ঈদের ফাঁকা ঢাকাতেও মিলছে না স্বস্তির বাতাস

সংগৃহীত ছবি
ঈদুল আজহার ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা। নেই প্রতিদিনের চেনা যানজট, কমেছে নগরের কোলাহলও। তবু স্বস্তি মিলছে না বাতাসে। ঈদের দ্বিতীয় দিনের সকালেও রাজধানীর বায়ুমান ছিল ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে। ফলে শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ ব্যক্তি ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকাল ৭টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের (IQAir) সূচকে ঢাকার বায়ুদূষণের স্কোর ছিল ১১০। বিশ্বের ১২৬টি শহরের মধ্যে এ সময় দূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল সপ্তম।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার বাতাস বছরের অধিকাংশ সময়ই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে থাকে। সাধারণত শীত ও শুষ্ক মৌসুমে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বর্ষা কিংবা বৃষ্টির দিনেও নগরবাসী নিয়মিত ভালো বাতাস পাচ্ছেন না। গত কয়েক দিনের বায়ুমানের তথ্যেও সেই প্রবণতা স্পষ্ট।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমানের স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ভালো হিসেবে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে সহনীয় বা মাঝারি মানের বলে বিবেচিত হয়। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
আজকের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর ছিল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। শহরটির স্কোর ছিল ১৭৬। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের কলকাতার স্কোর ১৫৬।
এ ছাড়া দূষণের তালিকায় শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা (১১৯), চিলির সান্তিয়াগো (১১৫), চীনের সাংহাই (১১১) এবং পাকিস্তানের লাহোর (১১১)।
ঢাকার পরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনছন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং সেনেগালের ডাকাই শহর।
অন্যদিকে, আজ বিশ্বের সবচেয়ে নির্মল বাতাসের শহর হিসেবে তালিকায় উঠে এসেছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। শহরটির বায়ুদূষণের স্কোর ছিল মাত্র ১১।






