নবম পে-স্কেল
প্রথম ধাপেই শতভাগ বেসিক দাবি কর্মচারীদের

ফাইল ছবি
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রথম ধাপেই শতভাগ বেসিক বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে ১১ বছর পর দুটি পে-স্কেলের সমন্বয় করে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ রবিবার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১১ বছরে কর্মচারীদের বেতনের কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু দ্রব্যমূল্য বেড়েছে আকাশচুম্বী। এ অবস্থায় বাজারমূল্য সব কর্মচারীর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে, যার কারণে বাঁচার তাগিদে চাকরির ফাঁকে বাড়তি কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক কর্মচারী।
সংগঠনটি বলছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রচার করা হচ্ছে, তিন ধাপে তিন বছরে বাস্তবায়িত হবে নবম পে-স্কেল। অতীতের সব পে-স্কেল প্রদানের আগে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার প্রচলন ছিল এবং দুই ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হওয়ার সঙ্গে এর সমন্বয় করা হতো। প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক বাস্তবায়ন হতো, দ্বিতীয় ধাপে সব ভাতা। শোনা যাচ্ছে যে, তিন ধাপের প্রথম ধাপে বেসিকের ৫০ শতাংশ বাস্তবায়ন হবে ১ জুলাই। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এর আনুষ্ঠানিক বা কোনো বিবৃতি আমরা পাইনি। তথাপি সেই হিসাবেই যদি সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগোয় এবং ৫০ শতাংশ এর প্রথম ধাপেই যদি ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা প্রত্যাহার করা নেওয়া হয়, তাহলে একজন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীর যে বেতন বাড়বে, তাতে এক সপ্তাহের বাজার হবে না, যার ফলে যেই অভাব সেই অভাবই থেকে যাবে। শুধু বেড়ে যাবে দ্রব্যমূল্য।
এ ক্ষেত্রে সব গ্রেডের প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রেখে জীবনমান ঠিক রাখতে প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক বাস্তবায়ন চায় কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির নেতাদের ভাষ্য, এতে ১৫ শতাংশ সমন্বয় করা যেতে পারে এবং পরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে ভাতাগুলোকে দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। যেহেতু ভাতার মধ্যে একটা বড় অংশ বাসাভাড়া দ্বিতীয় ধাপে দিয়ে তৃতীয় ধাপে অন্যান্য ভাতা বাস্তবায়ন করা যায়, এতে কর্মচারীরাও ক্ষুব্ধ হবে না এবং দেশের ওপর চাপও কম পড়বে।
বিজ্ঞপ্তিতে তারা উল্লেখ করেছেন, শতভাগ বেসিক বাস্তবায়ন না করে ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা প্রত্যাহার বা সমন্বয় করা হবে একধরনের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত এবং এর ফলে পে-স্কেল প্রদানের পরেও তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হবে কর্মচারীদের মধ্যে।






