Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মনিরুলের ‘মানবতার দুয়ার’
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

নতুন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কী বদলাবে

গোলাম রব্বানী
গোলাম রব্বানী
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৮
শেয়ার করুন:
নতুন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কী বদলাবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ব্রিটিশ আমলে প্রণীত আইন সংশোধন করে সম্পত্তি হস্তান্তরে নতুন আইন হয়েছে বাংলাদেশে। এই আইনে সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

বিরোধী দলের বিরোধিতার মধ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর সংসদে পাস হয় ‘দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মধ্য দিয়ে এটি আইন হিসেবে কার্যকর হবে।

সংসদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ দলটির নেতারা বিরোধিতা করছিলেন এই আইনের। এই আইন ইসলামের বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে আপত্তি তুলেছিলেন তারা।

ফলে এ আইনটি নিয়ে সবার মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেন নতুন আইনের প্রয়োজন দেখা দিল, কী পরিবর্তন এসেছে আইনে, আসলেই কি আইনটি ইসলামের কোনো বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক? এমন সব প্রশ্ন ঘুরছে সবার মনে। চলুন খোঁজা যাক তার উত্তর।

কী আইন ছিল?

সম্পত্তি থাকলে তা হস্তান্তরও থাকবে। কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, তা ঠিক করতে ব্রিটিশ ভারতে ১৮৮২ সালে প্রণীত হয় ‘দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি’ আইন বা সম্পত্তি হস্তান্তর আইন। এটি ওই বছরের ১ জুলাই কার্যকর হয়েছিল। এর পর থেকে এবং ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একই আইনে চলছিল সম্পত্তি হস্তান্তর। স্থাবর (স্থানান্তর অযোগ্য) ও অস্থাবর (স্থানান্তরযোগ্য) সব সম্পত্তি বিক্রি, দান অর্থাৎ হস্তান্তর এই আইনেই চলছে।

এ আইন অনুযায়ী, কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্বেচ্ছায় কোনো বিনিময় ছাড়া অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করে দেওয়াকে হেবা বলে। হেবার মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তার ওয়ারিশদের বা অন্য কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

কেন সংশোধন?

সংশোধিত আইনের বিল উত্থাপনের সময় তার কারণ ব্যাখ্যা করেছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছিলেন, বিদ্যমান আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিধান থাকলেও দাতার জীবনকাল পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে দান করার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই।

তাই আইনে সংশোধন আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান হবে সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি।

কী সংশোধন হয়েছে?

সংশোধিত আইন অনুসারে, কেউ কোনো সম্পত্তি তার সন্তান বা উত্তরাধিকারদের দান করলে জীবিত থাকা পর্যন্ত তা ভোগ করতে পারবেন। স্বামী কিংবা স্ত্রী একে অন্যকে দান করলেও ভোগের ক্ষেত্রে একই বিষয় ঘটবে। আবার দাতার জীবদ্দশায় গ্রহীতার মৃত্যু হলে সম্পত্তি ভোগের অধিকার দাতার থাকবে এবং আইন অনুযায়ী গ্রহীতার ওয়ারিশদের কাছে তা স্থানান্তরিত হবে।

হেবাসম্পত্তিজাতীয় সংসদআইন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ আগামীর সময়কে বলছিলেন, নতুন আইনে এক ধরনের হেবা (দান) থাকবে, যেখানে যিনি হেবা করবেন, তিনি তার মৃত্যু পর্যন্ত ভোগদখল করবেন, এই অধিকারটাও ওখানে দেওয়া হয়েছে।


    আরও পড়ুন

    সংসদে ৩ বিল পাস, বিরোধী দলের ওয়াকআউট

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

    আগের আইনের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বললেন, ‘আগের মুসলিম আইন অনুযায়ী যদি হেবা করেন, তাহলে সেটা হেবাটা হলো আপনাকে তাকে পজিশন দিয়ে দিতে হবে। তো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, ইদানীংকালে অনেকে বাবা-মা সম্পত্তি ছেলে-মেয়েকে দেন। দেওয়ার পরে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারা বাবা-মাকে আর রাখেন না। তারা বাবা-মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন, যেহেতু সম্পত্তির মালিক সে। তো এসব আলোচনাগুলো এসেছে সমাজে এবং এটি বিবেচনায় নিয়ে সরকার এটি করেছে।’

    বর্তমানে সম্পত্তি দানের বিভিন্ন আইনি পদ্ধতি থাকলেও দাতা তার জীবদ্দশায় সম্পত্তির ভোগাধিকার নিজের কাছে রেখে দান করতে পারবেন, এমন কোনো সুযোগ ছিল না। আইন সংশোধন করে সেই সুযোগটি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সরকারের ভাষ্য।

    এজন্য আইনে নতুন দুটি ধারা যুক্ত হচ্ছে। তাতে ‘আজীবন ভোগদখলের অধিকার’ সংরক্ষণ করে সম্পত্তি দানকে হস্তান্তরের একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে হবে এই হস্তান্তর।

    ফলে সম্পত্তি দান করলেই সব হারাতে হবে, এমন আশঙ্কা আর থাকবে না।

    বিরোধিতা কোথায়?

