গ্র্যামির সদস্য হলেন আরমীন মুসা

আরমীন মুসা- তানজিম আহমেদ বিজয়
সংগীতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজক প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ডিং একাডেমির সদস্য হলেন বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী আরমীন মুসা। গত রবিবার রাতে তিনি নিজেই এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
গ্র্যামির সঙ্গে আরমীন মুসার সম্পর্ক নতুন নয়। ৬৫তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে বেস্ট গ্লোবাল মিউজিক অ্যালবাম শাখায় মনোনীত বার্কলে ইন্ডিয়ান অনসাম্বলের ‘শুরুয়াত’-এর ‘জাগো পিয়া’ গানটি লিখেছেন আরমীর মুসার মা, বিশিষ্ট নজরুলসংগীতশিল্পী নাশিদ কামাল। নিজের সুরে এতে কণ্ঠ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলে কলেজ অব মিউজিকের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আরমীন মুসা। গ্র্যামির ইতিহাসে প্রথমবার কোনো বাংলাদেশি শিল্পী ও গীতিকারের গানের মনোনয়ন পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।
আরমীন মুসা বললেন, ‘আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমি এখন রেকর্ডিং একাডেমির সদস্য। এর মাধ্যমে সংীতে সেরাদের এক বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছি। ফলে সংগীতের উৎকর্ষকে উদযাপন এবং গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের নির্বাচনী ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় অবদান রাখার সুযোগ পাব। আমার কাছে এটি যেন আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়া— নিজেকে, আমার সংস্কৃতিকে এবং আমার বাংলাদেশকে বিশ্বের বাকি অংশের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করার পথে। কারণ আমার বিশ্বাস, সমগ্র পৃথিবীই আমার আপন ঠিকানা।’
সম্প্রতি রেকর্ডিং একাডেমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে চার হাজারেরও বেশি নতুন সদস্যকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তাদের অনেকেই এবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের ভোট ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন।
রেকর্ডিং একাডেমির ভোটার সদস্য হওয়ার জন্য একজন সংগীতস্রষ্টার একটি নির্দিষ্ট সৃজনশীল পেশায় বাণিজ্যিকভাবে প্রকাশিত ও যাচাইযোগ্য অন্তত ১২টি কাজ থাকতে হয়, যার মধ্যে অন্তত পাঁচটি গত পাঁচ বছরের হতে হবে। এ ছাড়া দুজন শিল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সুপারিশ প্রয়োজন। তবে সর্বশেষ গ্র্যামিতে মনোনীত শিল্পীরা কোনো সুপারিশ ছাড়াই সরাসরি সদস্য হওয়ার যোগ্যতা পান।
নতুনরা যুক্ত হওয়ার পর রেকর্ডিং একাডেমির মোট সদস্য হবে প্রায় ২০ হাজার। এর মধ্যে ১৫ হাজারেরও বেশি সদস্য গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ভোট দেওয়ার যোগ্য হবেন। আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি দেওয়া হবে ৬৯তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস।




