারি নয়, বরং দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলা ছিল।

আসলে এসব ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বে নীতি-নৈতিকতার মানদণ্ড আমাদের চেয়ে অনেক উঁচুতে। আমাদের সমাজে প্রতিটি অনৈতিক ঘটনাতেই সবকিছুর উত্তর কেবল কঠোর শাস্তিতে খোঁজার প্রবণতা কাজ করে। প্রায় তিনশ বছর আগে ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কিও বলে গেছেন, যে সমাজ যত অসভ্য বা বর্বর, সেই সমাজ শাস্তির মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান খোঁজে। আমাদের বিচার বিভাগে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কারাগারে রয়েছে। তবে আমাদের আইনি সংস্কৃতিতে কোনো মানহানি বা ব্যক্তি অবমাননার ক্ষেত্রে দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ বা সিভিল কেসের চর্চা নেই বললেই চলে। আইনজীবীরা এসব ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মামলা না করে দ্রুত ফৌজদারি ধারায় শাস্তির দিকে হাঁটেন, অথচ উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে দেওয়ানি মামলার মাধ্যমেই বড় বড় ক্ষতিপূরণ আদায়ে সমাধান করা হয়।

রাজনীতিতে এ ধরনের অনৈতিক ঘটনা শুধু একক কোনো দলের নয়, এটি একটি ধারাবাহিক সংস্কৃতির রূপ নিয়েছে। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের আপত্তিকর কল রেকর্ড ফাঁসের পর দেশ জুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল এবং তাকে মন্ত্রিসভার পদ ছাড়তে হয়েছিল। আবার বর্তমান সংসদেও আমরা দেখতে পাই যে বিভিন্ন সংসদ সদস্য, যেমন— রুমিন ফারহানা যখন জামায়াতের সংসদ সদস্য বা বক্তাদের দ্বারা সংসদে বডি শেমিং ও অবমাননাকর মন্তব্যের শিকার হন, তখন তিনি সরাসরি স্পিকারের কাছে প্রতিকার চান। এ ছাড়া বিশিষ্ট বক্তা বা সংসদ সদস্য আমীর হামজার মতো ব্যক্তিরা যখন জনপরিসরে কথা বলেন, তখন তাদের বক্তব্যের ভাষা বা ভাবাবেগ নিয়েও সমাজে নানা বিতর্ক তৈরি হয়।

এই যে নারীদের প্রতি অবমাননাকর বা অশালীন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হচ্ছে, তার মূলে রয়েছে কিছু মানুষের মানসিকতা— যারা নারীকে একজন স্বাধীন ও সমান অধিকারপ্রাপ্ত মানুষ হিসেবে না দেখে কেবল ভোগের পণ্য বা অবমূল্যায়নের পাত্রী মনে করেন। এ ছাড়া এই সংকটের রূপটি শুধু ধর্মভিত্তিক কোনো নির্দিষ্ট দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মুক্তচিন্তা বা লিবারেল দাবিদার দলগুলোর মধ্যেও একই ধরনের স্খলন দেখতে পাওয়া যায়। এটি কোনো নির্দিষ্ট দলের একচেটিয়া বিষয় নয়, বরং ব্যক্তির মানসিকতা ও রাজনীতির সামগ্রিক অবক্ষয়ের ফল।

এর পাশাপাশি আমাদের সংসদীয় ব্যবস্থার বড় একটি দুর্বলতা হলো আইনসভার গুণগত গঠন। বর্তমান ও অতীতের বহু সংসদে নজর দিলে দেখা যায়, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সংসদ সদস্যই ব্যবসায়ী সমাজ থেকে আগত। ব্যবসায়ীরা নিজ পেশায় নিশ্চিতভাবেই দক্ষ, কিন্তু আইন প্রণয়ন কিংবা সরকারকে সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে কড়া জবাবদিহির মুখোমুখি করার মতো আইনি জ্ঞান বা মানসিক প্রস্তুতি তাদের থাকে না। কারণ, বহু ব্যবসায়ী সংসদ সদস্যের নিজস্ব ব্যবসা বা ঠিকাদারি কাজ সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সচিবদের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ফলে তারা যদি সংসদীয় কমিটিতে সরকারি আমলাদের ধরেন, তবে মনে মনে ভয় কাজ করে যে পরবর্তীকালে তাদের ব্যবসার কন্টাক্ট বা লাইসেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই স্বার্থের সংঘাতের কারণে সংসদ কার্যকর জবাবদিহি তৈরি করতে ব্যাহত হয়।

