ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ২৫ বিলিয়ন ডলার

ছবি: রয়টার্স
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ এখন পর্যন্ত পৌঁছেছে ২৫ বিলিয়ন ডলারে। আজ বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, যা এই সংঘাতের ব্যয়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক হিসাব।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র ছয় মাস বাকি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে যেখানে চ্যালেঞ্জের মুখে, সেখানে ডেমোক্র্যাটরা জনমত জরিপে রয়েছে এগিয়ে। ডেমোক্র্যাটরা অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধকে জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণ হিসেবে যুক্ত করার চেষ্টা করছে।
পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র পরিষেবা কমিটিকে জানান, এ ব্যয়ের বেশিরভাগই গোলাবারুদের জন্য খরচ হয়েছে।
তবে এই হিসাবের মধ্যে কী কী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের সম্ভাব্য ব্যয় এতে ধরা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাডাম স্মিথ এ বিষয়ে বলছিলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ায় আমি খুশি। আমরা অনেক দিন ধরে এই সংখ্যা জানতে চাইছিলাম, কিন্তু কেউ তা জানায়নি।’
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে এবং বর্তমানে দুপক্ষের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি বজায় রয়েছে। পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি বিমানবাহী রণতরীও।
এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর তেল ও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় যুক্তরাষ্ট্রে বেড়েছে জ্বালানির দাম, পাশাপাশি সারসহ কৃষিপণ্যের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে; যা আগে থেকেই উচ্চ ভোক্তা মূল্যের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর কমে গেছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৪ শতাংশ আমেরিকান এ যুদ্ধকে সমর্থন করছেন, যা এপ্রিলের মাঝামাঝি ৩৬ শতাংশ এবং মার্চে ছিল ৩৮ শতাংশ।



