মানবিক আবেদন
কলেজছাত্রী অর্পাকে বাঁচানোর লড়াই

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলেজছাত্রী অর্পা
বাবা মো. হাফিযুর রাহমান খানের হাত ধরে একদিন কলেজে গিয়েছিলেন রিদিতা খানম অর্পা। পথে হয়তো স্বপ্ন বুনেছিলেন, পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াবেন, মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাবেন। তার বয়স তখন সবে বাইশ। আজ সেই হাত আর বই-খাতা বহন করে না। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শিরায় কেমোথেরাপির ওষুধ নিতে নিতে মা-বাবাকে সান্ত্বনা দেন, ‘একদিন আমি সুস্থ হয়ে যাব।’ মা-বাবা জানেন বাস্তবতা; দরজার আড়ালে গিয়ে কাঁদেন।
৫ জুন ২০২৪। অর্পার পরিবারের জন্য ছিল বিভীষিকাময় দিন। চিকিৎসক জানালেন, অর্পার শরীরে বাসা বেঁধেছে অ্যাকিউট লিউকেমিয়া। হাড়ের ক্যানসার। রক্তের ভেতর থেকে ধীরে ধীরে শেষ করে দেওয়া এক নিষ্ঠুর রোগ। অর্পার বাবা ও মা বেসরকারি চাকরিজীবী। দুজনে মিলে চালান সংসার। কিন্তু সেদিন থেকে সেই সংসারের হিসাব বদলে গেছে। খরচের খাতায় চাল-ডালের চেয়েও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কেমোথেরাপির বিল, ওষুধের রিপোর্ট, ডাক্তারের ফি। এরই মধ্যে ফুরিয়েছে সঞ্চয়। গয়না বিক্রিও শেষ। এখন ধারদেনা করে সন্তানের চিকিৎসা চালাচ্ছেন মা-বাবা।
প্রথম দফায় খরচ হয়েছে ৩৫ লাখ টাকার বেশি। পরিবার ভেবেছিল, হয়তো সবচেয়ে কঠিন সময়টা পেরিয়ে এসেছে। কিন্তু গত ৬ জুন আবারও এলো দুঃসংবাদ। ক্যানসার আবারও ফিরে এসেছে অর্পার শরীরে। রিল্যাপস। চিকিৎসাশাস্ত্রে যাকে বলে এমন একটি অবস্থা, যেখানে কোনো রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার বা উন্নতি দেখানোর পর আবার আগের রোগে বা অসুস্থতায় ফিরে যান। অর্পা আবারও হাসপাতালে। চলছে চিকিৎসা। প্রতিটি কেমোথেরাপি সাইকেলে খরচ পড়ছে ১০ লাখ টাকার বেশি। কতটি সাইকেল লাগবে, এখনই বলা সম্ভব নয়। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন, কেমোথেরাপির পর করতে হবে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট। এই প্রক্রিয়ার ন্যূনতম খরচ ৫০ লাখ টাকা। আদুরে কন্যার জীবনপ্রদীপ বাঁচিয়ে রাখতে সর্বস্তরের মানুষের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন অর্পার মা-বাবা।
অর্পাকে সাহায্য করার উপায়:
মো. হাফিযুর রাহমান খান
ব্যাংক হিসাব নম্বর: ০২০০০১২৮২০৬৪৬
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, আইসিডিডিআর,বি




