ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কবিতায় প্রতিবাদ

সংগৃহীত ছবি
‘ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর আমরা ভেবেছি, এইবার বুঝি নারীরা মুক্তি পাবে। পাবে স্বাধীনতা। নির্ভয়ে থাকবে ঘরে বাইরে, হাটে-মাঠে-ঘাটে। কিন্তু কোথায় সেই সুদিন?’— প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এমনই প্রশ্ন রাখল সম্মিলিত আবৃত্তিশিল্পীবৃন্দ নামের প্লাটফর্ম।
দেশে ক্রমাগত নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শাস্তির দাবিতে কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল মঙ্গলবার। ‘চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়’ স্লোগানে বিকাল ৪টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রতিবাদী আবৃত্তি আয়োজন।
জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই আয়োজন। এরপর দেশে অব্যাহত নারী ও শিশু ধর্ষণ, নারী নিপীড়নের ঘটনাগুলো তুলে ধরে সারাদেশের মানুষকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান শিল্পীরা। একইসঙ্গে তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।
কর্মসূচিতে দেশের বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা আবৃত্তি ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। আবৃত্তি করেন: সামছুদ্দোহা পাটোয়ারি, সঙ্গীতা খান, মুমু মাহিনুর, অনন্যা মাহমুদ, আঞ্জুমান লায়লা নওশিন, ফাহমিদা সূচনা, মাসুদ মনিরুল, মাহি ফারহানা, শারমিন জুই, কামরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান টুনু, লিজা তাসলিমা, শিরীন বেবী, ইশরাত ঝিমি প্রমুখ।
আয়োজনে সংহতি প্রকাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গীতি আরা নাসরিন, বটতলাসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। সমন্বয় করেন আবৃত্তিশিল্পী আঞ্জুমান লায়লা নওশিন, অনন্যা মাহমুদ ও তাসনুভা মোহনা।



