শেষ খেলা যেখানে

নিউ জার্সি শহর
ফুটবল দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মহারণ দেখতে প্রস্তুত হচ্ছে নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের মেটলাইফ স্টেডিয়াম। বিশ্বমঞ্চে এটি এখন ‘নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সি স্টেডিয়াম’। ১৯ জুলাই, ২০২৬-এ এখানেই নির্ধারিত হবে কার মাথায় উঠবে ফুটবলের বিশ্বসেরা মুকুট।
আমেরিকার চিরাচরিত আমেরিকান ফুটবলের (এনএফএল) মাঠটি এখন সেজে উঠছে গ্লোবাল ‘সকার’ বা আমাদের চিরচেনা ফুটবলের রঙে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ম মেনে এর টার্ফ বা ঘাসের মাঠে আনা হচ্ছে আমূল পরিবর্তন।
নিউ জার্সি আর নিউ ইয়র্ক সবসময়ই অভিবাসীদের চারণভূমি। ফলে লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ আর আফ্রিকার ফুটবলপ্রেমী মানুষ এ মাটিকে ফুটবলের এক মিনি-গ্লোব বানিয়ে তুলেছে।
এখানকার মানুষের লাইফস্টাইল ভীষণ দ্রুতগতির। ছুটির দিনে এখানকার মানুষ মেতে ওঠে স্পোর্টস, বারবিকিউ আর আড্ডায়।
কী দেখবেন নিউ জার্সিতে
যদি আপনি বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে নিউ জার্সিতে আসেন, তবে আপনার ট্রাভেল বাকেট লিস্টে রাখার মতো জায়গার অভাব হবে না।
লিবার্টি স্টেট পার্ক: জার্সি সিটিতে অবস্থিত এ পার্ক থেকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি আর ম্যানহাটনের স্কাইলাইনের যে প্যানোরামিক দৃশ্য দেখা যায়, তা এককথায় অসাধারণ।
আমেরিকান ড্রিম মল: মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ঠিক পাশেই অবস্থিত এ বিশাল শপিং ও বিনোদন কমপ্লেক্স। এখানে রয়েছে ইনডোর থিম পার্ক, ওয়াটার পার্ক এবং আইস স্কেটিং রিংক। ম্যাচ শুরুর আগে বা পরে সময় কাটানোর দারুণ জায়গা।
আটলান্টিক সিটি: একটু দূরে হলেও ক্যাসিনো, নাইটলাইফ আর সুন্দর সমুদ্রসৈকত বা বোর্ডওয়াকের জন্য এটি বিখ্যাত।
খাবারের স্বর্গরাজ্য: নিউ জার্সির ফুড কালচার বা খাদ্যসংস্কৃতি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। ইতালিয়ান পিজ্জা থেকে শুরু করে মেক্সিকান ট্যাকোস, ইন্ডিয়ান বিরিয়ানি কিংবা কোরিয়ান বারবিকিউ— সবই পাবেন হাতের নাগালে।




