চাঁদা না দেওয়ায় গুলি: বহিষ্কৃত যুবদল নেতা সাইমনসহ ৪ জন রিমান্ডে

ছবি: আগামীর সময়
রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় করা মামলায় যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনসহ চারজনকে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। সাইমনকে চার দিন এবং অপর তিন আসামিকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। অপর তিন আসামি হলেন- ওমর, মোর্শেদ ও মো. শাওন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই মো. নাসিম তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সাইমনের চার দিন এবং অপর তিন আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাসার সামনে বাদী মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন পিস্তল বের করে তাকে ভয় দেখান এবং গুলি করার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে পিস্তলের বাট দিয়ে সোহানের মাথায় আঘাত এবং অন্য আসামিরা তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা সেখান থেকে চলে যান। আহত সোহান স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে তাঁর ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন তার সঙ্গে যোগ দেন।
মামলার বাদীর অভিযোগ, এরপর সাইমনসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে করে সেখানে এসে সোহানকে আবারও মারধরের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে মোক্তার হোসেনকেও মারধর করা হয়। এ সময় সাইমন পিস্তল দিয়ে তিনটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন আসামিদের ধাওয়া করে আটক করেন বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মো. সোহান বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত চলছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার প্রকৃত তথ্য যাচাই করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।



