মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব ফারুকের

সংগৃহীত ছবি
মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিন ফারুক। তার ভাষ্য, দেশের স্বাধীনতার জন্য যারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের সম্মান আরও সুদৃঢ় করতে ভাতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের ইতিহাসে সরকারের একটি স্মরণীয় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আজ শনিবার সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।
বক্তব্যের শুরুতে জয়নুল আবেদীন ফারুক একটি ‘সুন্দর বাজেট’ উপস্থাপনের জন্য অর্থমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বললেন, প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য, শিল্প, কর্মসংস্থান ও নারী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।
জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি জানালেন, দেশের সাম্প্রতিক সময়ের আত্মত্যাগ যেমন স্মরণ রাখতে হবে, তেমনি মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কখনো ভোলা যাবে না।
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বললেন, দেশের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্প-কারখানাগুলো আবার চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখায় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
নারীর ক্ষমতায়ন ও তরুণদের বেকারত্ব দূরীকরণে বাজেটে গৃহীত পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংসদের সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।
বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন। অতীতের রাজনৈতিক বিভাজন ও সংঘাত থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বললেন, সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে। ‘বাংলাদেশ সবার আগে’ এই প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান সরকারদলীয় এই সংসদ সদস্য।