    সংসদে বিল পাসের আলোচনায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেছিলেন, আইনের উদ্দেশ্য নিয়ে তার কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু এই আইনের সঙ্গে শরিয়তের স্পষ্ট ‘কন্ট্রাডিকশন’ আছে।

    ‘আমরা কি কোরআনের মূলনীতি রাখব, নাকি বাদ দেব?’ প্রশ্ন রেখেছিলেন তিনি।

    বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেছিলেন, এটা খুবই স্পর্শকাতর বিষয়। এটি কুরআন-সুন্নাহর মূলনীতি ও প্রয়োগের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়। এ আইন এভাবে উপস্থাপন করা হলে সমাজে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। এ আইন দ্বারা হকদারের হকও বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে।

     কোরআন-সুন্নাহর বিরোধী কি?

    সংসদে বিরোধিতার পাশাপাশি বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতারা এ আইন সংশোধনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।

    বিষয়টি নিয়ে আইনজীবী মনজিল মোরসেদের মত, এ আইন কোনোভাবেই কোরআন-সুন্নাহবিরোধী নয়।

    তিনি বলেছেন, মুসলিম আইন অনুযায়ী যে হেবা বা দান, সে হেবাটা বহাল আছে। সেই হেবাটাকে বাতিল করা হয়নি, কেউ চাইলে সেটা তিনি করতে পারবেন। কিন্তু সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে আরেক ধরনের নতুন হেবার বিষয়ে সরকার একটা আইন করেছে। কেউ যদি ইসলাম ও মুসলিম আইন অনুযায়ী করতে চায়, করবেন। কিন্তু চাইলে নতুন আইনেও করতে পারবেন।

    সংশোধিত আইনে মূলত বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন এই আইনজীবী। তার মন্তব্য, আর বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়া তো ধর্মেরই গুরুত্বপূণ একটা বিধান।

    সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, এই বিধান সব ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে। এর ফলে প্রচলিত সাধারণ দান, মুসলিম আইনের অধীন হেবা বা আইন দ্বারা স্বীকৃত অন্য কোনো প্রকার সম্পত্তি হস্তান্তরের ওপর প্রভাব পড়বে না বা সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি করবে না।

    বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানও সংসদে বলছিলেন, এখানে মুসলিম আইনকে স্পর্শ করা হয়নি। এই আইনে যে গিফটের (সম্পত্তি হস্তান্তর)র কথা বলা হচ্ছে, তা হেবা নয়। এই আইনে হেবা বা অন্য কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর বাধাগ্রস্ত হবে না। সামাজিক বাস্তবতার কথা চিন্তা করে এই বিল আনা হয়েছে।

    বিষয়টি আরও খোলসা করে মনজিল মোরসেদ বলেছেন, ‘একজন একজনকে দান করে দিলেন, দান করে দেওয়ার পর আপনাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল, বৃদ্ধ বয়সে সে কোথায় যাবে? এটা আমি তো মনে করি, এটাতে মানবাধিকার রক্ষা হবে আরও, মানুষের অধিকার রক্ষা হবে। সরকার যদি এমন করত যে, এই ধরনের হেবার বাইরে আর কোনো হেবা হবে না, তাইলে আপনি বলতে পারতেন কোরআন ও সুন্নাহর বিরুদ্ধে।’

     আগের বিধান থাকছে?

    সংসদে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, হেবা বা দানের ক্ষেত্রে আগের বিধান থাকছে, তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন পদ্ধতি।

    বিষয়টি তুলে ধরে মনজিল মোরসেদ বললেন, ‘দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট ১৮৮২’ অনুযায়ী দান করা বা হেবা করা, এগুলো মুসলিম আইনে যা আছে, সেগুলোই এখনো প্রচলিত আছে। কীভাবে হেবা করা যাবে, কাকে করা যাবে, এগুলো আইনে বলা আছে সব।

    এখন বর্তমান সরকার যে আইনটা করেছে, সেটা হলো আরেকটু আপগ্রেড। আইনমন্ত্রীও বলছেন, ‘আমাদের যে মুসলিম আইন অনুযায়ী যে হেবা করার বিধান, সে বিধানটা বাতিল করা হয় নাই। ওই বিধানটা আছে। যারা বলছেন কোরআন-সুন্নাহবিরোধী, তাদের বলব যে, পার্লামেন্টে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যটা দেখার জন্য।’

    আইন সংশোধনটি যৌক্তিক মন্তব্য করে মনজিল মোরসেদ বলেছেন, ‘আমি মনে করি, এটা অত্যন্ত যৌক্তিক। কারণ, এটা সবার জন্য প্রযোজ্য না। কিন্তু যারা এ রকম ভিকটিম হন যে, সম্পত্তি দেওয়ার পরেও তারা বাবা-মাকে সেভাবে দেখাশোনা করেন না, তাদের বঞ্চিত করেন, তাদের জন্য এভাবে যদি দান-হেবা করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে বাবা-মা জীবিত থাকাকালে অধিকারটা তার থাকবে।’

    ‘এটা এক ধরনের নতুন একটা অগ্রগতি এবং এটা একটা নতুন প্রোভিশন। আগে কিন্তু এটা করার সুযোগ ছিল না’ —যোগ করেন তিনি।