Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় টো টো কোম্পানি

পাহাড়ি নীরবতায় নীলপদ্মের হাতছানি

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ১৭:৫৪
পাহাড়ি নীরবতায় নীলপদ্মের হাতছানি

মাধবপুর লেকের শান্ত জলে অজস্র নীল পদ্ম। ছবি: আগামীর সময়

´বনের ফুল যাহারা ভালোবাসে না, সুন্দরকে চেনে না, দিক বলয় রেখা যাহাদের কখনো হাতছানি দিয়া ডাকে নাই, তাহাদের কাছে এই পৃথিবী ধরা দেয় না কোনোকালেই।’

উক্তিটি কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বলেছেন আরণ্যক উপন্যাসে। প্রকৃতি ও মানুষের সংমিশ্রণ বোঝাতে তার এ কথা। আর তা অনুভব করতে যেতে হবে প্রকৃতির কোলে। 

কর্মব্যস্ত জীবনে অপার্থিব জগতের অপার এই অনুভূতি মিলবে চায়ের দেশ মৌলভীবাজারের মাধবপুর লেকে। সেখানে ফুটে থাকা হাজারো নীল পদ্ম বিভূতিভূষণের বনের ফুলের মতোই মায়াবী।

কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের এই লেক যেন এক প্রাকৃতিক বিস্ময়। পাহাড়ি টিলা, গহীন অরণ্য আর টলটলে জলের মিতালি দেখতে প্রতি বছর হাজারো পর্যটক ভিড় জমান এই চা-বাগানের কোল ঘেঁষে জেগে থাকা হ্রদটিতে।

মাধবপুর লেকে যাওয়ার পথটি নিজেই একটি ভ্রমণের অংশ। ন্যাশনাল টি কোম্পানির মাধবপুর চা-বাগানের ভেতর দিয়ে সর্পিল পথ ধরে এগোতে থাকলে দুপাশে দেখা যায় সবুজের গালিচা। উঁচু-নিচু টিলা আর সুশৃঙ্খল চা-গাছের সারি চোখকে দেয় প্রশান্তি। সেই সবুজের বুক চিরে হঠাৎ সামনে ভেসে ওঠে টলটলে শান্ত জলের বিশাল এক আধার জানান দেয়— এই তো মাধবপুর লেক।

প্রথম দেখাতেই নজর কাড়ে এর বুকে ফুটে থাকা অজস্র নীল পদ্ম। সকালের রোদে দেখলে মনে হয় যেন আকাশের নীল রঙ চুইয়ে পড়েছে লেকের জলে।

স্থানীয়রা একে চেনে ‘জলপদ্ম’ নামে। লেকের দুই পাশে উঁচু পাহাড়, মাঝখানে এই পদ্মশোভিত জলরাশি মেলে ধরে এক অপার্থিব দৃশ্য।


লেকের চারপাশের পাহাড়ে ওঠার জন্য আছে সিঁড়ি বা হাঁটার পথ। টিলার ওপর থেকে পুরো লেক দেখলে মনে হয় যেন এক টুকরো স্বর্গ।

কোলাহলের বদলে এখানে কেবল পাখির কিচিরমিচির আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ। নীল জল আর সবুজের মিশেল ক্যামেরার লেন্সে ধরা দেয় মোহনীয় রূপে।

লেকটি চা-বাগান কর্তৃপক্ষের অধীনে, তাই ভেতরে কোনো প্লাস্টিক বা আবর্জনা ফেলায় আছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। লেকের পানি বেশ গভীর, তাই সাঁতার না জানলে নামা যাবে না ভুলেও।

চা-বাগানের সতেজ ঘ্রাণ আর নীল পদ্মের মায়া কাটিয়ে ফিরলেও প্রকৃতিপ্রেমীদের আচ্ছন্ন করে রাখে একমুঠো প্রশান্তি।

যেভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে প্রথমে পৌঁছাতে হবে কমলগঞ্জের ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশন। সেখান থেকে জিপ (চাঁদের গাড়ি) বা সিএনজি অটোরিকশা রিজার্ভ করে যাওয়া যাবে মাধবপুর লেক পর্যন্ত। বাসে ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গল আসলেও লেক পৌঁছাতে মিলবে জিপ (চাঁদের গাড়ি) বা অটোরিকশা।

মৌলভীবাজারমাধবপুর লেকনীল পদ্মকমলগঞ্জ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: