কাজললেখায় সেলিম মোরশেদ

কাজললেখায় কথাসাহিত্যিক সেলিম মোরশেদ ও উপস্থাপক শিমুল সালাহ্উদ্দিন (বাঁয়ে)। ছবি : আগামীর সময়
বাংলা কথাসাহিত্যের প্রতিষ্ঠানবিরোধী ধারার অন্যতম প্রধান লেখক ও কথাসাহিত্যিক সেলিম মোরশেদ অতিথি হয়েছেন আগামীর সময়ের ডিজিটাল সাহিত্য আয়োজন ‘কাজললেখা’য়। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আগামীর সময়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হয় ‘কাজললেখা’র এ পর্বটি।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন কাজললেখার সম্পাদক এবং আগামীর সময়ের হেড অব ক্রিয়েটিভ, রিসার্চ অ্যান্ড ইভেন্টস শিমুল সালাহ্উদ্দিন। এই পর্বে সেলিম মোরশেদ শুক্রবারের কাজললেখায় প্রকাশিত পাভেল রহমানের প্রতিবেদন ‘ঘোষণা আছে, পুরস্কার নাই’ প্রসঙ্গে তার পুরস্কার গ্রহণ ও বর্জনের অভিজ্ঞতা, নিজের দীর্ঘ ও বিচিত্র জীবনপথ, বাংলাদেশের ছোটকাগজ আন্দোলনে নিজের ভূমিকা এবং বাংলা গল্প-উপন্যাসের গতানুগতিক ছক ভাঙার নিরীক্ষা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
ঝরাপাতার সংসার
২৮ আগস্ট ২০২৬
১৯৬২ সালে যশোরে জন্ম নেওয়া সেলিম মোরশেদের শৈশব-কৈশোর কেটেছে দেশের বহু শহরে, বাবার কর্মস্থল বদলির সূত্রে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে যশোর প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই লেখক সাংবাদিকতা, জুতো কারখানার নির্বাহী, এমনকি যক্ষ্মারোগ প্রকল্পের মাঠকর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন। তবে সব পেশার ঊর্ধ্বে উঠে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নির্মম নিরপেক্ষ মহাকাল ও টুকরো হয়ে যাওয়া সময়ের এক অনন্য কথাশিল্পী হিসেবে।
তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘কাটা সাপের মুণ্ডু’ এবং উপন্যাস ‘সাপলুডু খেলা’ দুই বাংলাতেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষত ‘কাটা সাপের মুণ্ডু’ সহ তার একাধিক গল্প ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পাঠ্যসূচিতে দীর্ঘদিন ধরে অন্তর্ভুক্ত।
অনুষ্ঠান সূত্র জানিয়েছে, সাহিত্যে সেলিম মোরশেদের দর্শন— ‘আমরা যেন কখনো অ্যান্টি-পিপল না হই’ কিংবা ‘প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা পুরো জীবন দেখার একটি মনোভঙ্গি’— এমনই নানা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে এবারের পর্বে।
বাংলা সাহিত্যের বিরুদ্ধ স্রোতধারার এই অকুতোভয় মশালচির কলমযুদ্ধ ও জীবনবোধের খুঁটিনাটি জানতে দর্শকদের জন্য শুক্রবারের এই ডিজিটাল আয়োজন বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা নির্মাতাদের। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন লিটু হাসান। সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন ডিজিটাল বিভাগের আপেল মাহমুদ।




