মানবিক মর্যাদাপূর্ণ ও বাসযোগ্য নগরের স্বপ্ন কতদূর!

সংগৃহীত ছবি
বুড়িগঙ্গার তীরে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা প্রায় চারশ বছরেরও বেশি পুরোনো সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে। ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে মুঘল সুবাহদার ইসলাম খাঁ ঢাকায় মুঘল বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। মুঘল, সুলতানি ও ব্রিটিশ আমলের নানা স্থাপত্য এবং সংস্কৃতির মিশ্রণে এই ঢাকা শহর।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের একটি অত্যন্ত জনবহুল ও ব্যস্ত মেগাসিটি। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু এই শহরে আধুনিক উচ্চচকমক ভবন, ফ্লাইওভার ও মেট্রোরেলের ছোঁয়া লাগলেও তীব্র যানজট, অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ এখানকার নিত্যদিনের প্রধান বাস্তব চিত্র। বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ ও দ্রুত বর্ধনশীল শহর এটি। অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে খালি জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে। ট্রাফিক জ্যাম ও শব্দদূষণ শহরের মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তোলে।
ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বাসযোগ্যতার সূচকে ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৭১তম। তীব্র যানজট, বায়ুদূষণ এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে বৈশ্বিক মানদণ্ডে ঢাকা কম বাসযোগ্য শহরের একটি। ঢাকার জীবনমানের প্রধান বিষয়গুলো হলো: নগরকেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি-বেসরকারি যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ, প্রশাসনিক কাজ, শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা প্রমোদ—সব কিছুর জন্যই ঢাকাকেই সকলে টার্গেট করে থাকেন। এককথায়, একমাত্র ঢাকা কেন্দ্রিকতার দরুন আজকে ঢাকার এই করুণ পরিণতি। এই শহর আজকে আমাদের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে।
বৈষম্যপূর্ণ উচ্চবিত্তের ঢাকা শহর! গরিবের দাম নাই অবাক শহরে!
ঢাকা একটি তীব্র বৈষম্যমূলক শহর। এখানে একদিকে গুলশান, বনানী বা বারিধারার মতো চকচকে উচ্চবিত্তের এলাকা রয়েছে, অন্যদিকে পুরান ঢাকা বা বস্তিগুলোতে বাস করে লাখো প্রান্তিক মানুষ। এই বৈষম্য জীবনযাত্রার মান, বাসস্থান ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে স্পষ্ট। এই শহরের একদিকে যেমন আলোঝলমলে জীবন, ঠিক তার বিপরীত পাশেই রয়েছে অন্ধকার, অব্যবস্থাপনা, দারিদ্র্য ও অযত্ন। নাগরিক জীবনের ন্যূনতম ছোঁয়া পায় না এই শহরের প্রায় ৫০ লক্ষ বস্তিবাসী ও নগর-দরিদ্র মানুষ। সার্বিক ব্যবস্থাপনা দেখে যেকোনো মানুষের সামনে প্রশ্নটি চলে আসবে—আসলে এই ঢাকা হলো উচ্চবিত্তের ঢাকা!
বাসা ভাড়া আইন কাগজে আছে, কাজে নাই!
নাগরিক জীবনের সবচেয়ে বড় ভোগান্তির নাম বাড়ি ভাড়া। যত্রতত্র যেকোনোভাবে অতিরিক্ত বাড়ি ভাড়া আদায় করা একটা নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, ১৯৯১ সালের বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন হয়েছে, কিন্তু কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে এর কোনো প্রয়োগ নেই বললেই চলে। ঢাকার অধিকাংশ বাসায় কোনো লিখিত চুক্তি ছাড়াই মৌখিকভাবে ভাড়া দেওয়া হয়; ফলে মালিকরা ইচ্ছামতো ভাড়া বাড়ান বা নোটিশ ছাড়া বাসা ছাড়তে বাধ্য করেন।
গণপরিবহন
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটে জর্জরিত। লক্কড়ঝক্কড় বাস, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, তীব্র যানজট এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ এই খাতের নিত্যদিনের চিত্র। মেট্রোরেল আংশিক স্বস্তি আনলেও সামগ্রিক বাস নেটওয়ার্ক এখনও বিশৃঙ্খল। ফিটনেসবিহীন বাসে সয়লাব। ত্রুটিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি চলাচল অব্যাহত রয়েছে; বাসের অভ্যন্তরে অপরিচ্ছন্নতা, বেশি আয়ের লোভে চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো, নির্দিষ্ট স্টপেজ না মানা, যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা করানো, তালিকা অনুযায়ী ভাড়া না নিয়ে ইচ্ছেমতো আদায় করাসহ হাজারো সমস্যা আমাদের গণপরিবহনের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায়। গণপরিবহনের জায়গায় অতিরিক্ত ব্যক্তিগত যানের কারণে ঢাকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
নগরীতে ছিনতাই, নাকি নগর ছিনতাই!
