হয়তো

আজ থেকে ছয় দশক পরের পৃথিবী। দেয়ালের ক্যালেন্ডারে উড়ছে ২০৮৮ সাল। প্রতিদিনের মতোই সকালে উঠেছেন এক তরুণ। আয়নার সামনে দাঁড়াতেই দেখলেন একজন বৃদ্ধ। চোখের নিচে গভীর ভাঁজ। চুলগুলো সব সাদা। চামড়া ঝুলে গেছে। ভয়ে কেঁপে উঠল ভেতরটা। চমকে গেলেন। থরথর করে কাঁপছে পুরো শরীর। প্রথমে ভাবেন হয়তো স্বপ্ন; কিন্তু না। আয়নার প্রতিচ্ছবি আসলে তার নিজেরই। কী অদ্ভুত! আগের রাতে ঘুমোতে গেলেন, তখন সব ঠিকঠাক। সকালেই বয়স বেড়ে তিন গুণ! কারণ খুঁজতে গিয়ে জানতে পারলেন এক নতুন অসুখে ধরেছে তাকে। ভয়ংকর ভাইরাস। দেহে ঢুকলে পলকেই বার্ধক্য! এমনই হবে নাকি পৃথিবীর ৬২ বছর পরের বাস্তবতা। এমন ভবিষ্যদ্বাণীই করেছেন বিশ্বখ্যাত ভবিষ্যৎ বক্তা বুলগেরিয়ার সেই অন্ধ নারী। ‘বাবা ভাঙ্গা’ নামেই যাকে এক নামে চেনেন সবাই। পুরো নাম ভ্যাঙ্গেলিয়া প্যানদেভা দিমিত্রোভা। বলা হয়ে থাকে, এক দুর্ঘটনায় দুচোখই হারান তিনি। তারপর থেকেই নাকি ভবিষ্যৎ দেখতে পান। ভক্তদের কাছে পশ্চিমের ‘বাল্কান নোস্ট্রাসামুস’। তার বেশ কয়েকটি ভবিষ্যদ্বাণী তোলপাড় করেছে বিশ্বকে। শতভাগ ফলে গেছে। এখন বাকি ২০৮৮ সালের ভাইরাস। এটি নাকি আরও ভয়াবহ।
বিজ্ঞান কী বলে
বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের মতে, এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি এমন মারাত্মক ভাইরাসের। তবে ‘প্রোজেরিয়া’ নামে একটি রোগ আছে। জিনগত কারণে হয়ে থাকে। শিশুরা আক্রান্ত হলে তাদের শরীরে চলে আসে বার্ধক্যের ছাপ। বলিউডের ‘পা’ সিনেমার গল্পের মতো। অল্প বয়সেই বুড়ো হয়ে যান তিনি! একটি ভয়ের বিষয়ও অবশ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। জিন পরিবর্তন বা জীববিজ্ঞানের গবেষণায় কোনো ভুল থেকে এমন ভাইরাসের জন্ম হতে পারে ভবিষ্যতে। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অগ্রসরের এ জগতে চাইলে ল্যাবেও এমন ভাইরাস তৈরি করতে পারেন যে কেউ।






