Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিশ্লেষণ

যুদ্ধের চেয়ে ‘আত্মসমর্পণকে বেশি ভয় পায়’ ইরান

আল-জাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬
যুদ্ধের চেয়ে ‘আত্মসমর্পণকে বেশি ভয় পায়’ ইরান

সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র চাইছিল পরমাণু ইস্যুতে ইরান সমঝোতা করুক। সেই অনুযায়ী আলোচনাও চলছিল। এরমধ্যে গত বছর ইসরায়েল হামলা চালিয়ে ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করতে পারলেও বেশ একটা সুবিধা করতে পারেনি। ফলে দেশটির অনুরোধে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করে যুক্তরাষ্ট্র। তাতেও ওয়াশিংটনকে সন্তুষ্ট মনে হয়নি।


এরপর থেকে আলোচনার জন্য চাপ দিতে গিয়ে বারবার হামলার হুংকার দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার হুমকির মধ্যে সম্প্রতি দুই দেশ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আলোচনা করছিল। এরমধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করে। এতে আরো বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।

তবে ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেও যুক্তরাষ্ট্র খুব একটা সুবিধা করতে পারবে বলে মনে করেন না কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফ্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি। তিনি বিশ্বাস করেন যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের কৌশল হচ্ছে যতক্ষণ না কেউ আত্মসমর্পণ করে ততক্ষণ পর্যন্ত যত বেশি সম্ভব সিনিয়র নেতাদের হত্যা করা। তার মতে, এটি একটি ভুল হিসাব।

উপসাগরে ট্রাম্প বিমানবাহী রণতরী এনে ইরানিদের ভয় দেখাতে চেয়েছেন বলে মনে করেন পারসি। তার মতে, ট্রাম্প ভেবেছিলেন যে উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী আনার মাধ্যমে ইরানিদের ভয় দেখাবেন। তার আশা ছিল, এটি ইরানিদের এতটাই ভীত করবে যে তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে।

কিন্তু ট্রাম্পের এই হিসাব ভুল বলেই মনে হচ্ছে কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফ্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতার। তিনি বলেন, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) বুঝতে পারছে না যে এই বিশেষ ধর্মতন্ত্র (ইরানি শাসনব্যবস্থা) যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকে অনেক বেশি ভয় পায়।

এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এর কারণ হলো ইরান সরকার বিশ্বাস করে যে, তারা যুদ্ধে টিকে থাকতে পারবে। কিন্তু যদি আত্মসমর্পণ করে, তাহলে তারা আর টিকে থাকতে পারবে না।

‘কাউকে আত্মসমর্পণে রাজি করাতে গেলে শুধু নেতৃত্বের একের পর এক স্তর সরিয়ে ফেললেই হবে না, বরং পুরো দেশটিকেই কার্যত ধ্বংস করে দিতে হতে পারে’ যোগ করেন পারসি।

তিনি আরও বলেন, এমনটা সম্ভব হলেও এতে কত সময় লাগতে পারে, তা ট্রাম্প প্রশাসন জানে না। আর সেই সময়ের মধ্যে ইরানের কৌশল হবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর, মার্কিন সেনাদের ওপর, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর, প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর এবং বিশ্ববাজারের ওপর যতটা সম্ভব ক্ষতি করা— এটি ট্রাম্পের জন্য এতটাই ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে যে তিনি এই চেষ্টা করাই ছেড়ে দেন।



ইরানহামলাযুদ্ধডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রবিপন্ন ইরানআত্মসমর্পণভয়ভুল হিসাব
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: