‘জীবন ও সমাজ সম্পর্কে মান্নান হীরার ধারণা ছিল অনন্য সাধারণ’

আরণ্যক নাট্যদল আয়োজিত পঞ্চম ‘মান্নান হীরা স্মারক বক্তৃতা’ অনুষ্ঠান
‘মানুষের জীবন ও সমাজ সম্পর্কে নাট্যকার মান্নান হীরার ধারণা ছিল অনন্য সাধারণ। বিশেষ করে তার লেখা “এবং বিদ্যাসাগর”, “ময়ূর সিংহাসন”, “খেলা খেলা” কিংবা দেশ-বিদেশে সমাদৃত একক নাটক “লাল জমিন” দেখলেই তার এই গভীর জীবনবোধ টের পাওয়া যায়’, বলছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে আরণ্যক নাট্যদল আয়োজিত পঞ্চম ‘মান্নান হীরা স্মারক বক্তৃতা’ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় মামুনুর রশীদ বলেছেন, ‘পথনাটকে শিল্পবোধ ও সমাজ সচেতনতা দারুণভাবে যুক্ত করার ক্ষেত্রে মান্নান হীরার অবদান চিরস্মরণীয়।’
আরণ্যকের প্রধান সম্পাদক হারুন রশীদের সঞ্চালনায় ‘নাট্যচর্চার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের একাডেমিশিয়ানদের নিকেশ-কড়চা’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইউসুফ হাসান অর্ক।
স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ও গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—বিপ্লব বালা, ঠান্ডু রায়হান, মাসুম রেজা, বাবুল বিশ্বাস, মোহাম্মদ বারী, আজাদ আবুল কালাম, অলোক বসু, শহীদুল মামুন, আহাম্মদ গিয়াস, শাহ নেওয়াজ, নাজনীন চুমকি, আসাদুল ইসলাম, মোমেনা চৌধুরী, সামিউন জাহান দোলা, জয়িতা মহলানবিশ, আবু সাঈদ তুলু, তোসাদ্দেক মান্না, সাইফ সুমন, পরিমল মজুমদার, অপু মেহেদী, শামীমা শওকত ও প্রশান্ত হালদার।
নাট্যকার মান্নান হীরার প্রয়াণের পর থেকে প্রতি বছর তার জন্মদিনে এই বিশেষ আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে আরণ্যক নাট্যদল। এই স্মারক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গত ৭ জুলাই জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে মান্নান হীরার অন্যতম জনপ্রিয় নাটক ‘ময়ূর সিংহাসন’ মঞ্চস্থ হয়।




