চিপের দাম বৃদ্ধিতে চাপে অ্যাপল

সংগৃহীত ছবি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ডেটা সেন্টারগুলোর সঙ্গে বাড়তি প্রতিযোগিতার কারণে মেমোরি চিপের সরবরাহ সংকটে পড়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। একই সঙ্গে মেমোরি চিপের দাম নজিরবিহীনভাবে বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির মুনাফার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে চিপের দাম আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক সম্মেলনে অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাস বললেন, মেমোরি চিপের দামের বর্তমান পরিস্থিতি নজিরবিহীন। চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে এর ব্যয় আগের তিন মাসের তুলনায় আরও বেশি হতে পারে। এ ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে লেনদেন-পরবর্তী সময়ে অ্যাপলের শেয়ারের দাম ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে যায়।
এদিকে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আয় করেছে অ্যাপল। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ২৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি। শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ দশমিক ১০ ডলার। রাজস্বও ১২ শতাংশ বেড়ে ১১৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল, রাজস্ব ১১৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার এবং শেয়ারপ্রতি আয় ১ দশমিক ৯৯ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, আইফোন বিক্রি ও ম্যাক মিনি কম্পিউটারের চাহিদা রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চীনের বাজারেও প্রবৃদ্ধি ছিল শক্তিশালী। তবে আইপ্যাড ও পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিপণ্যের বিক্রি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
মেমোরি চিপের বাড়তি ব্যয়ের কিছুটা প্রভাব সামাল দিতে জুনে আইপ্যাড ও ম্যাকবুক এবং সেপ্টেম্বরে আইফোনের দাম বাড়িয়েছিল অ্যাপল।



