Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর ধরে বর্জ্যমুক্ত রাখছেন রাস্তা-বাজার
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

চাঁদাবাজির অভিযোগের ৮৫ শতাংশই সত্য

মাসুদ রানা
মাসুদ রানা
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯
চাঁদাবাজির অভিযোগের ৮৫ শতাংশই সত্য

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ব্যবসায়ী মো. মাহাতাবের জীবনে গত বছরের ১৬ মে নেমে এসেছিল ঘোর অন্ধকার। একই এলাকার পরিচিত মাহমুদুল হাসান বাবুর ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর থেকে বের হতেই তার ওপর শুরু হয় নির্যাতন। ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আটকে রাখা হয় চার ঘণ্টা। চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে তাকে। আটক করে সাইদুর রহমান সাঈদ নামে এক ব্যক্তি ও তার তিন সহযোগীকে। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন মাহাতাব। দীর্ঘ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয় পুলিশ।

মাহাতাবের জীবনের এ ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন চিত্র নয়। শুধু তার করা মামলা নয়, চাঁদাবাজির সত্যতা পেয়ে গত ২০ মাসে ঢাকা মহানগরে অন্তত ৩৬৫ মামলায় দেওয়া হয়েছে চার্জশিট। ১৫ শতাংশ মামলায় অভিযোগের সত্যতা না মিললেও ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই আসামিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।

যদিও ভুক্তভোগীরা আইনের আশ্রয় নিলেও মিলছে না স্বস্তি। উল্টো বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা অপরাধীদের করে তুলছে আরও বেপরোয়া। আইনি লড়াইয়ের চিত্রটা বেশ দীর্ঘ। বর্তমানে তদন্তাধীন মোট মামলার প্রায় অর্ধেকই রয়েছে ঝুলে।

আরেকটি মামলার নথি বিশ্লেষণে দেখা গেল, যাত্রাবাড়ীর মীরহাজীরবাগে শিঙাড়ার দোকান মফিজুল ইসলামের। গত বছরের ৫ মার্চ দোকানে বেচাকেনা শেষে যান বাড়িতে। ওইদিন রাতে মো. রফিক নামে এক ব্যক্তি তার কাছে চাঁদা হিসেবে দাবি করেন ১ লাখ টাকা। দিতে না চাওয়ায় মারধর করা হয় মফিজুলকে। ছিনিয়ে নেওয়া হয় ২ হাজার ২০০ টাকা। এ ঘটনায় মফিজুল বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় করেন চাঁদাবাজির মামলা। তদন্ত শেষে চাঁদাবাজির সত্যতা পাওয়ায় তিন আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে চার্জশিট।

এভাবে চাঁদাবাজির সিংহভাগ মামলাতেই অভিযোগের সত্যতা মিললেও বর্তমানে ৪১ শতাংশ মামলাই আটকে  রয়েছে তদন্তে। দেখা গেল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের অফিসে গিয়ে গত বছরের ২৬ জুন ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ। এ ঘটনায় ওই বছরের ১ আগস্ট আবুল কালাম আজাদের শ্যালক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় করেন মামলা। তবে বছর পেরোলেও এখনো শেষ হয়নি তদন্ত।

আইনজ্ঞরা বলছেন, চাঁদাবাজির মামলার ক্ষেত্রে আসামিরা প্রভাবশালী হয়। বিশেষ করে তাদের পেছনে থাকে রাজনৈতিক ছত্রছায়া। আর রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনে নীরবে চলে চাঁদাবাজি। কিছু ক্ষেত্রে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই মারধর, হুমকির মতো ঘটনা ঘটে থাকে। একপর্যায়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মামলা করেন ভুক্তভোগী। কিন্তু আসামিদের চাপে শেষ পর্যন্ত মামলা চালাতে গিয়ে অনেকে পিছু হটেন। আবার সাক্ষীরা ভয়ে সাক্ষ্য দিতে চান না। যে কারণে মামলার পর তদন্তে সত্যতা মিললেও কোনো লাভ হয় না। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো মামলা হওয়ার পর তদন্ত থেকে অভিযোগপত্র এবং বিচার পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা। কারণ কেবল শাস্তির মাত্রা বাড়ালেই চাঁদাবাজি বন্ধ হবে না। অপরাধীকে দ্রুত শনাক্ত এবং মামলা দ্রুত তদন্ত করতে হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি অনিবার্য হবে— এই নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। না হলে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তবে সংঘবদ্ধভাবে নিয়মিত মাসোহারা আদায়, বাজার-পরিবহন-নির্মাণ খাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক বা অন্য প্রভাব ব্যবহার করে পরিচালিত নেটওয়ার্ক এবং ডিজিটাল বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে চাঁদা আদায়ের বর্তমান ধরন বিবেচনায় আইনকে আরও আধুনিক ও সুনির্দিষ্ট করার প্রয়োজন আছে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা উচিত।

আগামীর সময়ের অনুসন্ধানে গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের ৫০টি থানার চাঁদাবাজির (দণ্ডবিধির ৩৮৫ ধারা) মামলার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই সময়ে শুধু উত্তরা পূর্ব থানায় এ-সংক্রান্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে অন্য ৪৯টি থানায় ৭২৩টি মামলা নথিভুক্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মোহাম্মদপুরে, এরপরে যাত্রাবাড়ী ও ডেমরার অবস্থান। মোট মামলার মধ্যে ৪২৫টির তদন্ত কার্যক্রম শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা হয়েছে। অন্য ২৯৮টি মামলা তদন্তাধীন। অর্থাৎ এখনো ৪১ শতাংশ মামলা রয়েছে তদন্তের পর্যায়ে। তবে বর্তমানে ভাসানটেক, গেন্ডারিয়া, নিউ মার্কেট ও উত্তরা পূর্ব থানায় কোনো মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় নেই। আর তদন্ত শেষ হওয়া মামলার মধ্যে ৩৬৫টিতে চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তবে ৬০টির অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে। সেক্ষেত্রে তদন্ত শেষ হওয়া ৮৫ শতাংশ মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগরের ৫০টি থানার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, মোহাম্মদপুরে ৫১টি মামলার মধ্যে ৩০টির অভিযোগপত্র ও চারটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ১৭টি মামলা তদন্তাধীন। আদাবরের ১৫ মামলার তিনটিতে অভিযোগপত্র ও চারটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো আটটি মামলা তদন্তাধীন। যাত্রাবাড়ীর ৪৪ মামলার ২৭টি এখনো তদন্তাধীন। তবে ১৪টি অভিযোগপত্র ও তিনটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ডেমরার ৩৯ মামলার ২৫টিতে অভিযোগপত্র ও তিনটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ১১টি মামলা তদন্তাধীন। হাতিরঝিলের ২৭ মামলার ১৪টিতে অভিযোগপত্র, তিনটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও ১০টি তদন্তাধীন। তেজগাঁও থানার ২৪ মামলার ১০টিতে অভিযোগপত্র ও ১৪টি তদন্তাধীন। মুগদার ১০ মামলার চারটিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। খিলগাঁও থানার ২৭ মামলার ১৬টিতে অভিযোগপত্র ও চারটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হলেও ৭টি মামলা তদন্তাধীন। গুলশানের ১৯ মামলার পাঁচটির অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ১৪টি তদন্তাধীন। বনানীর ১৩ মামলার তিনটিতে অভিযোগপত্র, পাঁচটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ধানমন্ডির ১১ মামলার চারটিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। হাজারীবাগের ৩০ মামলার ১০টিতে অভিযোগপত্র ও দুটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। তবে ১৮টি মামলা এখনো তদন্তাধীন। দক্ষিণখানে ১৮টি মামলা হলেও ১৫টির তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তবে পাঁচটি মামলা তদন্তাধীন। বিমানবন্দর থানার ১৩ মামলার মধ্যে তিনটির তদন্ত চলছে। তবে ১০ মামলায় অভিযোগপত্র জমা হয়েছে। উত্তরখানের দুই মামলার একটিতে অভিযোগপত্র ও আরেকটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। ভাটারা থানার ২৫ মামলার মধ্যে ৯টিতে অভিযোগপত্র, ৩টিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও ১৩টি তদন্তাধীন। বাড্ডার ১৪ মামলার ১২টির তদন্ত শেষ। এর মধ্যে ১০টিতে অভিযোগপত্র ও দুটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। মিরপুরে ২৫ মামলার ১৩টি তদন্তাধীন। তবে তদন্ত শেষে আটটির অভিযোগপত্র ও চারটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। শেরেবাংলার ১০ মামলার পাঁচটিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে চারটি মামলা তদন্তাধীন। শাহ আলীর পাঁচ মামলার চারটির তদন্ত শেষে তিনটিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। দারুস সালামে ২০ মামলার মধ্যে ১১টিতে অভিযোগপত্র, একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন এবং অন্য ৮টি মামলা তদন্তাধীন। পল্টনের ২৭ মামলার মাত্র পাঁচটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও এখনো ২২টি তদন্তাধীন।

