তালায় বন্দি বিবিএসের জুলাই কর্নার

জুলাই কর্নার
বাইরে থেকে বেশ পরিপাটি। রঙবেরঙের বিশালাকার পোস্টার সাঁটানো দেয়ালে। লেখা আছে বিপ্লবী স্লোগানও। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান (বিবিএস) ব্যুরোর প্রধান কার্যালয়ে ঢুকলেই চোখে পড়ে কক্ষটি। নাম ‘জুলাই কর্নার’।
জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি ও অনুপ্রেরণাকে ধরে রাখতে বিবিএসে কর্নারটির উদ্বোধন করেন সাবেক সচিব আলেয়া আক্তার। তবে এটির উন্নয়নে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এখন তালাবদ্ধই থাকছে কর্নারটি। সুনির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি কোনো কর্মচারীকেও। সংশ্লিষ্টরা বললেন, এটি আরও সমৃদ্ধ করা দরকার।
সোমবার কক্ষটি পরিদর্শন করে দেখা যায়, ভেতরে একটি বুক সেলফে কয়েকটি জুলাই-সম্পর্কিত বই, বাকি বইগুলো বিবিএসের নিজস্ব প্রকাশনা। ওয়ালে রয়েছে বিশালাকার একটি টেলিভিশন। প্রথমে মনে হয়েছিল এখানে জুলাই বিপ্লবের ভিডিও প্রদর্শনের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু জানা গেল তেমন কোনো ব্যাপার নেই।
কর্নারটির চারদিকে জুলাই বিপ্লবের বড় বড় পোস্টার রয়েছে। আছে বিভিন্ন স্লোগান, উদ্দীপনামূলক পঙতি ও জুলাই শহীদ আবু সাঈদের ছবি। বাংলাদেশের পতাকার আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কর্নার জুড়ে।
গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পরিসংখ্যান ভবনে যান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার আগমন উপলক্ষে জুলাই কর্নারটি গুছিয়ে দরজা খুলে রাখা হয়। তবে কর্নারের ভেতরে প্রবেশ করেননি মন্ত্রী।
কর্নারের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিবিএসের এফএঅ্যান্ড এমআইএস উইংয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম আগামীর সময়কে বলেছেন, সরকারি নির্দেশনা মেনে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তখন তাড়াহুড়া করে করা হয়েছিল। তবে এটি আরও সমৃদ্ধ হওয়া দরকার। এ বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, সবদিন এটি খোলা রাখা হয় না। এখানে অহেতুক আড্ডা হোক সেটি আমরা চাই না। বিষয়টি সেনসেটিভ। এজন্য সৃজনশীল মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। যাকে তাকে এর দায়িত্ব দেওয়া যায় না। সেই সঙ্গে বরাদ্দেরও বিষয় আছে।








