আহমদ রফিকের সাহিত্যচর্চা নিয়ে উচ্চতর গবেষণার আহ্বান

পল্লী শিশু ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের সাহিত্যকর্ম, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসচর্চা, রবীন্দ্রসাহিত্য গবেষণা এবং দেশের ওষুধশিল্পের বিকাশে তার অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উচ্চতর গবেষণার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তার রচিত গ্রন্থ ও কর্মজীবন নিয়ে এ গবেষণার উদ্যোগ নিতে বলা হয়।
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় পল্লী শিশু ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান বক্তারা। ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পল্লী শিশু ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এ এস এ মূইজ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি, কবি ও চিকিৎসক মুনীর সিরাজ। আলোচনায় বক্তারা আহমদ রফিকের দীর্ঘ ও কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বুদ্ধিজীবিতার একটা বড় নির্ণায়ক বা ক্রাইটেরিয়া হলো তাদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, মাহমুদ হাশিম, ইশরাত রহমান নাদিয়া ও রাসেল সরদারসহ অন্যরা স্মৃতিচারণা করেন।
আহমদ রফিকের কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী হাসান সালেহ জয়। রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন নটরডেম কলেজের শিক্ষক ও ছায়ানটের শিল্পী মঞ্জুয়ারা রশীদ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সাদী।