ছিনতাই, চাঁদাবাজি, খুন, দখলদারিত্ব, মাদক, সন্ত্রাস ঢাকা শহরের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি চক্র এই শহরকে দখলদারিত্বে পরিণত করেছে। আর রাজনৈতিক শক্তিগুলো এই শক্তিকে তাদের হীন কাজের স্বার্থে ব্যবহার করে থাকে। রাস্তায় বের হলেই প্রতিনিয়ত ছিনতাইসহ নানান সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কবলে পড়ে নগরবাসী। নগরের নিরাপত্তা প্রশ্নে বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় ৮২ দশমিক ৪ স্কোর নিয়ে সবচেয়ে নিরাপদ শহরের তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন। সবচেয়ে অনিরাপদ হিসেবে তালিকার একেবারে শেষে অবস্থান মিয়ানমারের ইয়াংগুন শহরের (তাদের স্কোর ৩৯ দশমিক ৫)। বিশ্বের নিরাপদ শহরের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৫৪তম। অর্থাৎ অনিরাপদ শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান সপ্তম।
পরিবেশ
ঢাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশ আজ চরম সংকটে। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, নদী ও খালের মৃত্যু, মাত্রাতিরিক্ত বায়ু ও শব্দদূষণ এবং সবুজ জায়গার অভাবে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল এই মহানগরী আজ বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। ঢাকা নিয়মিতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষস্থানে থাকে। বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণার (পিএম ২.৫) মাত্রা অতিরিক্ত থাকে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি, ইটভাটা এবং যত্রতত্র নির্মাণকাজের ধূলিবালি বাতাসকে বিষাক্ত করছে। গাছপালা ও জলাশয় কমে যাওয়ায় কংক্রিটের চাদরে ঢাকা শহরে তীব্র ‘হিট আইল্যান্ড’ বা উষ্ণতার প্রভাব তৈরি হয়েছে।
জল, জলাশয় সংকট, দখল ও দূষণ
বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর পানি চরম মাত্রায় দূষিত। শুষ্ক মৌসুমে এসব নদীতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা প্রায় শূন্যে নেমে আসে। এই নদীগুলোর দূষণের প্রধান কারণ হলো নদী তীরবর্তী জায়গাগুলোতে অপরিকল্পিত মিল-কারখানা স্থাপন এবং তাদের বর্জ্যগুলো অবাধে নদীতে ফেলা। বছরের পর বছর ধরে এমন হাজারো প্রতিষ্ঠান বুড়িগঙ্গাকে ধ্বংস করেছে আর এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকাকে ঘিরে থাকা চারটি নদীও ভয়াবহ সংকটে। রাজধানীর আশপাশের প্রায় ১৯টি প্রাকৃতিক খাল ও জলাশয় ভরাট করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। নাগরিক জীবনে নতুন এক ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে, তা হলো জলাবদ্ধতা। এ ছাড়া শব্দদূষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবসহ নানান সংকটে জর্জরিত এই নগরী।
জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ঢাকার জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থা মূলত সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে পরিচালিত। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মতো বৃহৎ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি এখানে অসংখ্য আধুনিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। তবে অতিরিক্ত জনঘনত্ব, সরকারি হাসপাতালে ভিড় এবং বেসরকারি খাতের উচ্চ ব্যয় ঢাকার চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসিএইচ), স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড), শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট সাধারণ মানুষের ভরসাকেন্দ্র। নামমাত্র মূল্যে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা পাওয়ার সুযোগ থাকলেও অতিরিক্ত রোগীর চাপ, দীর্ঘ লাইন এবং অনেক সময় প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি দেখা যায়। নগরের দরিদ্র ও অতিদরিদ্রদের কথা বিবেচনায় নিয়ে এখানে কোনো সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা পদ্ধতি গড়ে ওঠেনি।
গ্যাস সংকট
ঢাকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট ও চরম ভোগান্তির শেষ কবে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। এই তীব্র গ্যাস সংকটের দরুন জনজীবনে খুবই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলএনজি টার্মিনালগুলোর মেরামত কাজ শেষ হলে এবং আমদানির গতি স্বাভাবিক হলে পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতির আশা করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। অতীতের অব্যবস্থাপনা এবং অতিরিক্ত এলএনজি সরবরাহের ওপর নির্ভরতার দরুন এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
বিদ্যুৎ আসে আর যায়!
ঢাকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান রুগ্ন দশা তীব্র লোডশেডিং, গ্যাসস্বল্পতা এবং উৎপাদন ঘাটতিতে জর্জরিত। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছে না; যার ফলে রাজধানীসহ দেশজুড়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং রেকর্ড করা হচ্ছে এবং জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাসের দৈনিক সরবরাহ ১০০ কোটি ঘনফুট থেকে কমে প্রায় ৬৮ কোটি ঘনফুটে নেমেছে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেশ কিছু বড় প্রকল্পের উৎপাদন ব্যাহত ও ইউনিট বন্ধ থাকার ফলে এর প্রভাব পড়ছে দেশব্যাপী। অপরিকল্পিত জ্বালানি নীতি এবং পূর্বের ভুল ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির খেসারত দিতে হচ্ছে আজকে দাঁড়িয়ে। অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের ফলে শিল্পকারখানা ও সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
নগরে গরিবের ঘর নাই! পরিকল্পনাতেই সীমাবদ্ধ স্বপ্ন!
দীর্ঘদিন ধরে বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষরা তাদের স্থায়ী আবাসনের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে, কিন্তু এই ৫০ লক্ষ বস্তিবাসী ও ভাসমান মানুষের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাচ্ছে। বিগত কয়েকটি সরকার নগরের প্রান্তিক এই মানুষদের সাথে প্রতারণাই করে গেছে—কেউ উচ্ছেদ করেছে, কেউবা আশ্বাসের মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছে। কড়াইল বস্তিসহ ৫৮টি সম্ভাব্য এলাকায় প্রায় ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রকল্প ও পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা ও দাবি উঠেছে; যেখানে স্বল্প আয়ের মানুষের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কম ভাড়ায় বা কিস্তিতে ফ্ল্যাট বরাদ্দের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সেটার কোনো বাস্তবায়ন আমরা লক্ষ্য করছি না।
সিটি করপোরেশনের কাজের স্বরূপ সন্ধান!
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্নীতি ও লুটপাটের জায়গা হিসেবেই পরিচিত। একটি নগরের নাগরিকরা যে প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম সহযোগিতা পায় না, পায় না তাদের নাগরিক অধিকার—সেটি কখনোই জনবান্ধব সিটি প্রশাসন নয়। বরং দুর্নীতি, ঘুষ, অব্যবস্থাপনা, দখলদারিত্ব, উচ্ছেদের নামে হয়রানি, মেগাপ্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি—এটাই হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এর পরিবর্তন চায় নগরবাসী।
শেষের আগের কথা!
একটি বাসযোগ্য মানবিক ঢাকা শহর গড়ে তোলার প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, যানজট কমানো, নিরাপদ ও নারী-বান্ধব পরিবেশ, সুষ্ঠু গণপরিবহন, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা, জলাবদ্ধতা দূর করতে খাল ও জলাশয় উদ্ধার করে সব নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে সরকার ও সিটি প্রশাসন তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে পালনে বরাবরই উদাসীন।
একটি বাসযোগ্য, মানবিক ও মর্যাদাকর নগরের প্রধান শর্তই হলো সকলকে সমভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, কাউকে পেছনে ফেলে রাখা নয়। যে নগরে বৈষম্য থাকবে, সেটা কখনো মানবিক নগরী হতে পারে না। তাই একটি মানবিক বাসযোগ্য নগর গড়তে প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন। আর এ জন্য প্রয়োজন জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমন একটি নগর প্রশাসন, যারা প্রতিদিন নাগরিকদের কাছে জবাবদিহি করবে। আমরা এমনই একটা বাসযোগ্য নগর চাই।
লেখক: সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও সম্পাদক, পরিবেশ বার্তা
ইমেইল: [email protected]






