বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
আদর্শ সিভিতে যা থাকা বাধ্যতামূলক

মডেল: ইমরানুল গনি; ছবি: ক্যারিয়ার ক্লাব
চাকরির বাজারে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপনের প্রথম সুযোগটি আসে সিভির মাধ্যমেই। পরামর্শ দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যাপক ড. খালেদ মাহমুদ
আধুনিক চাকরির বাজারে একটি সিভিতে নির্দিষ্ট কিছু সেকশন বা অংশ থাকা বাধ্যতামূলক। সিভির একদম শুরুতে প্রার্থীর নাম, পেশাদার ইমেইল আইডি, সচল ফোন নম্বর এবং লিংকডইন প্রোফাইলের লিংক সংক্ষেপে দিতে হবে। এখানে স্থায়ী ঠিকানা বা বৈবাহিক অবস্থার মতো ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এরপর থাকবে একটি সংক্ষিপ্ত প্রফেশনাল সামারি বা ক্যারিয়ার অবজেক্টিভ, যা পড়ে নিয়োগকর্তা প্রার্থীর মূল লক্ষ্য বুঝতে পারবেন। পরবর্তী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কাজের অভিজ্ঞতা, যা সাম্প্রতিক কাজ থেকে শুরু করে পেছনের দিকে সাজাতে হবে। প্রতিটি কাজের অধীনে শুধু দায়িত্ব নয়, আপনি কী কী সাফল্য অর্জন করেছেন তা সুনির্দিষ্ট সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে।
সিভিতে এমন তথ্য থাকা দরকার, যা দেখে প্রার্থী সম্পর্কে নিয়োগকর্তা পরিষ্কার ধারণা পান
দক্ষতা, শিক্ষা এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
অভিজ্ঞতার পরেই সিভিতে স্থান পাবে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং দক্ষতা। শিক্ষাগত যোগ্যতার অংশে ডিগ্রির নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং পাসের সাল উল্লেখ করতে হবে। দীর্ঘ কর্ম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সিজিপিএ দেওয়া ঐচ্ছিক। দক্ষতার ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল বা হার্ড স্কিলস, যেমন— পাইথন, এসইও, গ্রাফিক ডিজাইন এবং সফট স্কিলস, যেমন— দলগত কাজ, নেতৃত্বগুণ, যোগাযোগ দক্ষতা আলাদাভাবে উল্লেখ করা ভালো। সবশেষে যুক্ত করতে হবে এক বা দুজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির রেফারেন্স। সিভি চূড়ান্ত করার পর অবশ্যই তা পিডিএফ ফরম্যাটে সেভ করতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন এটি ‘অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম’ বা এটিএস ফ্রেন্ডলি হয়। ভুল বানান বা ব্যাকরণগত ত্রুটি একটি ভালো সিভির আবেদন মুহূর্তেই নষ্ট করে দিতে পারে। তাই সাবমিট করার আগে কয়েকবার পড়ে নেওয়া জরুরি। সঠিক কাঠামোর একটি নিখুঁত সিভিই হতে পারে আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ারের মূল চাবিকাঠি।




