Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

দুদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড মৌলভীবাজার, বন্যার আশঙ্কা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৫০
দুদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড মৌলভীবাজার, বন্যার আশঙ্কা

ছবি: আগামীর সময়

টানা দুদিনের শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মৌলভীবাজারে। গত ২৬ থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন উপজেলায় অন্তত ৮৫৫টি কাঁচা ও আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় জানায়, কমলগঞ্জ, রাজনগর, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা ও মৌলভীবাজার সদর— এ সাত উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এ তালিকা তৈরি করেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তারা।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাদু মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ৮৫৫টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। তাদের সহায়তায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১০০ টন চাল ও ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এদিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে মৌলভীবাজার পৌরসভার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। খাল ও ড্রেন ভরাট হয়ে যাওয়ায় অনেক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি বছরই একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানায়, গত শনিবার থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলায় ২৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায়ই হয়েছে ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টি।

ভারী বৃষ্টি ও উজানের পানির চাপে কুলাউড়ার গোগালিছড়া বাঁধের প্রায় ১৫০ ফুট অংশ ভেঙে অন্তত ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ১০০ বিঘা জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পাকা বোরো ধান, আউশের বীজতলা এবং মাছের খামারে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কমলগঞ্জ উপজেলায়ও কেওলা হাওরের ফসলি জমি আংশিক প্লাবিত হয়েছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সড়ক যোগাযোগ আংশিক স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, জেলার প্রধান নদীগুলোর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে থাকলেও জুড়ী নদীর পানি বিপৎসীমার ১১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা।

অন্যদিকে ঝড়ে বিদ্যুৎ অবকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানায়, জেলার ২২৫টি স্থানে বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিকল হয়েছে ২৭টি ট্রান্সফরমার। এ ছাড়া ১৯টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং ২৩টি খুঁটি হেলে গেছে। এতে প্রায় ২৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলার সাতটি উপজেলায় ১০০ টন চাল ও ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র। এ ছাড়া সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মৌলভীবাজারকালবৈশাখী ঝড়বন্যার আশঙ্কা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: