ড্রেনের অন্ধকারেই শেষ হলো ডুবুরি মিলনের জীবন

ড্রেনের অন্ধকারে নেমেছিলেন শহরের ময়লা পরিষ্কার করতে, কিন্তু সেই অন্ধকারই হয়ে উঠল তার জীবনের শেষ গন্তব্য। পুরান ঢাকার নলগলা এলাকায় ড্রেন পরিষ্কারের সময় নিখোঁজ হন ডুবুরি মিলন হোসেন। প্রায় ২৫ ঘণ্টার টানা অনুসন্ধান, রাস্তা কেটে উদ্ধার অভিযান এবং নানা সংস্থার চেষ্টার পর মিলল ডুবুরি মিলনের লাশ।
আজ শুক্রবার দুপুরে পুরান ঢাকার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নলগলা এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ড্রেন পরিষ্কার করতে নেমেছিলেন কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ডুবুরি মিলন।
‘শুক্রবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা’— এ তথ্য জানালেন ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ওই এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করছিলেন। মিলন ম্যানহোলে নামার ঘণ্টাখানেক পরে (দুপুর ১টার পর) ডুবুরির রশি ছিঁড়ে গেলে পরে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।
সহকর্মীরা খোঁজাখুঁজি করে হদিস না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তাদের একটি টিম উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রায় ২৫ ঘণ্টার চেষ্টা পরে তার লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় ফায়ারকর্মীরা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক রাশেদুর রহমান রাসেল জানায়, নিখোঁজের খবর পেয়ে সরকারি-বেসরকারিভাবে বেশ কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে। প্রায় ২৫ ঘণ্টা পরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নলগোলা থেকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত রাস্তা কেটে তার লাশ বের করা হয়েছে।
সিটি করপোরেশনের উপস্থিত কর্মীরা জানান, এই কাজের ঠিকাদার ছিলেন বাবু নামের একজন। কাজটি পরিচালনা করেছিলেন মোনা। আর ডুবে গিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম মিলন, তাকে ডুবুরি মিলন বলেই সবাই ডাকত।