শাহজাহানপুরে পাঁচ মামলার তিনটিতে অভিযোগপত্র ও দুটি তদন্তাধীন। মতিঝিলে আট মামলার পাঁচটি তদন্তাধীন ও তিনটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। শাহবাগের পাঁচ মামলার চারটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। অন্য একটি তদন্তাধীন। রমনার ১১ মামলার পাঁচটিতে অভিযোগপত্র, একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পল্লবীর ২৪ মামলার ১৩টিতে অভিযোগপত্র ও চারটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হলেও এখনো সাতটি মামলার তদন্ত চলছে। রূপনগরের ছয় মামলার চারটিতে অভিযোগপত্র ও দুটি তদন্তাধীন। কাফরুলের আট মামলার দুটি তদন্তাধীন। তবে চারটিতে অভিযোগপত্র ও দুটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। ভাসানটেকের এক মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। সূত্রাপুরের তিন মামলার একটিতে অভিযোগপত্র ও দুটি তদন্তাধীন। গেন্ডারিয়ার দুই মামলার দুটিতেই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ওয়ারীর ছয় মামলার দুটিতে অভিযোগপত্র, একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদ ও তিনটি তদন্তাধীন। ক্যান্টনমেন্টের সাত মামলার মধ্যে একটি তদন্তাধীন। তবে পাঁচটিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। খিলক্ষেতের ১১ মামলার মধ্যে সাতটিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। নিউ মার্কেটের তিন মামলার তিনটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। কলাবাগানের সাত মামলার চারটিতে অভিযোগপত্র ও তিনটি তদন্তাধীন। সবুজবাগের ১৬ মামলার ১২টিতে অভিযোগপত্র ও চারটি তদন্তাধীন।

রামপুরার ১৭ মামলার ৮টি তদন্তাধীন। তবে আটটিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের ১২ মামলার ছয়টিতে অভিযোগপত্র ও একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। কোতোয়ালির ১৫ মামলার ১১টিতে, বংশালের ৯ মামলার আটটিতে, লালবাগের চার মামলার দুটিতে ও চকবাজারের পাঁচ মামলার দুটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। কামরাঙ্গীরচরের ১৪ মামলার তিনটিতে অভিযোগপত্র, একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও ১০টি তদন্তাধীন।

কদমতলীর ১৪ মামলার ১০টিতে, শ্যামপুরের ৯ মামলার চারটিতে, তুরাগের আট মামলার সাতটিতে এবং উত্তরা পশ্চিম থানার ২৪ মামলার ২০টিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান আগামীর সময়কে বললেন, তদন্ত শেষে ৮৫ শতাংশ মামলায় চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে— এই তথ্য থেকে স্পষ্ট চাঁদাবাজির একটি বড় অংশ বাস্তব ভিত্তিসম্পন্ন। এটিকে বিচ্ছিন্ন অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের দণ্ডবিধিতে চাঁদাবাজিকে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এর জন্য বিভিন্ন মাত্রার শাস্তির বিধানও রয়েছে; সাধারণ চাঁদাবাজির পাশাপাশি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে। ফলে আইনে একেবারেই শাস্তির ঘাটতি রয়েছে, বিষয়টি এমন নয়। অপরাধের ধরন ও চক্রগুলো শনাক্ত করে বিশেষ নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন তদন্তাধীন মামলাগুলো নিয়মিত ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন রয়েছে।

চাঁদা দাবির অধিকাংশ মামলাতেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়াকে নিশ্চিতভাবেই উদ্বেগজনক মনে করছেন বিএনপির সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ। আগামীর সময়কে বললেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক সরকারের সময় এ ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক হওয়া জরুরি। চাঁদাবাজির মামলায় জামিন পাওয়া স্বাভাবিক, যদি না বিচার পর্যায়ে আসে। দ্রুত বিচার আইন, ২০০২ অনুযায়ী ৩০ কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন করতে হবে। আর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করার কথা। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত চাঁদাবাজির মামলাগুলোকে বিশেষভাবে সমন্বয় করে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া। এটা দ্রুত বিচারের আওতায় না আনলে চাঁদাবাজি বাড়বে এবং তারা জামিন পেয়ে একই কাজ করবে। দ্রুত শাস্তির আওতায় এলেই এই চাঁদাবাজি বন্ধ হবে।’

তদন্তাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে তদারকির কথা জানালেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী। তার ভাষ্য, ‘চাঁদাবাজি মামলায় আমরা আসামির জামিনের ক্ষেত্রে কঠোর বিরোধিতা করি। এক্ষেত্রে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছি। আর যেসব মামলায় এরই মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র এসেছে, সেইগুলো দ্রুত সময়ে বিচার কাজ শেষ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা এসব মামলায় সাজা নিশ্চিত করে চাঁদাবাজিতে জড়িতদের কঠোর বার্তা দিতে চাই। এ ছাড়া যেসব মামলা এখনো তদন্তাধীন, সেগুলো যাতে দ্রুত সময়ে প্রতিবেদন দেওয়া হয়, সেটাও তদারকি করা হচ্ছে।’

চাঁদাবাজিঅভিযোগসত্যঅন্ধকারনির্যাতনচার্জশিটমামলা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬  কর্মকর্তার

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬ কর্মকর্তার

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    রাজপথে বিএনপি, লক্ষ্য তিনটি

    রাজপথে বিএনপি, লক্ষ্য তিনটি

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা