Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
জলবায়ুকর্মী অপু বিদেশের মঞ্চে
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কাজললেখা

এশীয় ও জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী আটকে আছে কোথায়?

পাভেল রহমান
পাভেল রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১২
শেয়ার করুন:
এশীয় ও জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী আটকে আছে কোথায়?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

প্রায় চার বছর বন্ধ রয়েছে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ‘দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী’। অন্যদিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন ‘জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী’ও ২০২৩ সালের পর আর অনুষ্ঠিত হয়নি। এ দুটি বড় আয়োজন কবে হবে, তা নিশ্চিত করে জানাতে পারছেন না একাডেমির কর্মকর্তারা। চারুকলা বিভাগের পরিচালক ও উপপরিচালক পদে নেই কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। শিল্পকলায় মহাপরিচালক পদেও মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনগুলো নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

বাংলাদেশের চিত্রকলাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরের শিল্পচর্চার সঙ্গে দেশের শিল্পীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৮১ সাল থেকে দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে শিল্পকলা একাডেমি। করোনার কারণে বিরতির

চারুকলাআটকেচিত্রকলাশিল্পচর্চাশিল্পকলা একাডেমিপ্রদর্শনীকাজললেখা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

    মুচলেকায় মুক্ত সাংবাদিক রাজীব ঘোষ

    মুচলেকায় মুক্ত সাংবাদিক রাজীব ঘোষ

    হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    পর
    ২০২২
    সালের
    ডিসেম্বরে
    শুরু
    হয়ে
    ২০২৩
    সালের
    জানুয়ারি
    পর্যন্ত
    অনুষ্ঠিত
    হয়
    ১৯তম
    এশীয়
    দ্বিবার্ষিক
    চারুকলা
    প্রদর্শনী।
    এতে
    বাংলাদেশসহ
    ১১৪টি
    দেশের
    ৩৯৪
    জন
    শিল্পী
    অংশ
    নেন।
    প্রদর্শিত
    হয়
    তাদের
    ৬৪৯টি
    শিল্পকর্ম।

    দ্বিবার্ষিক এ প্রদর্শনীর ২০তম আসর আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে ১ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত দুই মাসব্যাপী ‘২০তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী ২০২৪’ আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের জন্য ২২ বছরের ঊর্ধ্বে জাতীয় পর্যায়ে ন্যূনতম দুটি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চারুশিল্পীদের নিবন্ধন ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়। তবে ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রদর্শনীটি আর অনুষ্ঠিত হয়নি।

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক পদে যোগ দিয়েছিলেন মোস্তফা জামান। কেন আয়োজন সম্ভব হয়নি, জানতে চাইলে তিনি আগামীর সময়কে বললেন, ‘আমি দায়িত্বে থাকার সময় চেষ্টা করা হয়েছিল এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীটি আয়োজন করার। কিন্তু সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে এটি করা সম্ভব হয়নি। আমরা চিঠিও দিয়েছি, কোঅর্ডিনেটর নিয়োগের জন্য নামও পাঠিয়েছি। কিন্তু মন্ত্রণালয় কোঅর্ডিনেটর নিয়োগ করেনি। শিল্পকলার পরিচালক পদে আমি যোগ দিয়েছিলাম, তখন সৈয়দ জামিল আহমেদ মহাপরিচালক পদে ছিলেন। জামিল আহমেদ পদত্যাগ করার পর মন্ত্রণালয়ের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে শিল্পকলা। আমারও মনে হচ্ছিল, আমি শিল্পকলার পরিচালক। কিন্তু শুধু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পালনের চাপ আসতে থাকে। পরে আমিও শিল্পকলার পরিচালক থেকে পদত্যাগ করি।’

    ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন) এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান। রেজাউদ্দিন স্টালিন আগামীর সময়কে বললেন, ‘আমি তো এক বছরের জন্য দায়িত্বে ছিলাম। এ ধরনের বড় আয়োজনের প্রস্তুতি নিতেই এক বছর লেগে যায়। তারপরও আমি দায়িত্বে থাকার সময় চেষ্টা করেছিলাম। তবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।’ মহাপরিচালক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও বেশি সময় দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। রেজাউদ্দিন স্টালিন বললেন, ‘কমপক্ষে তিন বছর মেয়াদ না হলে কোনো কাজের পরিকল্পনা করা যায় না।’

