স্বাস্থ্য টিপস
পিত্তনালিতে পাথর হলে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কোলেডোকোলিথিয়াসিস হলো পিত্তনালিতে পিত্তপাথরের উপস্থিতি, যা যকৃত এবং পিত্তথলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে পিত্তরসের প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে। এর ফলে তলপেটে তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং জন্ডিস হয়। এটি থেকে প্রাণঘাতী সংক্রমণ এবং অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে।
লক্ষণ
- তলপেটের ওপরের ডানদিকে তীব্র, মোচড়ানো ব্যথা (পিত্তশূল)
- জন্ডিস (ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হওয়া)
- বমি বমি ভাব বা বমি
- জ্বর ও কাঁপুনি
- গাঢ় প্রস্রাব এবং ফ্যাকাশে, মাটির রঙের মল
ঝুঁকির কারণ: ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অতীতে পিত্তথলিতে পাথর হওয়া, স্থূলতা এবং দ্রুত ওজন হ্রাস।
চিকিৎসা: চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হলো পিত্তনালির প্রতিবন্ধকতা দূর করা। প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে-
ইআরসিপি: এটি সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসা। একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট মুখ দিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে একটি এন্ডোস্কোপ প্রবেশ করিয়ে প্রতিবন্ধকতাটি শনাক্ত করেন এবং পাথর বের করে আনেন।
স্ফিংকটারোটমি: পাথর বের হওয়ার সুবিধার্থে পিত্তনালির মুখের মাংসপেশির একটি ছোট অংশ কাটা হয়।
কোলেসিস্টেকটমি: যদি পিত্তথলিটি অক্ষত থাকে, তবে ভবিষ্যতে পাথর তৈরি হওয়া রোধ করার জন্য সার্জনরা সাধারণত পাথর অপসারণের পর সেটিও কেটে বাদ
দিয়ে দেন।
লেখক : কনসালট্যান্ট, আলোক হাসপাতাল, মিরপুর-৬।




