বোধ হয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
নীলক্ষেত। ব্যস্ত ঢাকার এমন এক স্থান, যেখানে পাওয়া যায় নতুন, পুরনো, দেশি-বিদেশি, বাংলা-ইংরেজি হাজারো বই। এ জায়গার অলিগলি এক অর্থে টাইমক্যাপসুল; কেননা বইয়ের মাধ্যমে চাইলেই যাওয়া যায় যেকোনো দেশে, যেকোনো যুগে। শত শত বাক্য পড়ে ডুবে থাকা যায় নিজের পছন্দের চরিত্রে। তবে হাজারো সাহিত্য, কল্পকাহিনির ভিড়ে পুরনো বইয়ের দোকানে বোধহয় ইংরেজি গ্রামারের বইগুলো হবে প্রাচীন নিদর্শন। ধুলোমাখা সেই ‘সাবজেক্ট ভার্ব অ্যাগ্রিমেন্ট’-এর পাতা উল্টাতে গিয়ে নতুন প্রজন্ম তাকিয়ে থাকবে অবাক হয়ে। ভবিষ্যতে হয়তো ইংরেজি আর বিশ্বজয়ের তলোয়ার নয়, বরং পূর্ব যুগের স্মৃতিচিহ্ন। সাউথ আফ্রিকার স্টেলেনবশ বিজনেস স্কুলের ফিউচার রিসার্চ টিমের সদস্য ক্যারোলিন হালটনের বিশ্বাস ২০৫০ সালে কমে আসবে ইংরেজি ভাষার আধিপত্য। বর্তমান বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ ভাষার পূর্বাভাস নিয়ে ২০২৩ সালে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে একই দেশের অনলাইন পাবলিকেশন ডেইলি ম্যাভারিক।
হালটনের মতে, ভবিষ্যতে ভূ-রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল, নতুন প্রবৃদ্ধিশীল অর্থনীতি এবং পশ্চিমা ‘নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা’ নিয়ে প্রশ্ন তোলার ফলে কমতে পারে ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব। যুক্তরাজ্য সরকারের নতুন এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, এই পরিবর্তন রাতারাতি ঘটবে না। আগামী অন্তত এক দশক ধরে বিশ্বের সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা হিসেবে তার অবস্থান ধরে রাখবে ইংরেজি ভাষা (বর্তমানে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪৫ কোটি ৫২ লাখ)। এ ফলাফল উঠে এসেছে গবেষণায় ৪৯টি দেশের ৯২ জন নীতিনির্ধারক ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে।



