এআই ডেকে আনবে বিনাশ!

সংগৃহীত ছবি
চলছে ২০২৬ সাল। একবিংশ শতাব্দী। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটু ঢুঁ দিলেই মনে হবে বিশ্ব সেই আশির দশকেই আছে এখনো। সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকের নিউজফিডে ছড়িয়ে পড়েছে ‘এইট্টিস ফটো ট্রেন্ড।’ নেটিজেনরা নিজেদের ছবি ও প্রম্পট চ্যাটজিপিটিকে দিয়ে বলছেন তাদের ৮০ দশকের মতো বানিয়ে দিতে। বর্তমান সময়ে অতীতের জীবনের সঙ্গে সংযোগ হওয়ার একটুখানি প্রচেষ্টা যেন! নস্টালজিয়া এবার এলো ফেসবুক ট্রেন্ড হয়ে। পুরনো দিনের স্মৃতি, না ভুলেও ভুলে যাওয়া অনেক ঘটনা; সবাই যখন এআই দিয়ে ৮০ দশকের ছবিতে ক্ষণিকের সুখ খুঁজে নিচ্ছেন, ঠিক তখনই একটি বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশ করেছে এআই নিরাপত্তা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যান্থ্রপিকের গবেষক ইভান হুবিঙ্গার।
আগামী এক দশকের মধ্যে এআই যে ‘সমস্ত মানুষকে মেরে ফেলতে পারে’, তার সম্ভাবনা ১০ শতাংশেরও বেশি বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ইভান গত মঙ্গলবার নিজের এক্সে লিখেছেন এমন ভয়ংকর ভবিষ্যতের কথা। তার এই পোস্ট আসার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রতিষ্ঠানটির আরও একজন কর্মী জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘আমাদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে’। এমন আশঙ্কার কারণে কোম্পানি ছেড়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ইভানের মতে, এআই মডেলের কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি এতদিন অনেক ‘সামান্য’ ছিল। তবে শিগগিরই এসব প্রযুক্তি এমন পর্যায়ে বিকশিত ও উন্নত হয়ে উঠতে পারে যা মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বর্তমানের এআই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে হয়ে উঠবে ‘সুপারহিউম্যান সিস্টেম’। এগুলো পারবে যেকোনো তথ্য যেকোনো জায়গা থেকে হ্যাক করতে। সঙ্গে আরও পারবে, যেকোনো ক্ষেত্রে রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা এবং প্রকৃত ক্ষমতা ও সম্পদ অর্জন করতে। এআই মানবজাতির অস্তিত্বের বিলুপ্তির ঝুঁকি তৈরি করছে, সেটিই ইভানের পোস্টের সবচেয়ে ভীতিকর অংশ। এক্সে তার এই পোস্টটি দেখা হয়েছে ১ কোটিরও বেশিবার। তাহলে চ্যাটজিপিটিসহ আরও অনেক এআই মডেল ব্যবহার করে নস্টালজিয়ায় ভেসে থাকা কি বিনাশ ডেকে আনায় একটু হলেও অবদান রাখবে।





