Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বাতিঘর লিটন
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় খোলা হাওয়া

মৃতদের ফিরে আসার দিন!

মাহমুদ নেওয়াজ জয়
agamir somoy
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৪
শেয়ার করুন:
মৃতদের ফিরে আসার দিন!

অক্টোবরের শেষ রাত। মেক্সিকোর ছোট এক গ্রামের কবরস্থানে মানুষ জড়ো হয়েছে। হাতে মোম, কোলে ঘুমন্ত শিশু। কেউ কাঁদছে না। বাতাসে পোড়া মোম আর ধূপের গন্ধ। একটি কবরের পাশে বসে এক বৃদ্ধা গিটার বাজাচ্ছেন। গানটা তার স্বামীর খুব প্রিয় ছিল। মানুষটা মারা গেছেন আট বছর আগে। বৃদ্ধা আজ রাতে তাকেই গান শোনাচ্ছেন।

হঠাৎ একটা মোমের শিখা কেঁপে ওঠে। অথচ বাতাস নেই। বৃদ্ধা মুখ তুলে হাসেন। বললেন, ‘এসেছ তাহলে।’

গল্পটি একটি উৎসবের। নাম দে লোস মুয়ের্তোস, মানে মৃতদের দিবস। নাম শুনলেই গা ছমছম করে। কিন্তু ভেতরে ঢুকলে ভয়টা আর থাকে না। ১ ও ২ নভেম্বর— এ দুই রাত ওপারের আত্মারা ফেরার অনুমতি পায়; মেক্সিকোর মানুষ এমনই বিশ্বাস করে। বাবা ফেরেন, মা ফেরেন, দাদিও ফেরেন। সেই শিশুটিও ফেরে, যে অল্প বয়সে চলে গিয়েছিল।

ফেরার পথ চেনানো হয় ফুল দিয়ে। গাঁদা, স্থানীয় ভাষায় সেম্পাসুচিল। রঙ গাঢ় কমলা, গন্ধ তীব্র, প্রায় তেতো। কবরস্থান থেকে ঘরের দরজা পর্যন্ত পাপড়ি বিছিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্বাস, অন্ধকারে পথ হারানো আত্মা এই রঙ আর গন্ধ ধরেই ঠিক দরজায় পৌঁছায়।

ঘরের এক কোণে সাজানো হয় ওফ্রেন্দা। প্রিয়জনের ছবি বসে সেখানে, মোম জ্বলে পাশে। এক গ্লাস পানি রাখা হয়, কারণ অনেক পথ হেঁটে এসে আত্মার তেষ্টা পায়। আর রাখা হয় মানুষটির পছন্দের খাবার। কারও জন্য ঝাল চকলেটের ঝোল, কারও জন্য এক পেয়ালা কড়া কফি। শিশুর জন্য মিষ্টি আর ছোট্ট একটা খেলনা। আমাদের দেশেও প্রিয়জনের নামে খাবার বিলানো হয়। তাই দৃশ্যটা অচেনা লাগে না।

তবে একটা বিশ্বাস শুনলে গায়ে কাঁটা দেয়। ওরা মনে করে, আত্মারা খাবারের শরীর নেয় না, নেয় তার সারটুকু। পরদিন সেই খাবার মুখে দিলে কোনো স্বাদ মেলে না। সব ফ্যাকাশে, ফিকে। তখন পরিবার বোঝে, কেউ একজন এসেছিল।

শিকড় অনেক গভীরে। যাজকরা মৃত্যুকে শেষ ভাবত না। তাদের কাছে মৃত্যু ছিল এক দীর্ঘ যাত্রা। যাত্রার শেষে মিকতলান, অন্ধকার এক জগৎ। পাঁচশ বছর আগে স্প্যানিশরা এসে সব বদলে দিতে চাইল। ক্যাথলিক উৎসব চাপিয়ে দিল। কিন্তু মানুষ পুরনো রীতি ছাড়ল না। দুই বিশ্বাস মিলেমিশে এক হলো। সেই মিশ্রণ আজও টিকে আছে। বাজারে বাজারে চিনির খুলি বিক্রি হয়। রঙিন খুলি। কপালে লেখা থাকে একটা নাম। বন্ধুকে উপহার দেওয়া হয়, হেসে খাওয়া হয়। বাইরের মানুষ অবাক হয়। অথচ ওরা জানে, যাকে নিয়ে হাসা যায়, তাকে আর ভয় লাগে না।

একশ বছরের বেশি আগে শিল্পী হোসে গুয়াদালুপে পোসাদা এক কঙ্কাল এঁকেছিলেন। মাথায় ইউরোপীয় ধাঁচের দামি টুপি। ধনীদের দেখনদারিকে খোঁচা দেওয়াই ছিল উদ্দেশ্য। পরের ছবিটা অন্য মানে পেল। লা ক্যাতরিনা নামে সে এখন উৎসবের মুখ। টুপি যত দামিই হোক, নিচে সবার একই খুলি। কবরে গিয়ে ধনী-গরিবের তফাত থাকে না।

২০১৭ সালে ‘কোকো’ ছবিটি পুরো দুনিয়াকে এই উৎসব চিনিয়েছে। ছবির কেন্দ্রে একটা কথা আছে, যা বুকের ভেতর গিয়ে বাজে। মানুষ নাকি দুবার মরে। একবার যখন শরীর থেমে যায়। আরেকবার যেদিন পৃথিবীর শেষ মানুষটি তাকে মনে করা ছেড়ে দেয়। ওফ্রেন্দায় ছবি রাখা তাই দ্বিতীয় মৃত্যুর বিরুদ্ধে একটা ছোট লড়াই। নাম ধরে ডাকা। দাদির হাতের রান্নাটা আরেকবার চুলায় চাপানো। কোনো ঘরে হয়তো একটা ছোট ছেলে ছবির সামনে দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে বলছে, ‘দাদু, আজ খুব ঠান্ডা। চাদরটা নিয়েছ তো?’

মিকোয়াকান রাজ্যের পাতস্কুয়ারো হ্রদে রাতে সারি সারি নৌকা ভাসে। প্রতিটিতে মোমের আলো। মেক্সিকো সিটিতে এখন বিশাল শোভাযাত্রা হয়। পর্যটকের ভিড়ও বাড়ছে। তবু উৎসবের আসল প্রাণ রয়ে গেছে ঘরের ভেতর, কবরের পাশে সেই বৃদ্ধার গিটারে।

ভোর হয়ে আসে। মোম নিভু নিভু। বৃদ্ধা শেষবার গিটারের তারে হাত রাখেন। সুরটা বাতাসে মিলিয়ে যায়। উঠতে গিয়ে তিনি একটু থামেন। কবরের মাটিতে আলতো হাত বুলিয়ে বলেন, ‘আসছে বছর আবার এসো।’

 

কবরস্থানগন্ধছমছমকোকোশোভাযাত্রাখোলা হাওয়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ফ্লাইটে উঠেই লিটন ফেসবুকে দেখতে পান তার মেয়ে মারা গেছে

    ফ্লাইটে উঠেই লিটন ফেসবুকে দেখতে পান তার মেয়ে মারা গেছে

    এনসিপিতে যোগ দিলেন শিবিরের ৮০ নেতাকর্মী

    এনসিপিতে যোগ দিলেন শিবিরের ৮০ নেতাকর্মী

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    খুলনা রেঞ্জে শুদ্ধি অভিযান, একযোগে পুলিশের ২৮ সদস্য প্রত্যাহার

    খুলনা রেঞ্জে শুদ্ধি অভিযান, একযোগে পুলিশের ২৮ সদস্য প্রত্যাহার

    পিটাছড়ায় বন ও প্রাণের উৎসব

    পিটাছড়ায় বন ও প্রাণের উৎসব

    বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সার্বিয়ার নির্বাচন

    বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সার্বিয়ার নির্বাচন

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    মার্কিন চুক্তিতে শুধু দেশ নয়, বিক্রি করা হচ্ছে সার্বভৌমত্বও

    মার্কিন চুক্তিতে শুধু দেশ নয়, বিক্রি করা হচ্ছে সার্বভৌমত্বও

    আড়াই মাস পর ফিরছে সৌদিতে নিহত ৫ শ্রমিকের মরদেহ, অপেক্ষায় স্বজনেরা

    আড়াই মাস পর ফিরছে সৌদিতে নিহত ৫ শ্রমিকের মরদেহ, অপেক্ষায় স্বজনেরা

    তুরাগ তীরে মিলেছে নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেল, তাহসিফের কিনা চলছে যাচাই

    তুরাগ তীরে মিলেছে নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেল, তাহসিফের কিনা চলছে যাচাই

    নাঈমের দ্রুততম ‘ফিফটি’

    নাঈমের দ্রুততম ‘ফিফটি’

    দীপের দেওয়া তথ্যে নানা ‘অসংগতি’

    দীপের দেওয়া তথ্যে নানা ‘অসংগতি’

    ‘ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রথমবার ভোট দিলাম, কিন্তু ঘরে ফিরলাম লজ্জা নিয়ে’

    ‘ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রথমবার ভোট দিলাম, কিন্তু ঘরে ফিরলাম লজ্জা নিয়ে’

    ‘রান ফর ডেমোক্রেসি’ স্লোগানে জাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের ৫ কিলোমিটার ম্যারাথন

    ‘রান ফর ডেমোক্রেসি’ স্লোগানে জাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের ৫ কিলোমিটার ম্যারাথন

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আলোকচিত্র কোর্সের ১২তম ব্যাচের উদ্বোধন

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আলোকচিত্র কোর্সের ১২তম ব্যাচের উদ্বোধন