আজব হলেও গুজব নয়

সংগৃহীত ছবি
গোয়কচিয়া-কাণ্ড
আর্জেন্টিনার সাবেক গোলকিপার সার্জিও গোয়কচিয়ার ‘লাকি চার্ম’ ছিল পেনাল্টি শুটআউটের আগে মাঠেই প্রস্রাব করা! ১৯৯০ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলার অন্যতম নায়ক ছিলেন গোয়কচিয়া। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিস হয়েছে যে তিন গোলকিপারের বিপক্ষে, তাদের একজন গোয়কচিয়া। তবে গোয়কচিয়াকে আলাদা করে তোলে আরেকটি তথ্য। বিশ্বকাপে তিনি দুইবার ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী পেনাল্টি সেভ করেছিলেন। ১৯৯০ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে এবং সেমিফাইনালে ইতালির বিপক্ষে তার সেই সেভগুলো আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে পৌঁছে দেয়। এই সাফল্যের পেছনে তিনি নিজে খুঁজে পেয়েছিলেন এক অদ্ভুত কারণ।
গোয়কচিয়ার ভাষায়, ‘এটি ছিল আমার সৌভাগ্যের প্রতীক। প্রতিটি শুটআউটের আগে আমি সেটি করতাম। খুব সতর্কতার সঙ্গে করতাম।’
ক্লোরোফর্মে কাবু ফিজিও!
উরুগুয়ের মন্টেভিডিওতে অনুষ্ঠিত ১৯৩০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও আর্জেন্টিনা। ম্যাচের এক পর্যায়ে একজন মার্কিন খেলোয়াড় গুরুতর আঘাত পান। তাকে চিকিৎসা দিতে মাঠে ছুটে আসেন দলের ট্রেনার ও ফিজিও জ্যাক (জক) কল। কিন্তু বিপত্তি ঘটে মাঝপথেই। দৌড়ে আসার সময় তার চিকিৎসার ব্যাগ হাত থেকে পড়ে যায়। তখনই ব্যাগের ভেতরে থাকা একটি ক্লোরোফর্মের বোতল ভেঙে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই অজ্ঞান হয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন ফিজিও।
অধিনায়কের হাতে হাতকড়া!
মেক্সিকো বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইংল্যান্ড দল ১৯৭০ সালের মে মাসে তারা কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতায় অবস্থান করছিল। একদিন হোটেল টেকেনদামার ভেতরের একটি গয়নার দোকানে সতীর্থ ববি চার্লটনের সঙ্গে ঘুরতে যান ববি মুর। কিছু না কিনেই তারা দোকান ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।
কিছুক্ষণ পরই দোকানের এক কর্মচারী অভিযোগ করেন, একটি মূল্যবান পান্নাখচিত ব্রেসলেট হারিয়ে গেছে এবং সেটি নাকি ববি মুর নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় মুরকে আটক করা হয়। শেষ পর্যন্ত তদন্তে ববি মুরের বিরুদ্ধে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয় এবং তিনি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেন।




