Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

সংলাপই স্থায়ী সমাধানের পথ

জি এম মিন্টু
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ২৩:৫৩
সংলাপই স্থায়ী সমাধানের পথ

সংগৃহীত ছবি

পরীক্ষা, মূল্যায়ন বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থীরা যখন রাস্তায় নামে, তখন বিষয়টি কেবল ‘শৃঙ্খলাভঙ্গ’ হিসেবে না দেখে এর পেছনের কারণগুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা জরুরি।

তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের যৌক্তিক দাবি, উদ্বেগ ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া রাষ্ট্র, শিক্ষা প্রশাসন এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত দায়িত্ব। তবে একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে, দাবি আদায়ের ভাষা যেন কখনো সহিংসতা, ভাঙচুর বা জনদুর্ভোগের কারণ না হয়। শিক্ষা মানুষকে যুক্তি, শৃঙ্খলা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ শেখায়।

আমাদের দেশে প্রায়ই দেখা যায়, ক্ষোভ বা অসন্তোষের শুরুতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কার্যকর সংলাপ না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল রূপ নেয়। এতে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়, প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হন। অথচ সময়োচিত আলোচনার মাধ্যমে অধিকাংশ সংকটেরই শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব। শিক্ষার্থীদের আবেগ থাকবেই, তবে তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করার গুরুদায়িত্ব শিক্ষক ও প্রশাসনের। কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং যুক্তিসংগত দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা। এতে প্রশাসনের প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থা বাড়বে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক ও সমাজ বিনির্মাণকারী। তাই তাদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও পরমত-সহিষ্ণুতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সংঘাতের দৃষ্টিতে না দেখে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের বার্তা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। একটি উন্নত, মানবিক ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের আস্থার কোনো বিকল্প নেই। সংঘাত নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংলাপই হোক যেকোনো সংকট উত্তরণের স্থায়ী পথ।

পরীক্ষামূল্যায়ননীতিগত সিদ্ধান্তসংলাপ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া