স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় থাকবে ১০ আনসার

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে থাকবে ১০ জন করে আনসার উইথ আর্ম (সশস্ত্র)। একজন করে প্ল্যাটফর্ম কমান্ডার। জুলাইয়ের বাজেটে বিষয়টি পাস হয়েছে, আমরা এই মাসেই দিয়েছি। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে কর্মরত চিকিৎসকদেরও থাকছে বিশেষ প্রণোদনা। এমনই বলছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আজ ‘বিএসসিসিএম ন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। এ সময় দেশের স্বাস্থ্যখাতের আমূল পরিবর্তন ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়ে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।
চিকিৎসকদের পেশাগত নৈতিকতা এবং রোগীদের প্রতি সংবেদনশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেছেন, ‘আপনারা সেন্স অফ একাউন্টেবিলিটি এন্ড ইম্পজিশন অফ হাই মোরালিটি রাখেন। একজন ডাক্তারের সুন্দর ব্যবহার এবং সুন্দর দায়িত্ব পালন একজন রোগীকে অনেকাংশে ভালো করে তোলে’।
তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘মানুষের আস্থা চিকিৎসকদের ওপর অনেক বেশি। তাই আস্থার মর্যাদা রক্ষা জরুরি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যতটুকু সাহায্য দেওয়া দরকার আমরা দিব’।
দেশের প্রতিটি জেলায় আইসিইউ ও ডায়ালাইসিস সেবার বিস্তারের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে সরকার উল্লেখ করে তিনি জানান, ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জে আইসিইউ উদ্বোধন করা হয়েছে। শিগগির জয়পুরহাট, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া, ইএনটি ইনস্টিটিউট ও রংপুর শিশু হাসপাতালে আইসিইউ উদ্বোধন করা হবে। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে ৫০ হাজার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের কাজও দ্রুত গতিতে চলছে।
তার ভাষ্য, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। এছাড়া চীনের সহযোগিতায় সারাদেশে ১ হাজারের বেশি শয্যা বিশিষ্ট ২০টি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে, যার মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধুমাত্র নারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।
মুমূর্ষু রোগীদের দ্রুত স্থানান্তরের জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বা হেলিকপ্টার সেবা চালুর পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চিকিৎসকদের সকল প্রকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।




