বিরোধীদলীয় নেতা
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি উপেক্ষিত

সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউটের পর ব্রিফ করেন বিরোধীদলীয় নেতা— সংগৃহীত ছবি
সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের পর জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদলীয় জোট। সোমবার রাত ৯টার পর সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন জোটের সংসদ সদস্যরা।
ওয়াকআউটের পর সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলছিলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটে দুটি পৃথক ব্যালটের মাধ্যমে মতামত দিয়েছেন ভোটাররা। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বর্তমান সরকারের সদস্য ও সংসদ সদস্যরাও একইভাবে দুটি ব্যালট গ্রহণ করেছিলেন এবং জনগণকে গণভোটের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য, গণভোটে জনগণ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দেওয়ায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল— একটি সংসদ সদস্য হিসেবে এবং অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। বিরোধী জোটের সদস্যরা উভয় শপথ নিলেও ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
তিনি জানালেন, দেশের জনগণের ইচ্ছাই সর্বোচ্চ আইন। জনগণের দাবির মুখে আগের সরকার ক্ষমতা হারিয়েছে এবং পরবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়াও জনগণের প্রত্যাশার ভিত্তিতেই এগিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণার আলোকে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি প্রক্রিয়াকে বৈধ হিসেবে গ্রহণ করা হলেও একই ধারাবাহিকতার আরেকটি অংশ কীভাবে উপেক্ষিত হতে পারে?
‘সংবিধানে গণভোটের প্রভিশন না থাকলে, ২০২৬–এর নির্বাচনেরও প্রভিশন নাই। সংবিধান অনুযায়ী যেমন কোনো সরকার নেই, তেমনি নেই বিরোধীদলও। জনগণের অভিপ্রায়ের এক অংশ মানবেন, আরেক অংশ মানবেন না?’— যোগ করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা আরও বললেন, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে না।






