এমিতে ইতিহাস গড়া ‘উইডোজ বে’তে কী আছে

সংগৃহীত ছবি
বিনোদন দুনিয়ায় এখন একটাই নাম চর্চায়, ‘উইডোজ বে’। ৭৮তম এমি অ্যাওয়ার্ডসের রাতে প্রায় সব রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিয়ে একক সিজনে রেকর্ডসংখ্যক ১৪টি এমি ট্রফি জিতে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে এই কমেডি হরর সিরিজটি। লস অ্যাঞ্জেলেসের পিকক থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এমি আসরে ১৯টি ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়ে ১৪টিতেই জয় ছিনিয়ে নেয় সিরিজটি।
তাই এখন প্রশ্ন আসতেই পারে সিরিজটি আসলে কী নিয়ে তৈরি, কেন এত উন্মাদনা আর কোথায় দেখা যাবে?
বাহ্যিক দৃষ্টিতে এটিকে একটি নিরিবিলি দ্বীপের সাধারণ গল্প মনে হলেও, বাস্তবে এর প্লট ভীষণ রহস্যময় ও রোমাঞ্চকর। গল্পের মূল চরিত্র শহরের মেয়র ‘টম লফটিস’ (ম্যাথিউ রিস), যিনি তার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ-শহরটিকে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তর করতে চান। কিন্তু বাঁধ সাধে দ্বীপের শত বছরের প্রাচীন এক অভিশাপ।
মেয়র টম প্রচলিত অন্ধবিশ্বাস মেনে না নিয়ে অদ্ভুত এক সিদ্ধান্ত নেন—শহরের প্রতিষ্ঠাতার পুরো রক্তধারা বা বংশপ্রদীপকে মুছে ফেলে অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবেন। দ্বীপাঞ্চলটির অধিবাসীদের বিশ্বাস, সেই বংশের শেষ জীবিত প্রতিনিধি হলেন ‘রুথ’ নামের ৮৪ বছরের এক বৃদ্ধা। ব্যস, এরপর থেকেই শুরু হয় মারাত্মক সব কমেডি ও হরর ড্রামার রোমাঞ্চকর মোড়।
সিরিজটির মূল আকর্ষণে রয়েছেন ব্রিটিশ অভিনেতা ম্যাথিউ রিস, টম লফটিস চরিত্রে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কেট ও'ফ্লিন, স্টিফেন রুট, বেটি গিলপিন, কেভিন ক্যারল এবং জেফ হিলারের মতো দারুণ সব শিল্পীরা। অনবদ্য অভিনয়ের জন্য রিস, কেট, রুট ও বেটি প্রত্যেকেই এমি ট্রফি ঝুলিতে পুরেছেন।
এমি কাঁপানো এই ব্ল্যাক-কমেডি হরর সিরিজটি আপনি উপভোগ করতে পারবেন অ্যাপল টিভি প্লাসে। এছাড়া আমাজন প্রাইম ভিডিওতে ভাড়া নিয়ে দেখা যাবে।
সিরিজটির প্রথম সিজনের তুমুল জনপ্রিয়তার পর ২০২৬ সালের জুনেই প্রযোজনা সংস্থা এর দ্বিতীয় সিজনের ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে। তাই দেরি না করে দ্রুত দেখে নিতে পারেন এমি জয়ী এই মাস্টারপিস সিরিজটি।




