ভুল করলে জনগণ আমাদেরও ক্ষমা করবে না : মির্জা ফখরুল

সংগৃহীত ছবি
দেশের মানুষ এখন সবকিছু বুঝতে পারে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জনগণ কাউকে ক্ষমা করে না। আমরা যদি ভুল করি, আমাদেরও ক্ষমা করবে না। সে কারণে সরকারের ওপর সমগ্র দেশের একটা প্রত্যাশা আছে, ভরসা আছে, সেটাকে পালন করতে হবে।’
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) উদ্যোগে ত্রয়োদশ সংসদে নির্বাচিত প্রকৌশলীরা ও স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রকৌশলীদের সংবর্ধনা এবং আইইবির ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাপনীতে এই অনুষ্ঠান হয়।
প্রকৌশলীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, ‘আপনাদের প্রতি জনগণের আগ্রহ, আকাঙ্ক্ষা অনেক। আপনারা যে কাজগুলো করবেন সেগুলো যেন সত্যিকারার্থেই জনগণের কাজে লাগে। আমার খুব দুঃখ হয় যখন পত্রিকায় দেখি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে একটি জেলায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে, কোনো কাজ হয়নি। এই বিষয়গুলোকে দয়া করে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দৃষ্টি দেবেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, এ দেশের মানুষ এখন আগের মতো সরল নেই। তারা কিন্তু সবকিছু বোঝেন, সবকিছু জানেন এবং বুঝতে পারেন। আর দেশের মানুষ কিন্তু কাউকে ক্ষমাও করে না। আজকে আমরা যদি ভুল করি, আমাদেরও ক্ষমা করবে না।
বিএনপি মহাসচিব জানালেন, ‘বারবার আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। অধিকার আদায়ে লড়াই করেছি। অনেক প্রাণ গেছে, অনেক রক্ত ঝরেছে। রাজপথ রক্তে রাঙা হয়ে গেছে। জুলাই গণভ্যুত্থানের পর আমরা একটা নতুন মুক্ত বাংলাদেশ চাই। পুরনো ঘুণে ধরা বাংলাদেশ আর দেখতে চাই না। সেই ক্ষেত্রে প্রকৌশলীদের ভূমিকা সবচাইতে উল্লেখযোগ্য ও প্রয়োজনীয়।’
আইইবি প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আইইবি বাংলাদেশে একটা প্রেস্টিজিয়াস অর্গানাইজেশন। আইইবি একটা প্রতিষ্ঠান, যারা শুধু ইঞ্জিনিয়ারদের অ্যাসোসিয়েশন নয়, এটা বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এবং বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক অবদান রেখেছে।
আইইবি সভাপতি প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজুর সভাপতিত্বে এবং প্রকৌশলী কে এম আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আইইবি সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান, প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল, প্রকৌশলী মঈনুল ইসলাম খান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি, প্রকৌশলী মাহবুবা হাকিম ক্যামেলিয়া, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২’ প্রাপ্ত প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল বাকী।




