আল মাহমুদ ও আলম খানকে স্মরণ করল স্বপ্নকুঁড়ি

ছবি: আগামীর সময়
কবি আল মাহমুদ ও সুরস্রষ্টা আলম খানকে সংগীত ও কথামালার মধ্য দিয়ে স্মরণ করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বপ্নকুঁড়ি। সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে এ স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় গাজী আবদুল হাকিমের বাঁশিতে রাগসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। পরে তিনি আলম খানের সুর করা জনপ্রিয় গান ‘ওরে নীল দরিয়া’ বাঁশিতে পরিবেশন করেন।
স্মৃতিচারণ করে গাজী আবদুল হাকিম বললেন, ‘আলম ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় বহু বছর আগে। আবদুল্লাহ আল-মামুন সাহেব তখন টেলিভিশনের সংসপ্তক নাটকটি করছিলেন। সেই নাটকের টাইটেল মিউজিক আমরা করেছিলাম। তারও আগে থেকেই আমাদের পরিচয়।’
স্বপ্নকুঁড়ির সভাপতি কবি ও সংগীতশিল্পী হাসান মাহমুদ জানালেন, ১৯৮৬ সালে ভোলা জেলায় স্বপ্নকুঁড়ির যাত্রা শুরু। গত ২৫ বছর ধরে সংগঠনটি ঢাকায় নিয়মিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গুণীজন স্মরণ, সাহিত্য আড্ডা, সংগীতানুষ্ঠান এবং সম্মাননা প্রদানের মতো আয়োজন নিয়মিত করে আসছে তারা। এর আগে ফরিদা পারভীন, আসাদ চৌধুরীসহ বহু গুণীজনকে সংগঠনটির পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বর্ণালী হোসেন বললেন, ‘স্বপ্নকুঁড়ি বছরজুড়ে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন করে আসছে। এ ধরনের সংগঠনগুলো যেন নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতে পারে, সে জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) জানালেন, আদিযুগে কবিতা তো গানই ছিল। ওডিসি, রামায়ণ কিংবা মহাভারত—এসব কাব্য গেয়েই পরিবেশিত হতো। এখন কবিতা থেকে সেই সুর ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কবি আমিনুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন স্বপ্নকুঁড়ির উপদেষ্টা কথাশিল্পী মিতালী হোসেন। সভাপতিত্ব করেন কবি ও গীতিকার নাসির আহমেদ।