    তার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় মহাপরিচালকের পদটি শূন্য হয়। চলতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ওই পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহা. হারুন-অর-রশীদ। তাকে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে শিল্পকলা একাডেমির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মহাপরিচালক সাধারণত রুটিন দায়িত্ব পালন করেন। এ ধরনের বড় আয়োজন করতে হলে নিয়মিত মহাপরিচালক প্রয়োজন।

    এদিকে শিল্পকলা একাডেমির আরেকটি বড় আয়োজন ‘জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী’ও তিন বছর ধরে হচ্ছে না। স্বাধীনতার পর নবীন-প্রবীণ শিল্পীদের শিল্পকর্মের মূল্যায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এ প্রদর্শনীর আয়োজন শুরু করে। একাডেমি প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭৫ সালে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় ‘জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী’। দেশের নবীন ও প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের সৃষ্টিশীল কাজ একই ছাদের নিচে নিয়ে আসা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে শিল্পের সংযোগ তৈরি এবং সমকালীন শিল্পের গতিপ্রকৃতি নথিবদ্ধ করা এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। চার দশকের বেশি সময়ের ইতিহাসে জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের চারুকলার আধুনিক থেকে সমসাময়িক ধারার রূপান্তর প্রতিফলিত হয়েছে। শুরুতে তেলরঙ, জলরঙ, অ্যাক্রিলিক, ভাস্কর্য, ড্রয়িং ও ছাপচিত্রের মতো প্রথাগত মাধ্যমের পাশাপাশি প্রাচ্যকলা, মৃৎশিল্প, বয়নশিল্প ও কারুশিল্প স্থান পেয়েছে। নব্বইয়ের দশকের পর এবং বিশেষ করে একবিংশ শতাব্দীতে স্থাপনা শিল্প, ভিডিও আর্ট, নিউ মিডিয়া আর্ট ও আলোকচিত্রের অন্তর্ভুক্তি ঘটে। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত ২৫তম জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে সময়ভিত্তিক শিল্পমাধ্যম হিসেবে পারফরম্যান্স আর্টকে আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দেশের প্রাতিষ্ঠানিক চারুকলার ইতিহাসে এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। তবে ২০২৩ সালের পর জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীর আর কোনো আসর অনুষ্ঠিত হয়নি। এদিকে প্রথম আসর ‘এশিয়ান আর্ট বাংলাদেশ ১৯৮১’ ওই বছরের ৪ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। ১৯৮৩ সালে দ্বিতীয় আসরে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ‘এশিয়ান আর্ট বিয়েনালে বাংলাদেশ’ নাম গ্রহণ করা হয়। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে অনুষ্ঠিত পঞ্চম থেকে দশম আসরে এশীয় অঞ্চলের সমসাময়িক নিরীক্ষাধর্মী শিল্পকর্ম, প্রিন্টমেকিং, ভাস্কর্য এবং আধুনিক দৃশ্যকলার সঙ্গে স্থানীয় ঐতিহ্যের মেলবন্ধন গুরুত্ব পায়। ২০১০ সালে ১৪তম আসরে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২৭টির বেশি দেশের শিল্পীরা অংশ নেন। ২০১২ সালে ১৫তম আসর থেকে এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে ইউরোপ, আফ্রিকা ও আমেরিকার শিল্পীদের জন্যও প্রদর্শনী উন্মুক্ত করা হয়। ২০১৮ সালে ১৮তম আসরে ৬৮টি দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি পারফরম্যান্স আর্টের বিশেষ প্ল্যাটফর্ম ও কিউরেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    চারুকলা বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বছরও এই দুটি বড় প্রদর্শনী আয়োজনের কোনো প্রস্তুতি নেই শিল্পকলার।