তবে

রাজবাড়ীর পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় জেলের জালে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের একটি প্রজাতির বাগাড় মাছ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে দৌলতদিয়া সাত নম্বর ফেরিঘাটের অদূরে জেলে সোনাই হালদারের জালে ধরা পড়ে মাছটি। শুধু সোনাই হালদারই নয়, বছরের নানা সময়েই দেশের বিভিন্ন এলাকার জেলের জালে ধরা পড়ে বিশাল বিশাল বাগাড়। পরে সেটির খবরও ছাপা হয়। মাছ কেনার সামর্থ্য যাদের নেই, তাদের অনেকে সে খবর পড়ে তৃপ্ত হন। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খোঁজ নেন, মাছের আকার কত? কত টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো?
কিংবা আস্ত মাছটির দাম কত?
তবে তাদের বেশিরভাগই হয়তো জানেন না, বাংলাদেশে প্রচলিত বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী বাগাড় একটি সংরক্ষিত ও মহাবিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী। আইনানুসারে এই মাছ শিকার, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন কিংবা ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। এ আইন অমান্য করলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
অবশ্য জেলে, মাছ বিক্রেতা কিংবা ক্রেতাদের অনেকেরই বিধানটি জানার কথা। কিন্তু তাদের কথায় সেটা মনে হয় না। আইন ভঙ্গের কারণে কোনো অপরাধবোধও নেই তাদের।
আইন প্রয়োগের বিষয়েও সংশ্লিষ্টরা উদাসীন। তারা কালেভদ্রে দু-একবার মাইকিং করেন। সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন। তবে জনবল সংকটের অজুহাতে অভিযান চালাতে পারেন না।



