অভিযোগ তারেকের
শিক্ষকের কিডনি বিক্রি করে টাকা চান এনসিপি নেতা

আমজনতার পার্টির প্রধান তারেক রহমান দাবি করেছেন, ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলামের সহকারী হিসেবে পরিচিত এবং ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক (মাস্টার ওমর ফারুক) একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার বরাদ্দের অর্থ থেকে এক লাখ টাকা দাবি করেছেন। এমনকি টাকা না পেলে সহকারী প্রধান শিক্ষককে ‘কিডনি বিক্রি করে’ সেই টাকা দেওয়ার কথাও বলেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান বলেছেন, গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অনুমোদিত নূরেরচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কারকাজের জন্য বরাদ্দকৃত দুই লাখ টাকার চেক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করেন ওমর ফারুক। এরপর ওই বরাদ্দ থেকে এক লাখ টাকা ‘অফিস খরচ’ হিসেবে দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থে টাকা দিতে দেরি করলে ওমর ফারুক মোবাইল ফোনে প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে চাপ দেন। একপর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেছেন, কর্তৃপক্ষ টাকা না দিলে সহকারী প্রধান শিক্ষক যেন নিজের কিডনি বিক্রি করে সেই টাকা পরিশোধ করেন।
তারেক রহমানের দাবি, পরে প্রধান শিক্ষিকা বাধ্য হয়ে গত ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে চেকের মাধ্যমে এক লাখ টাকা ওমর ফারুকের মনোনীত ব্যক্তি, বাড্ডা থানা যুবশক্তির আহ্বায়ক হাসিবুল হাসান সাইফের কাছে হস্তান্তর করেন।
তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রমাণ হাজির করেছেন। সেসব প্রমাণের মধ্যে রয়েছে, চাঁদা দাবি করে চিঠি ও চেক।






