সহজ ভাষায়
হলোগ্রাফিক প্রযুক্তি

হলোগ্রাফিক প্রযুক্তিতে লেজার রশ্মির সাহায্যে আলোর তীব্রতার পাশাপাশি তার গভীরতা বা বিন্যাসও রেকর্ড করা হয়।
কোনো বস্তুর আলোকরশ্মির প্রতিফলনকে ব্যবহার করে বাতাসে বা শূন্যস্থানে তার হুবহু ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) রূপ ফুটিয়ে তোলার প্রযুক্তিই হলো হলোগ্রাফিক প্রযুক্তি। সহজ কথায়, কোনো চশমা বা পর্দা ছাড়াই যখন চোখের সামনে কোনো মানুষ বা বস্তুর একটি জীবন্ত ও ত্রিমাত্রিক রূপ ভেসে ওঠে, তখন তাকে হলোগ্রাম বলে।
সাধারণ ছবি বা ভিডিও হলো দ্বিমাত্রিক (টুডি), যা কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দেখায়। কিন্তু হলোগ্রাফিক প্রযুক্তিতে লেজার রশ্মির সাহায্যে আলোর তীব্রতার পাশাপাশি তার গভীরতা বা বিন্যাসও রেকর্ড করা হয়। ফলে তৈরি হওয়া ছবিটি কোনো সমতল পর্দা ছাড়াই শূন্যে ভেসে থাকে এবং এর চারপাশ ঘুরে বাস্তব বস্তুর মতোই সব দিক থেকে দেখা যায়।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে জটিল অস্ত্রোপচারের নকশা তৈরি, শিক্ষাক্ষেত্রে জটিল বিষয়কে জীবন্তভাবে উপস্থাপন এবং বিনোদন জগতে মৃত তারকাদের কনসার্টে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি অভাবনীয় পরিবর্তন আনছে। হাঙ্গেরিয়ান-ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেনিস গাবর ১৯৪৭ সালে প্রথম এই ধারণার অবতারণা করেন। ১৯৭১ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান।




