শেষ হলো নজরুল স্মরণ উৎসব

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী পালনে আয়োজিত তিন দিনের উৎসব শেষ হয়েছে। গতকাল সোমবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে ছিল শেষ দিনের আয়োজন। বিকালে এ উপলক্ষে ছিল আলোচনা অনুষ্ঠান। সেখানে উঠে আসে নজরুলচর্চার গুরুত্ব, তার স্বপ্নপূরণের তাগিদ।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন।
বক্তাদের কথায় উঠে আসে নজরুলের অসাম্প্রদায়িকতা, মানবতা ও সাম্যের কথা। নজরুলের কবিতা আর গান যে যুগে যুগে বাংলাদেশের মানুষকে সাহস দিয়ে যাচ্ছে, তাও উঠে এলো।
আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ স্টালিন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, নজরুল ইনস্টিটিউটের সদস্য ও যুগ্ম সচিব মো. জেহাদ উদ্দিন। তারা জোর দিলেন নজরুলচর্চার ওপর। তার আদর্শ তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়েও কথা হলো।
কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এবার ত্রিশালে প্রায় দুই দশক পর আয়োজন করা হলো জাতীয় উৎসবের। গত শনিবার দুপুরে যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই অনুষ্ঠান থেকে আগামী এক বছরের জন্য নজরুল বর্ষ পালনের ঘোষণাও দেন তিনি।
দেশের বিভিন্ন স্থানেও জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী পালনে নেওয়া হয়েছিল নানা আয়োজন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতেও শেষ হয়েছে তিন দিনের উৎসব। ‘দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি’ শীর্ষক এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ছিল কবির কালজয়ী সৃষ্টিকর্ম নিয়ে গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনা। দেশের সব জেলা শিল্পকলা একাডেমিও জাতীয় কবির স্মরণে আলোচনা ও তার সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।






