সাবেক উপদেষ্টা আসিফ ও ক্রীড়া সচিবের দুর্নীতি অনুসন্ধানে নথি চাইল দুদক

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ
এনসিপির মুখপাত্র, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে বেশ কিছু রেকর্ডপত্র ও তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার এক চিঠিতে এ তথ্য জানায় দুদক।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তার অপকর্মের নেপথ্যের নায়ক যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িত। পাশাপাশি তারা যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব (যুব-১ শাখা) মো. মাসুম আহমেদকে সেফ গার্ড দিয়ে বহাল তবিয়তে রেখেছেন।
এসব অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানের স্বার্থে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তথ্যাদি পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চাহিত তথ্যের মধ্যে রয়েছে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ের অধীন সম্পন্ন হওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত নথিপত্র। এ ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ০৭/০৫/২০২৫ খ্রি. তারিখের স্মারক নম্বর-৪৬৬ এবং ১৮/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখের স্মারক নম্বর-২৭৪ মূলে বদলিসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত ছায়ালিপি চাওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনটি স্মারক মূলে উপজেলা যুব উন্নয়নের ৩৮ কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান, বাতিল ও পদায়নসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত ছায়ালিপি এবং মাঠপর্যায়ের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির (ঢাকা), আনিচ, জাহিদ ও ইব্রাহীম (বগুড়া), জুলহাস (বরিশাল), নকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ (পাবনা), কোরবান আলী (ধামরাই) এবং আলী হোসেনের (নরসিংদী) ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত ছায়ালিপিসহ সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও সহায়ক অন্যান্য রেকর্ডপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গতকাল বুধবার আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে পদোন্নতি, বদলি-বাণিজ্য, পদায়নসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। পরে এসব অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়া গেছে বলে দুদকের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল, তা ‘ভুলবশত’ বলে জানায় সংস্থাটি।
গতকাল দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ব্রিফিংয়ে কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দটি বলে ফেলেছি। প্রাথমিক সত্যতা শব্দটি ব্যবহার না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ভিডিওতে থাকলে সেটিও এডিট করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।