সংসদের ভেতরে ও বাইরে অশালীন মন্তব্য বা নারীর অবমাননা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে একটি বড় আইনি বাধা হলো সংসদীয় বিশেষাধিকার। সংবিধান অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য সংসদে দেওয়া কোনো বক্তব্যের জন্য বাইরের কোনো আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন না। যদি সাংসদদের বক্তব্যের জন্য প্রতিদিন আদালতে টেনে তোলা হতো, তবে সংসদ অচল হয়ে পড়ত। এই জটিলতা এড়াতে সংসদেই স্পিকারের অধীনে নিজস্ব নৈতিক আচরণবিধি ও কোনো নারী অবমাননার অভিযোগ সুরাহার জন্য বিশেষ অভ্যন্তরীণ সেল গঠন করা প্রয়োজন।

আমাদের দেশের গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গত অর্ধশতকের ইতিহাসে সামরিক শাসন, কুশাসন ও বিতর্কিত নির্বাচনের জটিল পথ অতিক্রম করেই বাংলাদেশ আজ একটি গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে দৃষ্টিভঙ্গি ও বক্তব্য উপস্থাপন করছেন, সেখানে প্রতিশোধমূলক রাজনীতির পরিহার ও মার্জিত ভাষার প্রয়োগ প্রতিফলিত হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক বক্তব্যের তুলনায় বর্তমান নেতৃত্বের চালচিত্রে একধরনের শালীনতা ও গণতান্ত্রিক শ্রদ্ধাবোধের ধারা দৃশ্যমান হচ্ছে। এই ইতিবাচক পরিবর্তন ও সুস্থ ধারার চর্চা বজায় রাখতে পারলে দেশের রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতার মানদণ্ড আগামীতে আরও মজবুত হবে।

লেখক: সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ

সংসদ সদস্যগাজী নজরুল ইসলামঅনৈতিক কাণ্ডরাজনৈতিক নৈতিকতানৈতিকতাসংবিধান
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদের মা রোকেয়া খানম মারা গেছেন

    নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদের মা রোকেয়া খানম মারা গেছেন

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০০:০৬

    আয়কর আইনের ১৪৭ ধারা উদ্বিগ্ন শীর্ষ আট বাণিজ্য সংগঠন

    আয়কর আইনের ১৪৭ ধারা উদ্বিগ্ন শীর্ষ আট বাণিজ্য সংগঠন

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০০:১৮

    এমপি মনিরুল হক চৌধুরী নারীসহ আটকের দাবিটি সত্য নয়

    এমপি মনিরুল হক চৌধুরী নারীসহ আটকের দাবিটি সত্য নয়

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০০:৩৫

    মোহন রায়হানের ‘জুলাই এখন’ কবিতায় কী আছে, আপত্তি কেন?

    মোহন রায়হানের ‘জুলাই এখন’ কবিতায় কী আছে, আপত্তি কেন?

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২

    নিখোঁজের একদিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

    নিখোঁজের একদিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১২

    বিয়ের স্বপ্নে রচিত হলো মৃত্যুর গল্প

    বিয়ের স্বপ্নে রচিত হলো মৃত্যুর গল্প

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:০০

    অদম্য তরুণ ইকনের পাশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

    অদম্য তরুণ ইকনের পাশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২

    চোখের বদলে চোখ নেবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র চায় মাথা

    চোখের বদলে চোখ নেবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র চায় মাথা

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮

    মন্ত্রী বহাল রেখে শিক্ষা সচিব সরালো মোদি সরকার

    মন্ত্রী বহাল রেখে শিক্ষা সচিব সরালো মোদি সরকার

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২১

    বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারিতে গেলে সংকটের শঙ্কা

    বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারিতে গেলে সংকটের শঙ্কা

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৭

    আজই না আরও কিছুদিন

    আজই না আরও কিছুদিন

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১

    শুক্রবার উল্টো রথযাত্রা, উদ্বোধক দক্ষিণ সিটির প্রশাসক

    শুক্রবার উল্টো রথযাত্রা, উদ্বোধক দক্ষিণ সিটির প্রশাসক

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    সাউথইস্ট ব্যাংকের ইজিএম এবং এজিএম অনুষ্ঠিত

    সাউথইস্ট ব্যাংকের ইজিএম এবং এজিএম অনুষ্ঠিত

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৯

    বঞ্চনা থেকে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    বঞ্চনা থেকে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২

    হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে প্রিমিয়ার ব্যাংকের চুক্তি

    হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে প্রিমিয়ার ব্যাংকের চুক্তি

    ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৪

    advertiseadvertise