Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
জৌলুশ ছেড়ে গ্রামের স্কুলে নায়লা
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় টো টো কোম্পানি

লম্বু খালের রোমাঞ্চ পেরিয়ে ম্রোপাড়ায়

তৌহিদ জসি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৬
লম্বু খালের রোমাঞ্চ পেরিয়ে ম্রোপাড়ায়

রুইতনপাড়ার জুমঘরে কয়েকটি ম্রো শিশু। ছবি: লেখক

পাহাড়ের বুক চিরে কুয়াশাচ্ছন্ন সবুজের মাঝে এক মায়াবী পাড়া— রুইতন। বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ৪ নম্বর কুরুপপাতা ইউনিয়নের নির্জন এক পাহাড়ি কোলে যার অবস্থান। এখানে পৌঁছানোর জন্য বেশ কয়েকটি পথ থাকলেও সবচেয়ে রোমাঞ্চকরটি হলো লম্বু খাল ধরে এগিয়ে যাওয়া। অভিযাত্রার শুরুটা হয় আলীকদমের আমতলী ঘাট থেকে। সেখান থেকে নৌকায় চেপে দোল খেতে খেতে পৌঁছাতে হয় দলুঝিরি। সেখান থেকেই শুরু হয় মূল হাঁটা পথ। পথে পাহাড়ি জীবনের চিরচেনা রূপ নিয়ে ভেসে ওঠে তিনটি ভিন্ন পাড়ার মুখ। তবে এই ভ্রমণের আসল রোমাঞ্চ অপেক্ষা করে লম্বু খালে।

সংকীর্ণ এই খাল যতটা সুন্দর, ততটাই ভয়ংকর। পুরো পথের বেশিরভাগই খালের জল মেপে এগোতে হয়। কিছু জায়গায় বুকসমান পানি ভেঙে পথ চলতে হয়। ভরা বর্ষায় পাহাড়ি ঢলে হঠাৎ করেই খালের পানি ফুঁসে ওঠে। খালের দুই পাশে সোজা খাড়া পাহাড়, কোনোমতে উঠে দাঁড়ানোর কিংবা আশ্রয় নেওয়ার মতো তিল পরিমাণ জায়গা নেই।

গত বর্ষার এক দিনে বিপাকে পড়তে হয়েছিল লম্বু খালে। ঢলে ফুঁসে ওঠা খালের পাশে চুপচাপ বসে পানির তীব্রতা কমার প্রহর গুনছিলাম। পানি কিছুটা শান্ত হতেই মনে ভয়ে ভয়ে আবার নামলাম খালে। সূর্য ডুবতে বসেছে, নামছে আঁধার। খালের জল পেরিয়ে দ্রুত পৌঁছাতে হবে পাড়ায়, নইলে আঁধারে পথ হারিয়ে তলিয়ে যাওয়ার ভয়। কোনোমতে শরীর ভিজিয়ে, ধুঁকতে ধুঁকতে চলে এলাম খালের শেষ প্রান্তে। সেখানে জল জমে থাকা এক অপরূপ কুম বা জলাধারে গোসল সেরে পাহাড়ের খাড়া ঢাল বেয়ে উঠতে লাগলাম রুইতনপাড়ার দিকে।

পাড়ার একদম কোল ঘেঁষেই খালের অবস্থান। পাহাড়ের এই ম্রোপাড়াটির মূল পানির উৎস এই লম্বু খালই। খাবারের পানি নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজ— পানির জন্য নেমে আসতে হয় পাড়ার বেশ অনেকটা নিচে, এই খালের তলদেশে।

২৫ থেকে ৩০টি বাঁশ ও ছনের তৈরি ঘর নিয়ে গড়ে উঠেছে রুইতনপাড়া

ম্রোদের রাত যেন খালের সঙ্গে বাঁধা। রাতের অন্ধকারে দাদাদের সঙ্গে টর্চের আলো জ্বেলে খালে নেমে পড়ার অভিজ্ঞতা দুর্দান্ত। সেই আলোয় স্বচ্ছ পানিতে ধরা পড়ে প্রচুর প্রাকৃতিক চিংড়ি ও কাঁকড়া।

২৫ থেকে ৩০টি বাঁশ ও ছনের তৈরি ঘর নিয়ে গড়ে উঠেছে এই প্রাচীন রুইতনপাড়া। বহুদূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন থরে থরে সাজানো পুতুলঘর! পাড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা বেশ পুরনো সব ফলগাছ দেখলেই বোঝা যায়, বহু প্রজন্ম ধরে এখানে মানুষ বসবাস করছে। এই পাড়ার প্রতিটি পরিবারই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। পাড়ায় পা রাখার পর সোজা গন্তব্য থাকে আমার প্রিয় বন্ধুর ঘর।

পাহাড়ি জীবনের সকাল শুরু হয় মোরগের ডাকে। ভোরের আলো ফোটার আগেই নারীদের ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠেই তারা পাহাড় ভেঙে নিচে নেমে যান পানি তুলতে। সেখান থেকে ফিরে ঝটপট রান্না ও সকালের খাবার শেষ করে পিঠে থ্রোং (পাহাড়ি ঝুড়ি) বেঁধে দলবেঁধে রওনা হন জুমের পথে।

আমিও বাদ যাইনি। সকালে পেট পুরে খাবার খেয়ে দাদাদের সঙ্গে রওনা হলাম জুমের উদ্দেশে। দুপুরের খাবারের জন্য প্রত্যেকেই মুড়ে নিয়েছি কলাপাতায় রাখা ভাত। পাড়া থেকে কিছুটা দূরের সেই জুমে পৌঁছে দেখি জুমঘর তৈরি হয়ে গেছে। ফসল ঘরে তোলার আগের দিনগুলো পর্যন্ত মানুষ এই জুমে অবস্থান করবে। সারা দিন জুমের হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে সন্ধ্যায় আবার পাড়ায় ফিরে আসা। এরপর খালের ঠান্ডা জলে গোসল সেরে তৃপ্তির সঙ্গে সান্ধ্যকালীন খাবার গ্রহণ। পাহাড়ের মানুষ সাধারণত সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে রাতের খাবার সেরে নেয়।

আধুনিকতার ছোঁয়া এখনো এই পাড়াকে স্পর্শ করেনি। নেই ধান মাড়াইয়ের কোনো আধুনিক মেশিন। তারা কাঠ বা গাছের গুঁড়ি খোদাই করে গর্ত বানিয়ে এবং কাঠের তৈরি বিশেষ ঢেঁকির সাহায্যে হাতেই ধান মাড়াই করেন। শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য রয়েছে ছোট্ট একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রয়োজনীয় বাজারসদাই আর জুমের কষ্টার্জিত ফসল বিক্রি করতে তারা হেঁটে চলে যান কুরুপপাতা বাজারে। কেউ কেউ জুম চাষের পাশাপাশি গরু ও গয়াল পালেন।

যেভাবে যাবেন: প্রথমে বাসে ঢাকা থেকে যেতে হবে আলীকদম উপজেলায়। তারপর অটোরিকশায় পৌঁছাবেন আমতলী ঘাটে। সেখান থেকে নৌকায় এবং হেঁটে রুইতনপাড়ায়।

 

বান্দরবানআলীকদমরইতনপাড়াম্রোপাড়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট